জুন ক্লোজিং শেয়ারগুলো কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে

ব্যাংক, কিছু ফিন্যান্সিয়ালস ইন্সটিটিউশন্স এবং হাতে গোনা কয়েকটি স্বল্প মূলধ্বনি শেয়ার বাদে বাজারের অধিকাংশ শেয়ারের দাম গত বছর এপ্রিল থেকে নিম্ন গামি। বিশেষ করে জুন ক্লোজিং শেয়ারগুলোর দাম গত ১ বছরে সবচেয়ে বেশি সংশোধন হয়েছে।জুন ক্লোজিং বেশিরভাগ কোম্পানির দাম গত ১ বছরে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

GP, Square Pharma এবংব্যাংকগুলোর growth বাদ দিলে ইনডেক্স ৪০০০ হাজারের নিচে।অর্থাৎ বাজারের ৩৪০টি কোম্পানির মধ্যে হাতে গোনা ৫০টি কোম্পানির দামে রযে growth হয়েছে তা বাদ দিলে ইনডেক্স এখন ৪০০০ এর নিচে অবস্থান করছে।তাই যাদের বিনিয়োগ ঐ ৫০টি কোম্পানির মধ্যে নেই তাদের জন্যে সূচক এখন ৪০০০ এর নিচে মনে হবে।

জুন ক্লোজিং বেশির ভাগ শেয়ারের দাম ৪০০০ ইনডেক্সে অবস্থান করছে তা বোঝার উপায় হলো:-

☛ গত বছর এপ্রিল থেকে দাম সংশোধন হতে হতে বেশির ভাগ জুন ক্লোজিং শেয়ারগুলো গত ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ নিম্নে চলে এসেছে।অথচ ২ বছর আগে ইনডেক্স ৪০০০ এর কাছাকাছি ছিল।

☛ জুন ক্লোজিং কিছু কিছু কোম্পানি রয়েছে যেগুলো পুজিবাজারের তালিকাভুক্ত হবার পর এবারই সর্বোচ্চ নিম্ন দামে অবস্থান করছে।

☛ কিছু কিছু জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলো তার Face value খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।

লক্ষ্য করলে দেখা যায়, শেয়ারগুলো ২৫ থেকে ৩০ টাকায় অবস্থান করতো সেই শেয়ারগুলো এখন ১০ থেকে ১৫ টাকায় চলে এসেছে।তাও আর্থিক অবস্থার কোন পরিবর্তন ছাড়াই।

বর্তমান বাজারে লেনদেন অনেক কমে গেছে। সেই সাথে বাজার নিম্নমুখী। বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী এখন আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছে।তাই বর্তমান পরিস্থিতে জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলো ঘুরে দাঁড়ানো বাঞ্ছনীয় হয়ে উঠেছে।জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলোর মূলধন ব্যাংকগুলোর তুলনায় অনেক কম তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারকে স্বাভাবিক করে তুলতে হলে জুনক্লোজিং কোম্পানিগুলোর ঘুরে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই।

 

তানভীর আহমেদ

শেয়ার বিনিয়োগকারী

উত্তরা,ঢাকা।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top