পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

জেনে নিন কিভাবে ওরা মার্কেট প্যানিক করে

জেনে নিন কিভাবে ওরা মার্কেট প্যানিক করে

দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা যত সচেতন সজাগ ও বাজার নিয়ে জ্ঞান নির্ভর ট্রেডিং করবে ততই বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবেন এবং শেয়ার কৌশলীদের দৌরাত্ম্য কমবে। কিন্তু শেয়ার কৌশলীরা এতই ধূর্ত যে খুব কঠোর চিত্তের অধিকারীদেরকেও বোকা বানিয়ে দেয়।  তারা যে কৌশলগুলো ব্যবহার করে তার কিছু অংশ নিম্নে বর্ননা করা হলো: ১। কোম্পানি ভিত্তিক প্যানিক সেল দেয়াঃ যখন কোন শেয়ারের অযাচিত খবর

শেয়ারবাজারে যে তিনটি টিপস বিনিয়োগকারীদের কাজে আসবে

শেয়ারবাজার এমন একটি জায়গা যেখানে কোন অনুমান গবেষণা বা পদ্বতি কাজে আসেনা কারন এখানে বিনিয়োগকারীদের  ও  কারসাজিকারীদের মনের ভিতরের ইচ্ছার ছবি প্রতিফলিত হয়। সুতরাং অনেক গবেষনালব্ধ কৌশল ও ভুল হতে পারে। তবে অনেক দিনের পর্যবেক্ষনকৃত কিছু অভিজ্ঞতা অধিকাংশ সময়ে কাজে আসে । তাই আমি নিম্নে তার কিছু  পর্যবেক্ষনকৃত কিছু অভিজ্ঞতার আলোকে তা তুলে ধরলাম। যেটি 

জাঙ্ক শেয়ার থেকে বাঁচতে করণীয়

চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন, ব্যথিত বেদন বুঝিতে কি পারে? কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে কভু আশীবিষে দংশেনি যারে….কবি কথার মতই আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে যারা ২০১০ সালে ক্ষতিগ্রস্ত হননি তারাই বর্তমানে শেয়ার বাজারে সূচক সামান্য  বাড়লেই এই বাবল গাম বাবল হয়ে গেল বলে বিভিন্ন পত্রিকায় ও সভা সমাবেশে গলা ফাটান। হতে পারে তারা

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী কেন আরও ক্ষুদ্র হয়ে যায়

আমাদের পুঁজিবাজারের অধিকাংশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাদের কিছু ভুল বিশ্বাস, অভ্যাস ও অজ্ঞতার জন্য তারা সাময়িক সাফল্য পেলেও চূড়ান্তভাবে পুঁজি হারান। প্রকৃতপক্ষে তারা বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য ধারাবাহিকভাবে পুঁজির যোগান দিতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দিনদিন আরও ক্ষুদ্র হতে থাকেন। এ বিষয়ে সচেতন থাকলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আসুন

বাজারে স্হায়ী স্থিতিশীলতা আনয়নে ৫ সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি

যে পরিস্তিতি বা যেভাবেই হোক বর্তমানে শেয়ার বাজার যেভাবে স্থিতিশীল পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে সেটাকে ধরে রাখাটাই DSE এবং BSEC এর বড় চ্যালেঞ্জ। কারন ২০১০ সালের ধস পরবতী সময়ে কমপক্ষে চারবার স্থিতিশীল পযায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। কিন্তু প্রতিবারই কতৃপক্ষের দূরদশিতার অভাবে বাজার স্হায়ী স্থিতিশীলতায় আসতে পারেনি। যদিও এবারের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কতৃপেক্ষর বাজার মনিটরিং এবং বিনিয়োগকারীদেরকে সচেতন

আপনার হাতে থাকা শেয়ারের দর আরো বাড়বে কিনা জেনে নিন

পুঁজিবাজার পৃথিবীর মধ্যে এমন একটা  জায়গা  যেখানে  সবচাইতে বেশী কৌশলী মেধার প্রয়োগ দেখা যায়। এছাড়াও এখানেই দ্রুত পরিবর্তনশীল মেধার প্রতিফলন ঘটে। সুতরাং যারা এই বাজারে  অল্প  সময়ে  লাভের  আশা  করেন  তারা ৯৭ ভাগ  ক্ষতিগ্রস্ত  হন। তাই  সাধারন  বিনিয়োগকারীদের উচিত ডেইলী ট্রেড অথবা সট গেমে না যাওয়া। এখন কিছু কৌশল দেখা যাক যার মাধ্যমে বুঝা যাবে কোন শেয়ারের দাম আর আপাতত বাড়বে কিনা- ১. যদি দেখা যায় ঐ শেয়ারটি সর্বোচ্চ ভলিউমে লেনদেনে হচ্ছে। তাহলে বুঝতে হবে শেয়ারটিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও এ শেয়ারে প্রবেশ করছে। তবে এমন পরিস্থিতিতে সর্তকও থাকতে হবে। কারণ কি কারণে বিনিয়োগকারীরা শেয়ারটি সংগ্রহ করছে

দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতায় আইসিবি’র ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি

আমাদের শেয়ার বাজারে  ২০১০ সালে মহাধসের পর দীর্ঘ সাত বছর হয়ে গেল তবুও এখন পযন্ত বাজারে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা স্থাপিত হলো না। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী মহলকে  দ্বায়িত্ব দেওয়া আছে  বাজার স্থিতিশীল ও গতিশীল রাখার । ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনও বাজারে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তবু কেন

কি ভাবে বুঝবেন সামনে মার্কেট পড়বে না কি উঠবে?

শেয়ারবাজার ডেস্ক: এটি কঠিন কিছু নয় আপনার যদি টেকনিক্যাল এনালাইসিসে সামন্যতম ধারণাও না থাকে তাহলে আপনিই বের করতে পারবেন!!! তাহলে কি ভাবে? গত প্রায় দুই মাসের পেছনের চার্ট থেকে যেখানে যেখানে সর্বোচ্চ বিন্দু হয়েছে সেটা যোগ করে একটা লাইন টানুন তাহলে পাবেন রেজিষ্ট্যান্স লাইন (চিত্রে এটি লাল দাগ দিয়ে দেখানো হয়েছে) এরপর অনুরুপ ভাবে চার্ট

যারা ডেইলি ট্রেড করে তাদের লাভের জন্যে টিপস

আমাদের শেয়ার বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা যারা ডেইলি ট্রেড করে বা অল্প দিনে লাভ পেতে চাই তারাই অধিকাংশ সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার জন্য কয়েকটি কারন রয়েছে ।তার একটি কারন ও প্রতিকার  আমি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরছি। প্রথম কারনঃ সঠিক সময়ে শেয়ার কিনতে না পারা। কারন লাভ বা ক্ষতি সব সময় ক্রয় মূল্যের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে

ব্যাংক সেক্টর: সাধু সাবধান

আজ আগস্ট মাসের ১৪ তারিখ চলে। সামনে জুন closing শেয়ার গুলোর ডিভিডেন্ড আসতে শুরু করবে। কিন্তু এই অসময়ে ব্যাংকের শেয়ার গুলোর মূল্য যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা কোন ভাবেই স্বাভাবিক বলা যায় না। বাজার ভালো হলে ব্যাংক গুলোও ভালো করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সব কিছুর একটা সময় থাকে। সময়ের কাজ অসময়ে করাটা কোন

Top