আগামীতে সিমেন্টের গ্রোথ অনেক ভালো থাকবে- মাসুদ খান

masud khanবাংলাদেশের চ্যার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং এই সেক্টরে বেশিরভাগ প্রফেশনালদের শিক্ষাগুরু যাকে লাফার্জ সুরমার মাসুদ খান হিসেবেই সবাই চিনে থাকেন। শিক্ষাজীবনে ঈর্ষণীয় সাফল্যের পর কর্মজীবনেও পৌঁছেছেন সাফল্যের শীর্ষে। নাম করা বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানিতে দায়িত্ব পালন করা এই লিজেন্ডের সঙ্গে সম্প্রতি বাংলাদেশে সিমেন্ট সেক্টর নিয়ে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমের খোলামেলা আলোচনা হয়। আলোচনার চুম্বক অংশ নিম্নে পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো:

শেয়ারবাজারনিউজ: বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির পর্ষদে আপনার দীর্ঘদিনের স্বরব উপস্থিতি ছিল। বর্তমানে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের পরামর্শক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। শিক্ষাজীবন থেকে কর্মজীবনে বহু অভিজ্ঞতা আপনি অর্জন করেছেন। শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমের পাঠকদের উদ্দেশ্যে সেই অভিজ্ঞতা যদি শেয়ার করতেন…….

মাসুদ খান: কোথা থেকে শুরু করি। প্রথম শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করি। আমার লেখাপড়া ইন্ডিয়াতে। যখন ক্লাস এইটে পড়ি তখন একটি মজার কথা মনে পড়ে। ঐ সময়ে আমাদের সিলেক্ট করতে হতো আমি কি সাইন্স পড়বো নাকি কমার্স পড়বো। তখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে কমার্স পড়বো। ঐ সময়ে অল ইন্ডিয়া লেবেলে চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্টস নামে কোর্স ছিল যা অনেক কঠিন ছিল। সিদ্ধান্ত নিলাম সেটাই করবো। যদি পাস করে যাই তাহলে আমার লাইফতো দাঁড়িয়ে গেলো। একদিন আমার বোনের বন্ধু আমার বাসায় আসলো। তিনি জিজ্ঞেস করলো আমি কি পড়বো। আমি তাকে চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্টসের কথা বললাম। উনি বললেন আমি অনেক Shattered Accountant দেখেছি কিন্তু চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দেখেনি। ঐ সময় চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্টস পাস করা অসম্ভব ছিলো। আমি তাকে বললাম যে অসম্ভবকেই সম্ভব করবো। সেই উদ্যমে আমি পরীক্ষা দেই এবং অল ইন্ডিয়া ইন্টারমিডিয়ার এক্সামে সেকেন্ড পজিশন পাই।
প্রফেশনাল পরীক্ষাগুলো আমি প্রতি ছয়মাস পরপরই দেই। তিন বছরেই সিএ,সিএমএ শেষ করে ফেলি। কোনোকিছুই অসম্ভব নয়। এরপর বাংলাদেশে এসে তিনমাস একটি কোম্পানিতে যোগ দেই। তারপর ব্রিটিশ আমেরিকা টোবাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি) কোম্পানি কাজ করি। সেখানে ২০ বছর কাজ করেছি। ফিন্যান্সের কোনো কিছু বাদ ছিলো না। তারপর বিদেশেও কাজ করেছি। অত:পর ১৯৯৯ সালে ওখান থেকে ফিরে এসে যোগদান করলাম লাফার্জে। এই লাফার্জেই ১৮ বছর কেটে গেলো। এখন বর্তমানে গ্লাক্সো, মেরিকো বাংলাদেশ, বার্জার পেইন্টসে স্বাধীন পরিচালক হিসেবে কাজ করছি।

শেয়ারবাজারনিউজ: বাংলাদেশের সিমেন্ট ইন্ডাষ্ট্রির বর্তমান অবস্থা আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

