প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের টার্গেটে ১৫ কোম্পানি

dse-cseশেয়ারবাজার রিপোর্ট: একমাসের ব্যবধানে তালিকাভুক্ত শতাধিক কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। যেকারণে এগুলোতে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণের পরিমাণ বেড়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৫ কোম্পানি রয়েছে যেগুলোতে গত মে মাসের শেষে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণের সংখ্যা বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। কোম্পানিগুলো হলো: আমরা টেকনোলজি, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, এফএএস ফাইন্যান্স, ডোরিন পাওয়ার, ‍রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, বিডিকম অনলাইন,  সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল, ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ, ফু-ওয়াং সিরামিক,  মোজাফফর হোসেন স্পিংনিং, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ইনটেক লিমিটেডে, ফু-ওয়াং ফুড, ইভিন্স টেক্সটাইল এবং মালেক স্পিনিং। ডিএসই সূত্রে জানা  গেছে।

জানা যায়, ৩০ এপ্রিল আমরা টেকনোলজিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ১৬.২৪ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৩.৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ২৭.১১ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল আলহাজ্ব টেক্সটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ৯.১৯ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭.২৬ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ৮.০৭ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেষ্টমেন্টের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ২৪.৭৮ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ৫.২২ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ৫.৪৫ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০.২২ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ৪.৭৭ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ৩৮.০২ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২.৭২ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ৪.৭০ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল বিডিকম অনলাইন লিমিটেডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ১৩.৮০ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭.৯০ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ৪.১০ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ১০.৬৭ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪.৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ৩.৮২ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ৫.১৯ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮.৯৩ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ৩.৭৪ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল ফু-ওয়াং সিরামিক ইন্ডাষ্ট্রিজের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ৩৪.৬০ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭.০৫ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ২.৪৫ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল মোজাফফর হোসেন স্পিংনিং মিলসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ২৩.৫০ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫.৮৯ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ২.৩৯ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সে কোম্পানি লিমিটেডে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ২১.০১ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩.৩৬ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ২.৩৫ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল ইনটেক লিমিটেডে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ১৭.৮৩ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০.০২ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ২.১৯ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল ফু-ওয়াং ফুডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ১৭.১৭ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯.০৬ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ১.৮৯ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল ইভিন্স টেক্সটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ১১.৭৮ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩.৬৪ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ১.৮৬ শতাংশ।

৩০ এপ্রিল মালেক স্পিনিংয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যার পরিমাণ ছিল ২৯.৯৯ শতাংশ। সেখানে ৩১ মে পর্যন্ত এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর শেয়ার ধারণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১.৭৯ শতাংশ। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর পরিমাণ বেড়েছে ১.৮০ শতাংশ।

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

 

আপনার মন্তব্য

*

*

Top