পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

মার্কেট খারাপ করার জন্য কোম্পানির পরিচালকরা দায়ী

মার্কেট খারাপ করার জন্য কোম্পানির পরিচালকরা দায়ী

টানা ৭ বছর চেষ্টা করেও বাজার ঠিক করতে পারলেন না নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যদি ঠিকমতো তদন্ত করা হতো  বাজার ঠিকই স্থিতিশীল হতো। বর্তমান মার্কেটে কিছু কোম্পানির ডিরেক্টররা ব্যবসা করে যাচ্ছেন। তাদের শেয়ার বিক্রি করে কোম্পানির খারাপ ইপিএস দেখাচ্ছে। আর বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এই বিষয় গুলো তে কোন ধরনের দৃষ্টি দিচ্ছেন না। দেশে কি এমন ঘটলো যে একটা ফিনান্সিয়াল

সরকার চাইলেই শেয়ারবাজার স্থিতিশীল সম্ভব

আমাদের দেশের শেয়ার বাজারকে কোন না কোন কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা BSEC, DSE, BB, ICB এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। আর নিয়ন্ত্রণ যেহেতু করতেই হয় তাই আমার এ লেখার প্রয়াস । আমাদের সরকার যেহেতু জনবান্ধব , বিনিয়োগ বান্ধব যে সরকার বহুসংখ্যক ছিট মহল বাসীদের ৬৮ বছরের সমস্যার সমাধান করে সবার জন্য বাড়ি ঘর তুলে দিয়েছেন

মে মাস থেকে আমরা একটি ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার দেখতে পাবো

কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়েছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার। কালবৈশাখী ঝড় শুধু বাংলার আকাশে নয় বাংলার পুঁজিবাজারেও লেগেছে দেখছি। বাংলার আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গেছে আর আকাশকে করে তুলেছে অন্ধকারচ্ছন। তেমনি বাংলার পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মনও অন্ধকারে ছেয়ে গেছে। বিশ্বের যে কোন দেশের পুজিবাজারের সাথে সম্পৃক্ত আছে কিন্তু বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে ধারনা নেই এমন কাউকে গত ১২-১৩ দিনের বাজারের

পুঁজিবাজার ও দেশের অর্থনীতি

একটি দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য পুঁজিবাজার হলো উত্তম মাধ্যম। শিল্প স্হাপন করতে চান, বিদুৎকেন্দ্র স্হাপন করতে চান, ব্রীজ নির্মাণ করতে চান আপনার জন্য শেয়ার বাজার হাত প্রসারিত করে বসে আছে। বিশ্বের উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশের অর্থনীতিকে চালায় ঐ দেশের পুঁজিবাজার আর আমাদের দেশের পুঁজিবাজার চলে অর্থনীতির উপর ভর করে। ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজার ধসের কথা

লঙ্কাবাংলা লাগামহীন ঘোড়ায় পরিণত হয়েছে

বাজারে যে কয়টি জুয়াড়ি শেয়ার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি শেয়ার লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড। বিনিয়োগকারীদের দেওলিয়া করতে শেয়ারটির জুড়ি নেই। এই শেয়ারের সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এর EPS (Earning per share)। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়তে থাকলেই এর EPS বেড়ে যায় আবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম কমতে থাকলেই কোম্পানিটির EPS কমে যায়। যা

খুব সহসাই বাজার স্বাভাবিক আচরণে ফিরে আসবে

আমাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী কম মৌসুমি ফলের ব্যবসায়ী বেশি। বাজারের অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর আচরণ, তাদের কথা বার্তা, তাদের ব্যবসায়ীক দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি মৌসুমি ফলের ব্যবসায়ীদের মতন। আমাদের বাজারে বিনিয়োগকারীর খুব অভাব। শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে নয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আচরণও মৌসুমি ফলের ব্যবসায়ীদের মতন। বাজারের ইনডেক্স সংশোধন একটি নিয়মিত বিষয়। ইনডেক্সয়ের যেমন বাড়াটা স্বাভাবিক তার সংশোধনটাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ঠিক যেই

পুঁজিবাজার কোন মৌসুমি ফলের ব্যবসা নয়

পুঁজিবাজার একটি বিনিয়োগের স্থান। এটি কোন মৌসুমি ফলের ব্যবসা নয়। তাই সময় নিয়ে ধৈর্যের সাথে বিনিয়োগ করুন। বিগত ৬ বছর বাজার নিম্নগামী ছিল। আমার বা আপনার কোন বিশ্লেষণ এই ৬ বছরে বাজারকে ঊর্ধ্বগামী করতে পারেনি। দীর্ঘ ৬ বছর পর বাজার আবার ঊর্ধ্বগামী হয়েছে। তাই আপনার হাজার বিশ্লেষণেও বাজারে ধ্বস আসার কোন সম্ভাবনা নেই। মনের সঙ্কীর্ণতা

বিনিয়োগ বিরোধী লিখে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্য কি?

গতকাল শেয়ার মার্কেটের ব্যাপক দরপতন হয়েছে, যারা পত্রিকায় লেখা-লেখি করেন, তারা কি বলবেন। খুশী হয়েছেন নাকি অন্য কিছু! শেয়ার মার্কেটে ইনভেষ্টর কারা, কোম্পানীগুলো কোন দেশের? সবই তো আমাদের দেশের নাকি অন্য দেশের। ২০১০ সালের শেয়ার বাজার পতনের পর আবার ২০১৭ সালে শেয়ার বাজার যখন একটু উর্ধ্বমুখী হয়েছে, তখনই পত্রিকা গুলো আতংকিত সংবাদ দেয়া শুরু করলো,

সু-সময়ে কারো আগমনের দরকার হয় না বাজার তার আপন গতিতেই চলে

বর্তমান বাজার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা ============================ দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একটি ক্রান্তি কাল অতিক্রম করেছে। আর সেই জন্যই এই বাজারের সঙ্গে যারাই জড়িত ছিলেন তাদের মনটাও হয়ে গেছে সঙ্কীর্ণ। একটুতেই তারা অস্থির হয়ে যায় আর তাদের চিন্তা চেতনাতেও সঙ্কীর্ণ একটি মনোভাব চলে এসেছে। . অনেককেই বলতে শুনলাম প্রধানমন্ত্রী ৮ই জানুয়ারী BSEC ভবন

যেভাবে বটম প্রাইজ চিনে কোম্পানির শেয়ার কেনা যায়

  Top to bottom. এই বাক্যটি শুনে থাকবেন। আমাদের রাজনীতিতে অতীতের বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ। শব্দটির অর্থ উপর থেকে নিচে। আমি বারবার বটম শব্দটা ব্যবহার করেছি কিন্তু শব্দটির অর্থ পরিষ্কার হওয়া উচিত। মনে করুন এসিআই কোম্পানির শেয়ার আমার পছন্দ হয়েছে এখন এনট্রি দিব। বর্তমান মার্কেট প্রাইজ ৪০০ টাকা , কিন্তু আমরা জানি এটার ফেসভ্যালু ১০

Top