মাসুদ খান: সিমেন্ট সেক্টরের কিছু তথ্য দিয়ে শুরু করি। সিমেন্ট গ্রোথের সঙ্গে জিডিপির একটা তারতম্য রয়েছে। সেটা হচ্ছে, যদি একটা আন্ডার ডেভেলপমেন্ট কান্ট্রি থাকে যেমন বাংলাদেশ। বাংলাদেশে মোটামুটিভাবে মাথাপিছু সিমেন্টের গড় ব্যবহার ১২৫ কিলোগ্রাম। স্পেনে একসময় ছিল ১ টন, ইন্ডিয়াতে ২৫০ কিলোগ্রাম অর্থাৎ আমাদের দ্বিগুন। যদি জিডিপি ৬% বাড়ে তাহলে সিমেন্ট ৯%। বাংলাদেশের গত ১৫ বছরের পরিসংখ্যানে এভারেজ গ্রোথ হয়েছে ৯.৬%। এখন জিডিপির ৭% গ্রোথ হচ্ছে এবং সিমেন্ট খাতে ১০% গ্রোথ অর্থাৎ খুবই ভালো অবস্থানে রয়েছে।

শেয়ারবাজারনিউজ: দেশের রাস্তাগুলো এখন বিটুমেনের পরিবর্তে আরসিসি করা হচ্ছে। এতে সিমেন্টের ব্যবহার বহুগুন বেড়ে যাচ্ছে। এর কি পরিমাণ প্রভাব সিমেন্ট কোম্পানিগুলোতে পড়বে বলে আপনি মনে করেন?

মাসুদ খান: কিছু কিছু কনক্রিট করা হচ্ছে অর্থাৎ মার্কেট যেখানে হচ্ছে সেখানে আরসিসিতে করা হচ্ছে। একসময় চিটাগাংয়ে আরাকান রোড নামে একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল যেটা চিটাগাং থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত। ব্রিটিশরা ঐ রাস্তাটি করেছিল যা ৩০ বছরেও কিছু হয়নি। বিদেশে এগ্রিগেট হয় পাথরের কিন্তু আমাদের দেশে এটা হয় না। যেহেতু বৃষ্টিপ্রবল এলাকা আমাদের তাই বিটুমিনের রাস্তা ডেবে যায়। অন্যদিকে আরসিসি’র রোড অনেক শক্তিশালী। যদি সব হাইওয়ে সিমেন্টের করা হতো তাহলে মেইনটেন্স কষ্ট অনেক কমে যেতো। যদি কনক্রিটের রাস্তার ব্যবহার বাড়ানো হয় তাহলে দেশের সিমেন্ট খাতে অনেক উন্নতি হবে। যেমন দেখা যাচ্ছে আগামীতে সিমেন্টের গ্রোথ অনেক ভালো থাকবে।

শেয়ারবাজারনিউজ: দেশি কোম্পানির সিমেন্টের তুলনায় বহুজাতিক কোম্পানির সিমেন্টের দর একটু বেশি। এতে মানের দিক দিয়ে কোনো পার্থক্য রয়েছে কিনা? থাকলে একটু ব্যাখ্যা করুন।

মাসুদ খান: আমি জুতা কিনবো, এটা আমি নাইক কিনতে পারি,বাটা বা পাওয়ারের সু কিনতে পারি। গাড়ির ক্ষেত্রে বিএমডব্লিউ কিনতে পারি আবার টয়োটা কিনতে পারি। এটা ব্রান্ডের আস্থার ওপর নির্ভর করবে। এখানেও তাই, মানের দিক দিয়ে এতোটা পার্থক্য নেই।

শেয়ারবাজারনিউজ: দেশে সিমেন্ট খাতে দেশি-বিদেশি অনেক কারখানা রয়েছে। একসময়ে দাপুটের সঙ্গে ব্যবসা করা বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এখন দেশি কোম্পানিগুলো থেকে দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। এ বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করুন।
মাসুদ খান: দেশিও কোম্পানি অনেক এগিয়ে গেছে। এখন মার্কেট লিড করছে শাহ্ সিমেন্ট, দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বসুন্ধরা, তৃতীয় অবস্থান রয়েছে সেভেন রিংস, চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ফ্রেস। ক্রাউন,প্রিমিয়ার অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। ক্রাউনতো এক্সপোর্টও করছে। তাই লোকালরা অনেক এগিয়ে গেছে। আগে এসব কোম্পানি ব্যবসা এতোটা বুঝেনি। কিন্তু পরবর্তীতে মার্কেট বুঝে এরাই লিড করছে। প্রথমত: এরা টেকনিক্যাল দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয়ত: ব্রান্ডিংয়ে আমাদের তুলনায় অনেক এগিয়ে গেছে। তৃতীয়ত: ডিস্ট্রিবিউশন। প্রায় লোকাল সিমেন্ট কোম্পানির নিজস্ব ট্রাক রয়েছে। তারা রিটেল পর্যায়ে খুব শক্তিশালী। আমরাতো ভাড়ায় পণ্য পাঠাই।

শেয়ারবাজারনিউজ: নিজেরাই ক্লিংকার উৎপাদন করে দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ সিমেন্ট ফ্যাক্টরী হিসেবে লাফার্জহোলসিম ব্যবসা করে যাচ্ছে। এতে ভোক্তারা কোনো বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে কিনা?

