এক্সক্লুসিভ এর সকল সংবাদ

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর তালিকায় আপনার নাম খুঁজতে ক্লিক করুন

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর তালিকায় আপনার নাম খুঁজতে ক্লিক করুন

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকার ঘোষিত প্রনোদনা প্যাকেজের বিশেষ স্কীমে ৯০০ কোটি টাকা তিন কিস্তিতে ছাড় করা হবে। ইতিমধ্যে প্রথম কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা বণ্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির ৩০০ কোটি টাকাও ছাড় করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা নিজ নিজ সিকিউরিটিজ হাউজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

বিনিয়োগকারীদের জন্য ছাড় হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকা: আবেদনের শেষ সময় ৩০ জুন

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুন:অর্থায়নের দ্বিতীয় কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা ছাড় করছে ইনভেষ্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের এই সুবিধা পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ সিকিউরিটিজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। বিনিয়োগকারীদের চাহিদা অনুযায়ী মার্চেন্ট ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ হাউজগুলো আইসিবিতে আবেদন করবে। আগামী ৩০ জুন আবেদনের শেষ সময়

মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্ট্যাম্প ডিউটি ফি প্রত্যাহার: ডিভিডেন্ড বেশি পাবেন বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্ট্যাম্প ডিউটি ফি প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। গত ৭ জুন স্ট্যাম্প ডিউটি ফি এসআরও নং ১৬২ এর মাধ্যমে মওকুফ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বরাবর (বিএসইসি) এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে এনবিআর। যা মঙ্গলবার বিএসইসির হাতে এসে পৌছেছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে। জানা যায়, ২০১২-১৩ বাজেট প্রস্তাবে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আকারের

তালিকাভুক্ত কোম্পানির ডিভিডেন্ড কর নিয়ে বিভ্রান্তি!

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি ১৫ শতাংশের নিচে লভ্যাংশ ঘোষণা করলে জরিমানার কবলে পড়তে হবে। এক্ষেত্রে ১৫ শতাংশের নিচে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ৫ শতাংশ বাড়তি কর গুনতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেট ২০১৫-১৬তে এমনটাই বলা হয়েছে বলে বিনিয়োগকারীদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অথচ অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটে এ ধরণের কোনো কিছু উল্লেখ করেননি। বরং বলা

১৪ কোম্পানির ডিভিডেন্ডের অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আর্থিক বছর শেষ হওয়ার কয়েক মাস পার হলেও তালিকাভুক্ত ১৪ কোম্পানি ডিভিডেন্ড ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। এখনও পর্যন্ত এসব কোম্পানি তাদের পরিচালনা পর্ষদের সভার আয়োজন করেনি। অথচ গত সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিগুলো যথাসময়ে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। কিন্তু এ বছর বিনিয়োগকারী ডিভিডেন্ডের প্রহর গুনলেও কোম্পানিগুলো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে বিলম্ব করছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সাধারণত কোম্পানিগুলো

সিডিবিএল চার্জে অসামঞ্জস্যতা: শেয়ার লেনদেনের ওপর চার্জ নির্ধারণের দাবি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট : বিশ্বের প্রতিটি দেশের স্টক এক্সচেঞ্জে সিকিউরিটিজ হাউজগুলো থেকে সিডিবিএল চার্জ নেয়া হয় কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের ওপর। কিন্তু আমাদের দেশে সিডিবিএল চার্জ নেয়া হয় হাউজগুলোর মোট টাকার লেনদেনের ওপর। যা পরিমাণে অনেক বেশি ও লেনদেনের ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্য বলে মনে করছেন হাউজ কর্মকর্তারা। এ কারণে সিডিবিএল যেন মোট টাকার ওপরে নয় বরং শেয়ার লেনদেনের

শেয়ারবাজার চাঙ্গা হচ্ছে সরকারি উদ্যোগে: গুজবে নয়

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: একেবারেই মৃতপ্রায় বাজার আস্তে আস্তে করে উজ্জিবীত হচ্ছে। বাজার চাঙ্গা বলতে যা বুঝায় তাও হয়েছে গত কয়েক সপ্তাহের বেশ কয়েকটি দিন। ৫০ পয়েন্টেরও বেশী সূচক বাড়ার ঘটনা এখন প্রায়ই ঘটছে। এর পেছনে সরকারের নানা উদ্যোগ কিংবা উদ্যোগ গ্রহণের অভিমত এবং বাজার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর (ডিএসই, সিএসই, বিএসইসি, আইসিবি, বিএমবিএ, বিবিএ, বিএলসিএ, বিআইএ প্রভৃতি) চেষ্টা

সক্রিয় হচ্ছে পুঁজিপতিরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট :  নীতিনির্ধারকদের সক্রিয় ভূমিকায় ধীরে ধীরে পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে।  গত ৫ কার্যদিবস ধরে সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে দৈনিক লেনদেন । তবে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ না বাড়লেও পুঁজিপতিদের সক্রিয়তা চলতি বছরের যেকোনো সময়ের তুলনায় বাড়ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দৈনিক লেনদেন হয়েছে সর্বোচ্চ ৪১৭ কোটি টাকা।

ক্যাশ ডিভিডেন্ডের উভয় সংকট!

শেয়ারবাজার রিপোর্ট : তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ক্যাশ ডিভিডেন্ড এখন থেকে মার্জিন অ্যাকাউন্ট ক্লায়েন্টদের ব্যাংক হিসাবের বদলে নিজস্ব পোর্টফলিওতে জমা হবে। যদি ক্যাশ ডিভিডেন্ড ক্লায়েন্টদের পোর্টফলিওতে জমা হয় তাহলে নেগেটিভ ইক্যুইটি সমন্বয় হয়ে এক পর্যায়ে পজেটিভ হবে। যা বাজার স্থিতিশীলতায় বড় ভূমিকা রাখবে। হাউজগুলোর পক্ষ্ থেকে এমনটা মনে করা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত মার্জিন ঋণের বিনিয়োগকারীরা রয়েছেন বিপক্ষ অবস্থানে।

আর মাত্র এক মাস বাকি: জোরপূর্বক শেয়ার বিক্রির ক্ষমতা পাচ্ছে হাউজগুলো

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুলস ৩(৫) এর কার্যকারিতা দীর্ঘদিন স্থগিত থাকায় বিনিয়োগকারীরা এতোদিন ফোর্সসেলের মুখে পড়েননি। এছাড়া ডেবিট ব্যালেন্সের ১৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসা পোর্টফলিওগুলো লেনদেনের সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু সে সুযোগ রয়েছে জুন’১৫ পর্যন্ত। এরপর পুনরায় সময় না বাড়ানো হলে আইন অনুযায়ী মার্জিন অ্যাকাউন্টের শেয়ার জোরপূর্বক বিক্রি করার ক্ষমতা পাবে সিকিউরিটিজ হাউজ ও

Top