ব্যবসা হারাচ্ছে সন্ধানি ও পপুলার লাইফ

life-insurance-SharebazarNeশেয়ারবাজার রিপোর্ট: জীবন বীমা ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সন্ধানি লাইফ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লি:। এতে কোম্পানি দুটি ব্যবসা হারাচ্ছে।

এর মধ্যে সন্ধানি লাইফের ব্যবসা আশঙ্কাজনক হারে কমছে। অথচ তাদেরই আরেক প্রতিযোগী ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে।

কোম্পানিগুলোর অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

জানা যায়, সন্ধানি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লাইফ ফান্ড চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র ৪১ লাখ ৩০ হাজার টাকা বেড়েছে। অথচ এর আগের বছর একই সময়ে লাইফ ফান্ড ৩৫ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা বেড়েছিল। অর্থাৎ আলোচিত সময়ে ৯৯ শতাংশ ব্যবসা হারিয়েছে কোম্পানিটি। আর ছয় মাসে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ড বেড়েছে ৩ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে বেড়েছিল ৬২ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। দেখা যাচ্ছে চলতি বছরের প্রথমঅর্ধে কোম্পানিটি ৯৪ শতাংশ ব্যবসা হারিয়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির মোট লাইফ ফান্ড দাঁড়িয়েছে ৮৭০ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অপরদিকে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লাইফ ফান্ড চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ২৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বেড়েছে। অথচ এর আগের বছর একই সময়ে লাইফ ফান্ড ৫৪ কোটি ৪ লাখ টাকা বেড়েছিল। অর্থাৎ আলোচিত সময়ে ৫০.৪৭ শতাংশ ব্যবসা হারিয়েছে কোম্পানিটি। আর ছয় মাসে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ড বেড়েছে ৬৪ কোটি ১২ লাখ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে বেড়েছিল ২০৭ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। দেখা যাচ্ছে চলতি বছরের প্রথমঅর্ধে কোম্পানিটি ৬৯ শতাংশ ব্যবসা হারিয়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির মোট লাইফ ফান্ড দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা।

এদিকে জীবন বীমা ব্যবসায়ে অপর প্রতিযোগী ডেল্টা লাইফ প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। কোম্পানিটির গত তিন মাসে লাইফ ফান্ড ৫ কোটি ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বেড়েছে। এর আগের বছর একই সময়ে লাইফ ফান্ড ৫ কোটি ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা বেড়েছিল। আর ছয় মাসে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ড বেড়েছে ৪৫ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে বেড়েছিল ৩৯ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দেখা যাচ্ছে চলতি বছরের প্রথমঅর্ধে কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আদায় বেড়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির মোট লাইফ ফান্ড দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা।

উল্লেখ্য, জীবন বীমা কোম্পানিগুলো বীমা পলিসি বিক্রির মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা (প্রিমিয়াম) সংগ্রহ করে। মেয়াদ শেষে গ্রাহককে সুদে আসলে টাকা ফেরত দিয়ে দিতে হয়। বীমা আইন অনুযায়ী প্রিমিয়ামের একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যবস্থাপনা এবং ডিভিডেন্ড বাবদ ব্যয় করতে পারে কোম্পানিগুলো।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top