পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

গুজব ছড়িয়ে লাখ লাখ শেয়ার হাতিয়ে নিলো কারা?

গুজব ছড়িয়ে লাখ লাখ শেয়ার হাতিয়ে নিলো কারা?

পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লি: কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্বার্থ নিশি মহল নো ডিভিডেন্ড করবে এমন গুজব ছড়িয়ে কম দামে শেয়ার হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ধোকা দিয়ে শেয়ার হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি অসাধু মহল। ডিএসই অনুসন্ধানে দেখা যায়, ০১/০৮/১৮ থেকে ০৭/০৮/১৮ইং এর মধ্যে মাত্র চার কার্যদিবস ব্যবধানে কোম্পানিটির

এ মার্কেটে ভালো শেয়ারের ভাত নাই

এ কেমন “বৈষম্যতা”? আমাদের শেয়ার বাজারে কি ভালো কোম্পানি লিস্টেড হচ্ছে না?? আমরা সাধারন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি যে, শেয়ার মার্কেট কখনোই একজন মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস হতে পারে না। বিশেষ করে আমাদের অসুস্থ শেয়ার মার্কেটে। আর যাদের টাকা পয়সা কম তাদের শেয়ার মার্কেটে না আসাটাই ভালো। আমাদের শেয়ার মার্কেট এখন পুরোটা ই জুয়া

আইপিও কোটা সংস্কার করা হোক

পাবলিক ইস্যুু রুলস সংশোধন ও পাইলট প্রজেক্ট বাস্তবায়নের ফলে লাভের চেয়ে বরং বিনিয়োগকারীদের অনেক লোকসান হয়েছে। আগে জেনারেল ইনভেস্টরের কোটা ছিলো ৮০ শতাংশ। এখন ফিক্সড প্রাইসে ৩২ শতাংশ এবং বুক বিল্ডিংয়ে মাত্র ২৪ শতাংশ কোটা সাধারণ পাবলিকদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা বলা হলেও মূলত তাদের জন্য মাত্র ৮

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় পুঁজিবাজার

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই পুঁজিবাজার প্রচন্ড চাপের মুখে রয়েছে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৫০০ পয়েন্টের নিয়ে চলে আসার পরই বিনিয়োগকারীদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করেছে। তবে গত সপ্তাহের শেষ দিনে বাজারে বিশাল পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। দিনশেষে ১০৮ পয়েন্ট বেড়ে সূচক ৫৫৯৭ পয়েন্টে দাঁড়ানো এবং ৪৭০ কোটি টাকার দৈনিক লেনদেনের চিত্র যেন মন্দের ভালো হিসেবে দেখা দিয়েছে।

জুন ক্লোজিং শেয়ারগুলো কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে

ব্যাংক, কিছু ফিন্যান্সিয়ালস ইন্সটিটিউশন্স এবং হাতে গোনা কয়েকটি স্বল্প মূলধ্বনি শেয়ার বাদে বাজারের অধিকাংশ শেয়ারের দাম গত বছর এপ্রিল থেকে নিম্ন গামি। বিশেষ করে জুন ক্লোজিং শেয়ারগুলোর দাম গত ১ বছরে সবচেয়ে বেশি সংশোধন হয়েছে।জুন ক্লোজিং বেশিরভাগ কোম্পানির দাম গত ১ বছরে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। GP, Square Pharma এবংব্যাংকগুলোর growth বাদ

২.৫ মাসে ইনডেক্সের পতন হয়েছে ১২ শতাংশ

উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে ভাসতে গত ২.৫ মাসে ইনডেক্সের পতন হয়েছে ৭৬২ পয়েন্ট। গত জানুয়ারি মাসে ইনডেক্স ছিল ৬৩৩২। আজ মার্চ মাসে ইনডেক্স দাঁড়িয়েছে ৫৫৭২ পয়েন্ট। দেশ মুখে মুখে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসলেও দেশের পুজিবাজারের দিকে তাকালে মনে হয় দেশ কোন এক যুদ্ধের দাড় প্রান্তে। যদি তাই না হতো তাহলে অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে ১২% অর্থাৎ ৭৬২

ডিএসইতে ৪০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম ১ বছরের সর্বনিম্নে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৪০ শতাংশ  কোম্পানির শেয়ারের দাম গত ১ বছরের সর্বনিম্নে অথবা সর্বনিম্নের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। সর্বনিম্নে অবস্থান করা এই ৪০ শতাংশ কোম্পানির সবগুলোই বলতে গেলে “A” ক্যাটাগরির শেয়ার। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, ১২০টির উপর কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ৫০০০ ইনডেক্সে যে দাম ছিল তার নিচে অবস্থান করছে। আর কিছু

অনেক আশার খোরাক এখনো পুঁজিবাজারে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গেল সপ্তাহে ২০ মাসের সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে নেতিবাচক মনোভাব ও নিম্নমুখী সূচকে বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন। এরজন্য তারল্য সংকট এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিভিন্ন অসঙ্গতিকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে এখনো পুঁজিবাজারকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আশার আলো লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি সময়ে আন্তজার্তিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশ সফরে পুঁজিবাজারের

ডিএসই শেয়ার: আদার বেপারি হয়ে জাহাজের খোঁজ নেয়া অর্থহীন

ঢাকা ষ্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার চীন, ভারত কে কিনবে তা নিয়ে মহা হুলুস্থুর হচ্ছে। আমরা বিনিয়োগকারীরাও অনেকে বুঝে না বুঝে অযথা টেনশন করছি। ডিএসই’র শেয়ার যে-ই কিনুন তাতে আমাদের বিনিয়োগকারীদের সরাসরি কোন লাভ-লোকসান নাই। ২২ টাকা, না ১৫ টাকা এই টেনশন রিজভী-লালি সাহেবদের, আমাদের না। ওনারা ডিএসই’র মালিক, ৭ টাকা কম বেশী পেলে উনারা পাবেন, আমরা

পরিচালকদের শেয়ার ধারণের বিষয়ে বিএসইসি নিশ্চুপ কেন

পরিচালকবৃন্দের এককভাবে দুই শতাংশ এবং সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ বিষয়টি নিয়ে বিএসইসির একদিনের গলাবাজী কি শেষ? ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর বিএসইসির জারি করা নির্দেশনার পর থেকে এ ইস্যুকে কেন্দ্র করে নানা ঘটনা ঘটে গেছে। তবুও ৪০ এর বেশি কোম্পানির পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ না করা এবং শতাধিক পরিচালকের এককভাবে দুই শতাংশ শেয়ার

Top