বিদ্যুৎ বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইউনাইটেড পাওয়ার: তৃতীয় প্রান্তিকে ২০.১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

united 3qশেয়ারবাজার রিপোর্ট: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবসায়িক উন্নতি অব্যাহত থাকবে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মঈন উদ্দিন হাসান রশীদ।  তিনি আরো জানান, বেসরকারী গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি বাড়াতে কোম্পানিটি কাজ করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় কোম্পানির ২০১৬-২০১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) এক বছর আগের তুলনায় ২০.১৫ শতাংশ বেড়েছে বলে তিনি জানান।

১৯ এপ্রিল বুধবার ‘তৃতীয় প্রান্তিক পারফর্মেন্স রিভিউ সেশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ইউনাইটেড পাওয়ার তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিকেদন প্রকাশ করেছে। এ সময়ে ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজা ও ইউনাইটেড পাওয়ারের চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) আব্দুল মুবিনসহ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মঈন উদ্দিন হাসান রশীদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম ইপিজেডে অবস্থিত কোম্পানির প্লান্ট দুটি থেকে মূলত বেসরকারি গ্রাহকদের বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে উভয় ইপিজেডে যথাক্রমে ৮৮ ও ৭২ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহে সক্ষম আমরা। ভবিষ্যতে এ দুটি প্লান্ট থেকেও বিদ্যুৎ বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করছি আমরা। সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষণ করে কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে ম্যানেজমেন্টের।

এ সময়ে কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির খুঁটিনাটি সম্পর্কে বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকদের নানা প্রশ্নের উত্তরদেন কোম্পানির কর্মকর্তারা। জানানো হয়, চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে ইউনাইটেড পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ৮.৮৫ টাকা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৭.৯১ টাকা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছে ৩.০৪ টাকা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২.৫৩ টাকা। ৩১ মার্চ এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৩৮.৫৭ টাকা।

২০১৬ সালের ৩০ জুন ১৮ মাসে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৮০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ডের পর ৪৫ শতাংশ চূড়ান্ত ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ বছরের জন্য ৮০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ক্যাশ ডিভিডেন্ড পেয়েছেন এ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা। জুন ক্লোজিংয়ের বাধ্যবাধকতায় এবার ১৮ মাসে হিসাব বছর গণনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয় ১৫.৫৭ টাকা।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

Top