মাসুদ খান: ভোক্তাদের বাড়তি সুবিধা রয়েছে যেমন: আমারটা হচ্ছে একমাত্র সোর্স অব ক্লিংকার। তাই আমার ক্লিংকারের কোয়ালিটি আমি জানি। যারা গ্রাইন্ডার তারাতো আজকে আনছেন থাইল্যান্ড থেকে কালকে আনছেন মালয়শিয়া বা চায়না থেকে। ঐখানে একটু ভেরিয়েশন হতে পারে। এতে কোয়ালিটি একটু কমে যাবে। যদিও তারা কোয়ালিটি চেক করে, করে না তা না। কিন্তু ক্লিংকার ক্লিংকারই। তবে ঐ সেন্সে আমাদের একটু সুবিধা বেশি আর কি, অর্থাৎ একই সোর্স থেকে ক্লিংকার আসছে। তবে সত্য বলতে লোকাল যারা রয়েছে তাদেরও কোয়ালিটি খারাপ না। আমরা বলি যে, আমাদের কোয়ালিটি উঠা-নামা করবে না। অন্যদের একটু উঠা-নামা করতে পারে। এক্ষেত্রে লাফার্জহোলসিমের কোয়ালিটির ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা রয়েছে।

শেয়ারবাজারনিউজ: ভারতের চুনাপাথর উত্তোলন নিয়ে সৃষ্ট মামলা জটিলতা থেকে বেরিয়ে একসময়ের পুঞ্জীভূত লোকসানে থাকা লাফার্জ এখন ৩৭৫ কোটি টাকা রিজার্ভ ছাড়িয়েছে। টানা তিন বছর বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ করে ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। তবে সম্প্রতি প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির লোকসান হয়ে গেছে। এর কারণটি ব্যাখ্যা করুন। এর থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আপনারা কোনো পদক্ষেপ নিয়েছেন কি?

মাসুদ খান: এটা কয়েকটা কারণে হয়েছে। প্রথমত আমাদের মূল মার্কেট হচ্ছে সিলেট। ব্রেক্সিট হওয়াতে রেমিট্যান্স অনেক কমে গেছে। রেমিট্যান্স কম হওয়াতে ব্যক্তি হোম বিল্ডাদের বাড়ি তৈরি কমে গেলো। যে কারণে সিমেন্টের বিক্রি কমে গেছে। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে বৃষ্টি। যদিও বৃষ্টি সব জায়গায় হয়েছে, সিলেটে একটু বেশি হয়েছে। তৃতীয় কারণ হচ্ছে গত বছরের শেষের দিকে আমাদের কিছু স্টক বেড়ে গিয়েছিল। অনেকে মাল কিনে রেখে দিয়েছে। ঐটা হলে দেখা যায় আগামী বছরের বিক্রি একটু কম হচ্ছে। চতুর্থত মার্কেটে যারা গ্রাইন্ডার আছে তারা খুব এগ্রেসিভ। তারা প্রাইসটা কমিয়ে দিয়েছে। যে কারনে আমাদের প্রাইসও কমাতে হয়েছে। সবসময় বড় খরচ হচ্ছে ক্লিংকার প্রাইস। এটার দর ধারাবাহিকভাবে কমে আসছে। ক্লিংকার প্রাইস কমলে তারা মার্জিন বাড়িয়ে দেয়। তখন একটু নাড়াচাড়া দেয়। এছাড়া আমাদের কিছু প্রজেক্ট রাইট অফ করতে হয়েছে। সর্বশেষে ট্যাক্সটা অনেক বেড়ে গেছে। ট্যাক্সের বিষয় হচ্ছে, ইন্ডিয়াতে আমাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি রয়েছে। সেখানে ডিস্ট্রিবিউশন ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। গত বছর ঐ সাবসিডিয়ারি কোম্পানি করমুক্ত ছিল। কিন্তু এবছর করের আওতায় চলে এসেছে। সে সাবসিডিয়ারির ডিভিডেন্ড নেয়ার জন্য আবার আমাদের ২০% ডিভিডেন্ড ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। মানে বেশি ট্যাক্স দেয়ার কারণে ইপিএসটা অনেক কমে গেছে। তবে নেক্সট থেকে আবার ইপিএস বেড়ে যাবে।

