ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি-পর্ব ১০: লকইন

financial-litaracyশেয়ারবাজার রিপোর্ট: কোম্পানির প্রসপেক্টাস ইস্যু কমার্শিয়াল উৎপাদন চালু করার পর কোম্পানির শেয়ার লকইন রাখা হয়। অর্থাৎ কিছু সময় বেঁধে দেয়া হয় যে সময়ের মধ্যে কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা যাবে না। সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী যেসব ক্ষেত্রে শেয়ার লকইন থাকবে সেগুলো নিম্নে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হলো:

০১. প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদনপত্র পাওয়ার পর থেকে কোম্পানির স্পন্সর, পরিচালক, যেসব বিনিয়োগকারীর হাতে ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে তাদের লকইন হচ্ছে তিন বছর।

০২. কোম্পানির আইপিও অনুমোদনপত্র পাওয়ার দুই বছর আগে যাদের কাছে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেগুলোর ক্ষেত্রে লকইন তিন বছর।

০৩. কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধির আবেদনের ১২ মাসের মধ্যে যদি কোম্পানির কোম্পানির কোনো স্পন্সর বা পরিচালক অন্য কারো কাছে (বিদ্যমান স্পন্সর/পরিচালক ছাড়া) শেয়ার হস্তান্তর করে সেক্ষেত্রে যার কাছে শেয়ার থাকবে তার জন্য লকইন হচ্ছে তিন বছর।

০৪. ইলিজিবিল ইনভেষ্টরদের ৫০ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দের মধ্যে প্রথম ২৫ শতাংশ শেয়ার তিন মাস লকইন থাকবে এবং বাকি ২৫ শতাংশ শেয়ার ছয় মাস লকইন থাকবে।

০৫. অলটারনেটিভ ইনভেষ্টমেন্ট ফান্ডের মাধ্যমে যে পরিমাণ শেয়ার ধারণ করা হবে সেগুলোর লকইন হচ্ছে এক বছর।

০৬. যদি অন্য কোনো সিকিউরিটিজ বা বন্ড শেয়ারে রুপান্তর করা হয় সেক্ষেত্রেও ওপরের নিয়মানুযায়ী লকইন পিরিয়ড কার্যকর হবে।

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top