পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

বাজেট প্রস্তাবনায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকান্ডে আমরা হতাশ

বাজেট প্রস্তাবনায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকান্ডে আমরা হতাশ

পুঁজিবাজারের প্রতি সর্বস্তরের বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার মতো কোন কিছুই নেই এই বাজেটে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জ মিলে প্রস্তাবিত বাজেটে যে দাবি গুলো করা হয়েছে তার মধ্যে ডি-মিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী ৫ বছরের জন্য কর অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে যা একান্তই তাদের নিজেদের। এই দাবিসমূহ বাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোন প্রস্তাব নয়। বাজারকে তার অভিষ্ট লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং

পুঁজিবাজার বাঁচাও অর্থনীতি বাঁচাও

দেশের অর্থনীতির একমাত্র প্রাণ পুঁজিবাজার আজ গভীর সংকটে আবর্তিত। শিল্প ও বানিজ্যখাতের বিকাশে পুঁজিবাজারের অবদান সর্বজন স্বীকৃত। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান যেখানে শিল্পায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ সরবরাহে ব্যর্থ সেখানে পুঁজিবাজার শিল্প ও বানিজ্যিক পুঁজির মূল উৎস। বিশ্বের প্রতিটি দেশে পুঁজিবাজার ও মুদ্রা বাজার পারস্পরিক সমান্তরাল ও শক্তিশালী খাত হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু আজকে দেশের পুঁজিবাজার মুদ্রা বাজারের

সময়ের দাবি জিএবি ফান্ড: পুষিয়ে যাবে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি

দেশের বৃহৎ শিল্পোৎপাদন গড়ে অর্থনীতির ভীত শক্তিশালী করার ক্ষেত্র হচ্ছে পুঁজিবাজার। আবার ঝুঁকিপূর্ণ ও সংবেদনশীল জায়গা হিসেবে পুঁজিবাজারে মুহুর্ত্বের মধ্যেই হারিয়ে যেতে পারে হাজার হাজার কোটি টাকা। তাই এ সেক্টরে বিনিয়োগের নিশ্চয়তা নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে, এমন একটি ফান্ড গঠন করা হোক যার মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে। ধরে নিলাম সে ফান্ডের নাম  জিএবি (গো

বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকলাপ দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম: ৩টি উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি

দেশের সকল সরকারী, বেসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যেন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠান হয়ে গেছে। আগে দেখতাম রাজনৈতিক দলের লোকজন সাংবাদিক সম্মেলন করত কিন্তু এখন দেখি সরকারী, বেসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গুলোও সংবাদ সম্মেলন করতে স্বাছন্দ বোধ করে । অনেক কিছুতেই যেন আতি উৎসাহিত হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। যেমনটি করল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই ধরনের সংবাদ সম্মেলন করা

আতিউর রহমান ছিলেন একজন পুঁজিবাজার বিদ্বেষী গভর্নর

  {একবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিলে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, শেয়ারবাজারে ওভার এক্সপোজার আরও কয়েক বছরের জন্য থাকবে। কিন্তু আতিউর ব্যাংক কোম্পানি আইনে সময়সীমা বেঁধে দিলেন এক বছর। আশ্চর্য কাণ্ড!} ———-অর্থমন্ত্রী। আমি বরাবরই বলে এসেছি প্রাক্তন গভর্নর আতিউর শেয়ার বাজার বিদ্বেষী ছিলেন। উনি স্বপ্রনিত ভাবেই শেয়ার বাজারের ১২টা বাজিয়েছেন। শেয়ার বাজার ছিল আতিউরের দুই চোখের বিষ। এই

কথার ফুলঝুড়ি রেখে বাজারকে গতিশীল করুন

অপ্রিয় হলেও সত্য কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন সমাধান করা হলে বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলে আসবেন না, মানব বন্ধন হবে না, শোভাযাত্রা কিংবা মিছিল-মিটিং হবে না। হলেও লোক পাওয়া যাবে না। আমরা (সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ) নিরাপদে থাকবো। দু:খের বিষয় যা মাননিয় অর্থমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন, তা বুঝতে পারিনি আমরা সর্বস্তরের বিনিয়োগকারীরা। তবে জনাব!

তিতাসের প্রতারণায় নির্বাক নিয়ন্ত্রক সংস্থা: যাতাকলে বিনিয়োগকারীরা

সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এ পর্যন্ত যত কোম্পানি পুঁজিবাজারে এসেছে এর মধ্যে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ারই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাড়া জাগাতে পেরেছিলো। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য স্বয়ং পেট্রোবাংলা বিইআরসির কিছু অসাধু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দায়ী। যা বিএসইসির তদন্ত করে

শেষ সময়ে ধৈর্যের পরীক্ষায় আমরা কি উত্তীর্ণ হতে পারবো 

ধৈর্য ধারন করা পৃথিবীর অন্যতম কষ্টকর বিষয়। তাও সেটা যদি হয় শেষ সময়ের ধৈর্য। অনেক সময় কিন্তু আমরা তীরে এসে তরি ডুবিয়ে ফেলি। এই কাজটি কোন ভাবেই করা যাবে না। বর্তমান পুজিবাজার আমাদের ধৈর্যের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিচ্ছে। আমি আপনাদের একটি বিষয়ে প্রথমেই নিশ্চিত করতে চাই। সেটি হল বাজারের Bottom অর্থাৎ তলা। ২০১০ সালের পর এবারই

এই কমিশন দিয়ে বিনিয়োগকারীদের কি উপকার হয়েছে ?

বিনিয়োগকারীদের কথা চিন্তা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০১১ সালের ২৩শে নভেম্বর স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করে। এক বছরের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের ২০টি দফা বাস্থবায়ান করার কথা থাকলেও বর্তমানে বিএসইসি দীর্ঘ ৫ বৎসরে মাত্র ৩৮% শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। বাকী ৬২% শতাংশ কেন বাস্তবায়ন করতে পারেননি সে সম্পর্কে বিনিয়োগকারীরা অবগত নন। এই কমিশন শুধু ইস্যুয়ার

ইস্যুয়ার কোম্পানির প্রতি সখ্যতা নয় বিনিয়োগকারীদের দিকে তাকান

শিল্প বিকাশের পথকে এগিয়ে নিতে হলে এ মুহূর্তে প্রয়োজন বৃটিশ উপনিবেশবাদের আদলে গড়া কোম্পানি আইন ও ব্যাংক কোম্পানি আইন এর আমূল পরিবর্তন করে স্বাধীন দেশের উপযোগী আইন প্রনয়ন করা। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছে। অদ্যবধি উপনিবেশিক ধাঁচের কোম্পানি আইন ও ব্যাংকিং কোম্পানি আইন বহাল রাখার কারনে একটি সমৃদ্ধ শিল্প বিকাশের পথ কে সুন্দরভাবে গঠন করার

Top