ফোরজি যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক: ফোরজি (4G) হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ব্যবহৃত হয় চতুর্থ প্রজন্মের তারবিহীন টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তিকে বুঝাতে। এটি তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির উত্তরসূরি। ফোরজি প্রযুক্তি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন বা অন্যান্য মোবাইল যন্ত্রে মোবাইল ব্রডব্যান্ড|মোবাইল আল্ট্রা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকে। ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি। হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য।

অবশেষে সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা ফোরজি যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেটরদের হাতে ফোরজির লাইসেন্স হস্তান্তর করা হবে। লাইসেন্সপ্রাপ্তির ১৫ মিনিটের মধ্যেই ফোরজি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছে গ্রামীণফোন। রোববার ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে দুটি ফোরজি হ্যান্ডসেট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফোলিও।

ফোরজি সূচনার সাথে সাথে ফোনগুলোতে পাওয়া যাবে ফুল এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিং, নিখুঁত ভিডিওকলিং, সুপার ফাস্ট ডাউনলোডিং, মিউজিক স্ট্রিমিং এবং বিনামূল্যে বাফারমুক্ত লাইভ টিভি।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসির আয়োজনে দেশে ফোরজির নিলাম সম্পন্ন হয়। এই নিলামে অংশ নেয় গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক। নিলামে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক ২১০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্জ তরঙ্গ কেনে। যার দর ২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলালিংক ১৮০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্জ তরঙ্গ কেনে। এই তরঙ্গের মূল্য ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে গ্রামীণফোন ১৮০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্জ তরঙ্গ কেনে।

নিলামের পূর্বে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের কাছে যথাক্রমে বিভিন্ন ব্র্যান্ডে মোট ৩২, ৩৬.৪, ২০ এবং ২৫.২ মেগাগার্জ তরঙ্গ ছিল। নিলামের পর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের তরঙ্গ বেড়ে দাঁড়ালো যথাক্রমে ৩৭ ও ৩০.৬ মেগাহার্জ তরঙ্গ।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top