শেয়ারবাজারনিউজ: স্থানীয় বাজার দখলের দিক থেকে লাফার্জহোলসিমের অবস্থান কোথায়? বাজারে লাফার্জহোলসিমের দুটি ব্রান্ড হোলসিম ও সুপারক্রিটের মধ্যে কোনটির চাহিদা বেশি?

মাসুদ খান: হোলসিম ব্রান্ড মার্কেটে সবচেয়ে বেশি দামি। আবার সুপারক্রিটের ব্রান্ডের দামটা কম। দুটো প্রডাক্ট দুই জায়গাতে স্ট্রং। সুপারক্রিট ব্রান্ডের পরিধি অনেক বড় আর হোলসিমের একটু কম তবে হোলসিমের প্রাইস অনেক ভালো। সবমিলিয়ে দুটি প্রডাক্ট দুই জায়গাতে শক্তিশালী।

শেয়ারবাজারনিউজ: বাংলাদেশে বর্তমানে সিমেন্টের উৎপাদন ক্ষমতা ও চাহিদার পার্থক্য কেমন? বাংলাদেশ উৎপাদিত সিমেন্টের মান আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কেমন মনে হয়?
মাসুদ খান: চাহিদার তুলনায় যোগানটা অনেক বেশি। ২০১২ সাল থেকে প্রত্যেক বছর সিমেন্টের দর পড়ে যাচ্ছে। ভোক্তাদের জন্য অবশ্য এটা সুখকর বিষয়। যেকোনো দেশে কতগুলো স্ট্যান্ডার্ড থাকে। সেটার মিনিমান স্ট্যান্ডার্ড দিতেই হবে। আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় আমাদের দেশের উৎপাদিত সিমেন্টের মান ভালো। আস্তে আস্তে মার্কেট অনেক ডেভেলপ হচ্ছে। অনেক দেশিও কোম্পানি রেডিমিক্স প্লান্ট বসিয়ে দিয়েছে যা অনেক ইতিবাচক।

শেয়ারবাজারনিউজ: আপনাদের রেডিমিক্স প্লান্ট তৈরির কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কিনা?
মাসুদ খান: আমরাও এই প্লান্টে যাবো তবে সময় লাগবে। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতো যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে সময় লেগে যায়।

শেয়ারবাজারনিউজ: বিনিয়োগকারীদের জন্য আপনার পরামর্শ…..

মাসুদ খান: আমার পরামর্শ সহজ। কারণ স্টক মার্কেটে আমারও প্রচুর ইনভেস্টমেন্ট রয়েছে। আল্লাহর রহমতে ভালোই করেছি আমি স্টক মার্কেটে। কারণটা হচ্ছে আমি ফটকাবাজি কোনো শেয়ারে যাইনি। সবসময় ফান্ডামেন্টাল শেয়ারে বিনিয়োগ করেছি। এতে লাভ হয়তো খুব বেশি হবে না তবে আমি লস করবো না। আমাদের বাংলাদেশের বেশির বিনিয়োগকারীর মূল সমস্যা হচ্ছে আজকে ১০ টাকায় কিনবো কালকে ২০ টাকায় বিক্রি করবো। এই শর্টটাইম মেন্টালিটি থাকলে সমস্যা হবে। আমার কথা হচ্ছে এই টাকা দিয়ে জুয়া খেলার কোনো দরকার নাইতো। এটা কষ্টের টাকা। কাজেই আমাকে দেখে শুনে ইনভেষ্ট করতে হবে। শুনে ইনভেষ্ট করা উচিত না। ‘ঐ কোম্পানি ফ্যাক্টরী একটা কিনবে দাম বেড়ে যাবে কিনে নাও’ এ ধরনের ভিত্তিহীন কথায় কান দেয়া যাবে না। ফান্ডামেন্টালি কোম্পানির যে অতীত রেকর্ড রয়েছে তাতো দেখতে হবে।

শেয়ারবাজারনিউজ: এতোক্ষণ সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

মাসুদ খান: আপনাকেও ধন্যবাদ।

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

*

*

Top