পাইপলাইনে ১২ কোম্পানির আইপিও

BSECশেয়ারবাজার রিপোর্ট: বুক বিল্ডিং ও ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পাইপলাইনে রয়েছে ১২ কোম্পানির আইপিও। এসব কোম্পানি তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আইপিও অনুমোদনের জন্য জমা দিয়েছে। বিএসইসির অনুমতি পাওয়ার পরপরই কোম্পানিগুলো তাদের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবে।

এদিকে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ ৯ মাসে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৮ কোম্পানি ৪৪৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে গত অর্থবছরের একই সময়ে ৭ কোম্পানিকে ৫৮৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা পুঁজি উত্তোলনের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ কমেছে ১৩৫ কোটি ৫ লাখ টাকা।

পাইপলাইনে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ৬০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এছাড়া এসটিএস হোল্ডিংস ৭৫ কোটি টাকা, রানার অটোমোবাইলস ১০০ কোটি টাকা, বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার সেকস্ ৫৫ কোটি টাকা, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস ৭০ কোটি টাকা, ইনডেক্স এগ্রো ১০০ কোটি টাকা এবং ডেল্টা হসপিটাল ৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

এছাড়া ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ভিএফএস থ্রেড ডায়িং ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এছাড়া ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং ২০ কোটি টাকা, এ্যামুলেট ফার্মাসিউটিক্যালস ১৫ কোটি টাকা, জিনেক্স ইনফোসিস ২০ কোটি টাকা এবং কাত্তলি টেক্সটাইল ৩৪ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পাইপলাইনে থাকা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন পাওয়ার পর বিডিংয়ে কার্যক্রম শুরু করবে। অন্যদিকে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে থাকা কোম্পানিগুলো নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়ার পরপরই আইপিও কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

*

*

Top