পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

কি ভাবে বুঝবেন সামনে মার্কেট পড়বে না কি উঠবে?

কি ভাবে বুঝবেন সামনে মার্কেট পড়বে না কি উঠবে?

শেয়ারবাজার ডেস্ক: এটি কঠিন কিছু নয় আপনার যদি টেকনিক্যাল এনালাইসিসে সামন্যতম ধারণাও না থাকে তাহলে আপনিই বের করতে পারবেন!!! তাহলে কি ভাবে? গত প্রায় দুই মাসের পেছনের চার্ট থেকে যেখানে যেখানে সর্বোচ্চ বিন্দু হয়েছে সেটা যোগ করে একটা লাইন টানুন তাহলে পাবেন রেজিষ্ট্যান্স লাইন (চিত্রে এটি লাল দাগ দিয়ে দেখানো হয়েছে) এরপর অনুরুপ ভাবে চার্ট

যারা ডেইলি ট্রেড করে তাদের লাভের জন্যে টিপস

আমাদের শেয়ার বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা যারা ডেইলি ট্রেড করে বা অল্প দিনে লাভ পেতে চাই তারাই অধিকাংশ সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার জন্য কয়েকটি কারন রয়েছে ।তার একটি কারন ও প্রতিকার  আমি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরছি। প্রথম কারনঃ সঠিক সময়ে শেয়ার কিনতে না পারা। কারন লাভ বা ক্ষতি সব সময় ক্রয় মূল্যের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে

ব্যাংক সেক্টর: সাধু সাবধান

আজ আগস্ট মাসের ১৪ তারিখ চলে। সামনে জুন closing শেয়ার গুলোর ডিভিডেন্ড আসতে শুরু করবে। কিন্তু এই অসময়ে ব্যাংকের শেয়ার গুলোর মূল্য যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা কোন ভাবেই স্বাভাবিক বলা যায় না। বাজার ভালো হলে ব্যাংক গুলোও ভালো করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সব কিছুর একটা সময় থাকে। সময়ের কাজ অসময়ে করাটা কোন

সাইকোলজিক্যাল গেমে ধরা খাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

পুঁজিবাজারে বিডি অটোকারস তালিকাভুক্ত হয়েছে অনেক বছর আগেই। ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানির ব্যবসা বলতে তেজগাঁওতে সিএনজি স্টেশন রয়েছে। তারওপর নড়ে চড়ে অবস্থা। বছরে মুনাফা করে মাত্র ১৪ লাখ টাকার কিছু বেশি। ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসানের এ কোম্পানি গতবছর নামেমাত্র ৩ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির প্রকৃত কারণ ও তার সমাধান

আমাদের দেশের শেয়ার বাজার অনেক দিন ধরেই চলমান। কিন্তু এই বাজারের ছবি আমার এই উদাহরণ এর মাধ্যমেই সহজে অনুমেয়। আর তা হল একটি খোলা চারিদিকে ঘেরা মাঠে দশ থেকে বারটি বড় মহিষ ছিল এবং একশ থেকে একশ দশটি ছাগল ছিল। প্রতিদিন বড় মাপের খাবার ওখানে দেওয়া হচ্ছিল। এভাবে দিন দিন ঘেরা মাঠের মহিষগুলো শরীরের শক্তিতে

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের গন্তব্য অনেক দূর

একটি গতিশীল পুজিবাজারের যে কয়টি লক্ষণ থাকে তার সবগুলো বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিদ্যমান। বর্তমানে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার যে আচরণ করছে তা একটি সুস্থ এবং গতিশীল পুঁজিবাজারের প্রতিচ্ছবি। . ইনডেক্সের উঠানামা পুঁজিবাজারের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। শেয়ারের দাম বেড়ে গেলে দাম সংশোধন হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হচ্ছে শেয়ার গুলোর দাম যে হারে বাড়ছে সেই হারে

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজে হঠাৎ চমক: বিদেশিদের হাতে ১২.১৮ শতাংশ শেয়ার

হঠাৎ করেই চমক দেখিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেড। এতোদিন এ কোম্পানির বিদেশিদের কোটায় কোনো শেয়ার ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই পাবলিকের হাতে থাকা শেয়ার কমে গিয়ে বিদেশিদের কোটায় ১২.১৮ শতাংশ শেয়ার দেখানো হয়েছে। যা ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য খুশির খবর। সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬ সালে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ৩১২ কোটি

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আর্তনাদ কে শুনবে?

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ মত একটা বাজে কোম্পানিকে কেনো ‘বিএসইসি” ৩১২ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিলো? কোম্পানি কি বিএসইসির মান রাখতে পেরেছে কি? না অাদৌ পারবে? বিএসইসি যখন নতুন করে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজকে ৭টি বিমান কেনার জন্য প্রাইভেট প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩১২ কোটি ৮০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলনের অনুমোদন সুখবর জানালো। গত ২২.১২.১৬ ইং তারিখে ‘বিএসইসি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দেশি কোম্পানিগুলো এগিয়ে যাচ্ছে

এতো দিন শুধু দেখে এসেছি বিদেশী কোম্পানিগুলো, দেশি কোম্পানিগুলোকে কিনে নিতে। দেশি কোম্পানিগুলো তাদের প্রোডাক্ট বিদেশিদের কাছে বিক্রি করতে পারলেই খুশী হতো। অতীতে আমরা ACI কোম্পানির কিছু প্রোডাক্ট বিদেশিদের কাছে বিক্রি করতে দেখেছি। আর এতেই বিনিয়োগকারীরা সরগরম ছিল ঐ শেয়ারটি নিয়ে। এছাড়াও দেশি কোম্পানিগুলো যদি কোন ভাবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের তাদের কোম্পানির অংশীদার করতে পারে তাহলে

মার্কেট খারাপ করার জন্য কোম্পানির পরিচালকরা দায়ী

টানা ৭ বছর চেষ্টা করেও বাজার ঠিক করতে পারলেন না নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যদি ঠিকমতো তদন্ত করা হতো  বাজার ঠিকই স্থিতিশীল হতো। বর্তমান মার্কেটে কিছু কোম্পানির ডিরেক্টররা ব্যবসা করে যাচ্ছেন। তাদের শেয়ার বিক্রি করে কোম্পানির খারাপ ইপিএস দেখাচ্ছে। আর বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এই বিষয় গুলো তে কোন ধরনের দৃষ্টি দিচ্ছেন না। দেশে কি এমন ঘটলো যে একটা ফিনান্সিয়াল

Top