পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

লঙ্কাবাংলা লাগামহীন ঘোড়ায় পরিণত হয়েছে

লঙ্কাবাংলা লাগামহীন ঘোড়ায় পরিণত হয়েছে

বাজারে যে কয়টি জুয়াড়ি শেয়ার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি শেয়ার লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড। বিনিয়োগকারীদের দেওলিয়া করতে শেয়ারটির জুড়ি নেই। এই শেয়ারের সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এর EPS (Earning per share)। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়তে থাকলেই এর EPS বেড়ে যায় আবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম কমতে থাকলেই কোম্পানিটির EPS কমে যায়। যা

খুব সহসাই বাজার স্বাভাবিক আচরণে ফিরে আসবে

আমাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী কম মৌসুমি ফলের ব্যবসায়ী বেশি। বাজারের অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর আচরণ, তাদের কথা বার্তা, তাদের ব্যবসায়ীক দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি মৌসুমি ফলের ব্যবসায়ীদের মতন। আমাদের বাজারে বিনিয়োগকারীর খুব অভাব। শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে নয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আচরণও মৌসুমি ফলের ব্যবসায়ীদের মতন। বাজারের ইনডেক্স সংশোধন একটি নিয়মিত বিষয়। ইনডেক্সয়ের যেমন বাড়াটা স্বাভাবিক তার সংশোধনটাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ঠিক যেই

পুঁজিবাজার কোন মৌসুমি ফলের ব্যবসা নয়

পুঁজিবাজার একটি বিনিয়োগের স্থান। এটি কোন মৌসুমি ফলের ব্যবসা নয়। তাই সময় নিয়ে ধৈর্যের সাথে বিনিয়োগ করুন। বিগত ৬ বছর বাজার নিম্নগামী ছিল। আমার বা আপনার কোন বিশ্লেষণ এই ৬ বছরে বাজারকে ঊর্ধ্বগামী করতে পারেনি। দীর্ঘ ৬ বছর পর বাজার আবার ঊর্ধ্বগামী হয়েছে। তাই আপনার হাজার বিশ্লেষণেও বাজারে ধ্বস আসার কোন সম্ভাবনা নেই। মনের সঙ্কীর্ণতা

বিনিয়োগ বিরোধী লিখে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্য কি?

গতকাল শেয়ার মার্কেটের ব্যাপক দরপতন হয়েছে, যারা পত্রিকায় লেখা-লেখি করেন, তারা কি বলবেন। খুশী হয়েছেন নাকি অন্য কিছু! শেয়ার মার্কেটে ইনভেষ্টর কারা, কোম্পানীগুলো কোন দেশের? সবই তো আমাদের দেশের নাকি অন্য দেশের। ২০১০ সালের শেয়ার বাজার পতনের পর আবার ২০১৭ সালে শেয়ার বাজার যখন একটু উর্ধ্বমুখী হয়েছে, তখনই পত্রিকা গুলো আতংকিত সংবাদ দেয়া শুরু করলো,

সু-সময়ে কারো আগমনের দরকার হয় না বাজার তার আপন গতিতেই চলে

বর্তমান বাজার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা ============================ দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একটি ক্রান্তি কাল অতিক্রম করেছে। আর সেই জন্যই এই বাজারের সঙ্গে যারাই জড়িত ছিলেন তাদের মনটাও হয়ে গেছে সঙ্কীর্ণ। একটুতেই তারা অস্থির হয়ে যায় আর তাদের চিন্তা চেতনাতেও সঙ্কীর্ণ একটি মনোভাব চলে এসেছে। . অনেককেই বলতে শুনলাম প্রধানমন্ত্রী ৮ই জানুয়ারী BSEC ভবন

যেভাবে বটম প্রাইজ চিনে কোম্পানির শেয়ার কেনা যায়

  Top to bottom. এই বাক্যটি শুনে থাকবেন। আমাদের রাজনীতিতে অতীতের বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ। শব্দটির অর্থ উপর থেকে নিচে। আমি বারবার বটম শব্দটা ব্যবহার করেছি কিন্তু শব্দটির অর্থ পরিষ্কার হওয়া উচিত। মনে করুন এসিআই কোম্পানির শেয়ার আমার পছন্দ হয়েছে এখন এনট্রি দিব। বর্তমান মার্কেট প্রাইজ ৪০০ টাকা , কিন্তু আমরা জানি এটার ফেসভ্যালু ১০

কখন স্টপ লস দেবেন কখন দেবেন না

আমি সাধারণত স্টপ লস দেই না কারণ আমি এমন সব শেয়ারে এন্ট্রি করি যে গুলোতে স্টপ লস দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাই বলে একেবারেই প্রয়োজন নেই এটা বলা যাবে না। শেয়ার ব্যবসা এবং ফরেক্স বাজারে কখনো কখনো স্টপ লস ফরজ বা অবশ্যই করণীয় হয়ে দাঁড়ায়। কখন আমরা এটি প্রয়োগ করব, তা নিয়ে আলোচনা করা অনেক

আইপিওতে আসা শেয়ার দাম প্রথম দিনে কেন দ্বিগুণ-তিনগুণ হয়

নতুন শেয়ারে মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একটা কোটা থাকে।মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কখনো লসে শেয়ার সেল করে না। বরং কিভাবে প্রফিট ম্যাক্সিমাইজ করা যায় সেই প্লান করতে পটু। এবার আসল কথাটা বলি। ================= ধরুণ, মিউচুয়াল ফান্ড এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ইয়াকিন পলিমার এর ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) শেয়ার আছে ১০ টাকা ফেসভ্যালুতে। প্রথম দিন

অধিকাংশ বিনিয়োগকারী আজ মানসিক ভারসাম্যহীন

কি উন্নয়ন বা বিকাশ হয়েছে পুঁজিবাজারের? বরং পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের তিল তিল করে শুষে নিঃস্ব-কপর্দকহীন করেছে, তাদের অর্থ স্তূপ করা হয়েছে ফ্লোরিডা, টরেন্টো, লন্ডন, পানামা, সুইটজারল্যান্ডের ব্যাংকে। সর্বস্বান্ত অধিকাংশ বিনিয়োগকারী হয়েছে আজ মানসিক ভারসাম্যহীন পথের ভিক্ষারী, অনেকে হয়েছে স্বজনদের আশ্রিত, আজ অবধি ৪২ জন করেছে আত্মহত্যা। সরকারের প্রোপাগান্ডা অনুযায়ী, ২০১০ এর পরও দেশে কত অর্থনৈতিক

বাজারের গতি পরিবর্তন হচ্ছে: জাঙ্ক শেয়ার থেকে সাবধান

গত ১ মাসে বাজারে বহুল প্রচলিত শব্দ ছিল জাঙ্ক শেয়ার। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাজারের সকল ধরনের জাঙ্ক শেয়ার গুলো। বিগত ১ মাস বিনিয়োগকারীদের Analysis ছিল অনেকটা এই রকমঃ- ⇨ কোন কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা সবচেয়ে কম। ⇨ কোন কোম্পানি কত দিন থেকে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। যত আগে থেকে উৎপাদন বন্ধ সেই শেয়ারটি তত বেশি জাঙ্ক।

Top