ইন্দো-বাংলা ফার্মার দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

শেয়ারবাজার রিপোর্ট:  পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ২০১৭-২০১৮ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অক্টোবর ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৪ টাকা।

এই সময় কোম্পানিটির ঔষধ বিক্রি বাবদ মোট আয় হয়েছে ১৬ কোটি ১১ লাখ টাকা। যা এর আগে ছিল ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

এদিকে ২০১৭-২০১৮ হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৬৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭০ টাকা।

এই সময় ঔষধ বিক্রি বাবদ মোট আয় হয়েছে ৩২ কোটি ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা। যা এর আগে ছিল ৩০ কোটি ৪৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। কিন্তু আলোচিত সময়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা ও পণ্য বিক্রি বাবদ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় মুনাফা কমেছে।

৬ মাসে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৩.৫১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.২৫ টাকা।

এদিকে ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.২১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২.৬২ টাকা। এই সময়ে ঔষুদ বিক্রি বাবদ মোট আয় হয়েছে ৬১ কোটি ৬৭ লাখ ১১ হাজার টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। কোম্পানির পণ্যের উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা খরচ বেড়ে যাওয়ায় ইপিএস কমেছে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছর শেষে এনএভি হয়েছে ১২.৮৪ টাকা এবং এনওসিএফপিএস হয়েছে ১.০৯ টাকা।

কোম্পানিটির বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৭৩ কোটি টাকা। শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৩০ লাখ। আইপিও’র পর কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন হবে ৯৩ কোটি টাকা এবং শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৩০ লাখ।

উল্লেখ্য, আগামী ৮ এপ্রিল কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হবে। চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

এর আগে গত বছরের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬১৩ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমেপুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত টাকায় ১৫ মাসের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে এএফসি ক্যাপিট্যাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইসরি লি:।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

Top