আমাদের টার্গেট ইউপিজিডিকে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পূর্ণ করা‌

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আমাদের টার্গেট ইউপিজিডিকে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পূর্ণ করা‌। চিটাগাংয়ে গ্যাস সংকট সমাধান করতে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে, এমনকি নতুন গ্যাস অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানান পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুদ্দিন হাসান রশীদ।

আজ বুধবার ইউনাইটেড গ্রুপের প্রধান কার্যালয় ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের ‘অর্ধবার্ষিক পারফর্মেন্স রিভিউ সেশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

মঈনুদ্দিন হাসান রশীদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। ঢাকা ও চিটাগাং ইপিজেডে অবস্থিত কোম্পানির প্লান্ট দুটি থেকে বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে উভয় ইপিজেডে যথাক্রমে ৮৮ ও ৭২ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে । চিটাগাংয়ে গ্যাসের অভাবে ইউপিজিডি তার উৎপাদন ক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার করতে পারছে না। তবে বর্তমানে আমরা গ্যাস সংকট অনেকটাই সমাধান করে ফেলেছি। এমনকি চিটাগাংয়ের নতুন গ্যাস অনুমোদনের জন্য গ্যাস ডিস্ট্রিভিউশন কোম্পানির সাথে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই পূর্ণ ক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবো আমরা।

তিনি আরো বলেন, আমাদের টার্গেট ইউপিজিডিকে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পূর্ণ করা‌। যদি পরিবেশসহ সব কিছু অনুকুলে থাকে তাহলে এটি করা সম্ভব হবে। কোনো কারণে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে, সেখানে ইউপিজিডি সরাসরি উপকৃত হবে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল মুবীন (অবঃ) এনডিসি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক হাসান মাহমুদ রাজা, মালিক তালহা ইসমাঈল বারী, কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. ইবাদত হোসেন ভূঁইয়া, এফসিএ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধিরা।

নতুন কোন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে চান কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কোম্পানির পরিচালক হাসান মাহমুদ রাজা বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করছি আমাদের ব্যবসা বৃদ্ধি করতে। নতুন কোন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে হলে অবশ্যই তার আর্থিক গ্রোথ দেখে বিনিয়োগ করবো। তার জন্য আমারা অবশ্যই শেয়ারহোল্ডারদের কাজ থেকে অনুমোদন নিয়েই করবো।

আরেক প্রশ্নের জবাবে কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্তকর্তা মো: এবাদত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ইউনাইটেড গ্রুপের অন্য কোম্পানিতে ইউপিজিডির যে ঋণ দিয়েছে, সেটি এফডিআরের মতোই। তবে এফডিআরে কর কর্তণ করা হলেও এখানে সেটি নেই। ফলে এই গ্রুপে ঋণ দিয়ে ইউপিজিডি লাভবান হচ্ছে।

কোম্পানীর প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আরো জানান, জুলাই ২০১৭ হতে ডিসেম্বর২০১৭ এর পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় নীট লাভ বেড়েছে ৫ শতাংশ এবং শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৫.৩০ শতাংশ (৫.২৮ টাকা হতে ৫.৫৩ টাকা)। একইভাবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ২য় প্রান্তিক এ পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় নীট লাভ বেড়েছে ৫.৫৬ শতাংশ এবং শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৫.৫৫ শতাংশ (২.৭০ টাকা হতে ২.৮৫টাকা)।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

 

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top