পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

গুজবের প্রভাব ও সঠিক তথ্যের অভাবই বিনিয়োগকারীদের বাজার বিমুখ করছে

গুজবের প্রভাব ও সঠিক তথ্যের অভাবই বিনিয়োগকারীদের বাজার বিমুখ করছে

সম্প্রতি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে দৈনিক লেনদেন কমে যাওয়া ও সূচকের নিম্নমুখী প্রবনতায় বিনিয়োগকারীরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। আর এই দরপতনের নেপথ্যে গুজব ও সঠিক তথ্যের অভাব প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। যে কারণে প্রতিনিয়ত বিনিয়োগকারীরা বাজার বিমুখ হচ্ছেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, আইসিবির শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়, মুদ্রানীতি, নির্বাচন, তারল্য সংকট, ডিএসই

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থাকেই নিতে হবে

পুঁজিবাজারের গভীরতা এবং পরিধি বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন IPO পুঁজিবাজারে আসা জরুরি। তবে সেই কোম্পানিগুলো কতটুকু মান সম্পন্ন তা ডিএসইতে তালিকাভুক্তির আগেই খতিয়ে দেখতে হবে। এছাড়া ডিএসইতে তালিকাভুক্তির পর প্রতিটি কোয়াটারের আর্নিংও খতিয়ে দেখার দায়-দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার | লভ্যাংশ দিবে এই মর্মে সাধারন বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে টাকা তুলে নেওয়ার পরের বছর থেকেই প্রায়

পুঁজিবাজার নিয়ে অপপ্রচার হচ্ছে

বাজারের কিছু কালপিট রয়েছে যাদের অপপ্রচারের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী এখন বাজার নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত। প্রকৃতপক্ষে বাজার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু হয়নি। বাজার মূলত যে কারনগুলো নিয়ে আতঙ্কগ্রস্তঃ- ১) ব্যাংক গুলোর ADR কমানো। ২) আদালতে খালেদা জিয়ার রায় হতে যাচ্ছে। ঋণ-আমানত অনুপাতের (এডি রেশিও) সঙ্গে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে অকারণে এডি

নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহের প্রাপ্তি ও আগামীর প্রত্যাশা

অনেক প্রত্যাশা ও আশা নিয়ে ২০১৮ সালের পুঁজিবাজারের লেনদেন শুরু হয়। নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহের তিন কার্যদিবসে পুঁজিবাজার বেশ চাঙ্গা থাকলেও শেষ দিনে কিছুটা সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইএক্স এর মূল সূচকে ৫৮.৩২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে যা বিনিয়োগকারীদের মনে আশার সঞ্চার করেছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ডিএসইএক্স সূচক দাঁড়িয়েছে ৬২৫৪ পয়েন্ট। এদিন

স্টক মার্কেট যে ‌রিটার্ন দেয় সেটা ব্যাংক দিতে পারবে না

স্টক মার্কেট নিয়ে অনেকের নেতিবাচক ধারণা আছে। তারা মনে করেন স্টক মার্কেট মানে লস আর লস। হয়তো এমনও মানুষ আছেন, যে শেয়ারবাজারের ধারে কাছে যায় নাই, সেও বলবো শেয়ার মার্কেট, এটা কোনো মার্কেট ? এটাতো ভাই জুয়ারিদের জায়গা। আমাদের সমস্যা হলে না বুঝে, না শুনে বিবেচনা কিংবা জাস্টমেন্ট করি ফেলি। একটা মতামত দিয়ে ফেলি। তেমনি

লাভে শেয়ার বি‌ক্রির ১০ কৌশল

অনেকেই শেয়ার কেনার পর যখন লাভ হয় তখন এটাকে বেচার  সিদ্বান্তহীনতায় ভুগেন। এক্ষে‌ত্রে দুই রকম বিনিয়োগকারী পাওয়া যায় । এক. কিছু বিনিয়োগকারী আছে যারা শেয়ারে লাভ হবার সঙ্গে সঙ্গে বেচে দেন পরে আরো দাম বেড়ে গেলে হা হুতোশ করেন। দুই. কিছু বিনিয়োগকারী আছেন যারা শেয়ারে লাভ হলে বেচেন না। তারা আরো বাড়ার আশায় থাকেন। এক  দেখা যায় যে

ইপিএস বাড়লেও যেকারনে শেয়ার দর বাড়ে না

শেয়ার বাজারে যেকোন শেয়ারের পজিশন বুঝার জন্য বা কেনার আগে EPS জানা উচিত বিষয়টি প্রায় ৭৮% বিনিয়োগকারীই বুঝে। কিন্তু এর প্রয়োগ বা বাজারে এর কিভাবে প্রতিফলিত হয় তা অনেকেই জানেননা। ধরা যাক, কোন শেয়ারের ক্লোজ প্রাইজ ৪০ টাকা,  শেয়ারটির  বাৎসরিক EPS আছে ৪ টাকা তাহলে তার PE হল ১০। এখন শেয়ারটি ১ম কোয়াটারে eps দিল

শেয়ারের লস রিকভার করার কার্যকরী উপায়

কোন শেয়ার কেনার পর সেই শেয়ারটা যদি আপট্রেন্ড ছেড়ে ডাউনট্রেন্ডে গমন করে তখন ঐ শেয়ারে স্টপলস প্রয়োগ করে লস এর পরিমান কমানো সম্ভব। কিন্ত যদি এমন হয় যে, স্টপ লস প্রয়োগ করা সম্ভব না হয় তখন দিন দিন লসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে খাকে। এ লসের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিসিয়োগকারীরা অনেক পদ্ধতি ব্যবহার করেন। নিচে

এডজাষ্টের পর দাম ধরে না রাখলেই ক্ষতিতে পড়তে হয়

বোনাস মানে কি? বিভিন্ন পর্ব ও অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শ্রমিক কর্মীদের এবং যে কোন প্রতিষ্ঠানে লাভের আশায় অর্থ সঞ্চিত রেখে বিনিয়োগকারীদের তার বিনিময়ে যে বাড়তি অর্থ দেওয়া হয় তাকে বোনাস বলে। বোনাস মানে হলো কোন কিছুর অতিরিক্ত চাওয়া পাওয়া। আর আমাদের শেয়ার বাজারে বোনাস দুই প্রকার: ১/ স্টক বোনাস এবং ২/ ক্যাশ বোনাস। একটি কোম্পানির

বিনিয়োগকারীরা ফকির নয়: ২% লভ্যাংশের কাঙ্গাল নয়

সাম্প্রতিক সময় দেখা যাচ্ছে নাম মাত্র বিভিন্ন কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষনা করে যাচ্ছে। আমাদের মত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সাথে হাসি তামাশায় মেতে উঠেছেন বেশ কিছু কোম্পানি। হাজার হাজার বিনিয়োগকারীর অর্থদিয়ে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরী করবেন আর আমাদের কথা মাথায় না রেখে ২% লভ্যাংশে এর মত নাম মাত্র ঘোষণা করে যাবেন তা হতে পারে না। একটি বারের

Top