পাঠকের কলাম এর সকল সংবাদ

বাস্তবতার জমিনে পা রেখে বিনিয়োগ পরিকল্পনা করুন

বাস্তবতার জমিনে পা রেখে বিনিয়োগ পরিকল্পনা করুন

কোন প্রকার পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই ২০০৭ সালে এক জন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী হিসেবে শেয়ার বাজারে আমার যাত্রা শুরু। মাত্র ৩০ হাজার টাকায় একটি ব্যাংকের শেয়ার কিনেছিলাম বন্ধুর উপদেশ মত। প্রথম ২/৩ দিন দাম বাড়লেও এর পরেই ক্রমাগত দাম হারাতে থাকে শেয়ারটির। দাম যত কমে আমার হতাশা ততই বাড়ে অথচ ঐ সময়ে বাজারের অন্যান্য ব্যাংক শেয়ারগুলো দিন

জিততে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, মানতে হবে

নতুন কোম্পানির শেয়ার অন্তর্ভূক্তির দিনেই বাজার অস্থিতিশীল হবে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় নিয়মে দাঁড়িয়ে যাওয়া অবস্থার এবারও কোন পরিবর্তন ঘটেনি। দুই একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রতিটি শেয়ারই ব্যপক প্রত্যাশা সৃষ্টি করে বাজারে অভিষিক্ত হয় এবং দুই-চার দিন রাজত্ব করেই তাদের সঞ্জিবনী শক্তি নিঃশেষিত হয়। প্রত্যাশার বেলুন মাঝ আকাশে বার বার ফুট হয়ে যাবার পরেও আমাদের বধদয় হয়

ভাল বিনিয়োগে যেমন ডিভিডেন্ড চাই

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা সব শ্রেণীর বিনিয়োগকারী/ব্যাবসায়ীর অন্যতম প্রধান লক্ষ হল মুনাফা করা। স্বল্প, মধ্য অথবা দীর্ঘ, আপনি যে মেয়াদেই বিনিয়োগ করুন না কেনএকটি গ্রহনযোগ্য মাত্রায় মুনাফা না হলে আপনার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ। তাই শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করার পূর্বে আপনি ব্যক্তিগত ভাবে নুন্যতম কতটুকু মুনাফায় সন্তুষ্ট হবেন তা নির্ধারন করে নেয়া উচিত। যে কোন বিনিয়োগে

মুদ্রানীতি: পুঁজিবাজারের কি এসে যায়?

প্রায় ১ যুগ হয়ে গেল এই মার্কেটের সাথে। এই মার্কেট অনেক কিছু শেখালো । ২০১০ সালের মার্কেট ধ্বসের পর মুদ্রা নীতি শিখেছি আসলে শিখতে হয়েছে। ২০১০ এর আগে মুদ্রানীতি জন্য আমাদের কখনো আতংকিত হতে হয়নি। ২০১০ সালের ধ্বসের পর থেকে আমাদের মার্কেটে মুদ্রানীতির ভুত ঘাড়ে চেপে বসেছে। সেই সাথে অনেক কিছু শিখলাম CRR, SLR যদিও

বিনিয়োগকারীদের লোকসান হলে সমস্যা নেই: লাভ হলেই সমস্যা

আপনারা আমাকে এমন একটি সম্পদ (Asset) এর নাম বলতে পারেন যা বিগত ১০ বছরে কমেছে। কমার কথা ভুলে যাই এমন একটি সম্পদ (Asset) এর নাম বলুন দশ বছর আগে যা ছিল আজও তাই আছে । আমার মনে হয় না বের করতে পারবেন। # জমি —- ১০ বছরে দাম বেড়েছে ১০ গুন # স্বর্ণ —– ১০

বিশ্ব শেয়ারবাজারে ধস আমাদের জন্য সুফল

গ্রিস সংকট এর জন্য সারা বিশ্বের শেয়ার বাজারে ধ্বস নেমেছে। আপনাদের( ২০০৮-২০০৯) এ world recession এর কথা মনে আছে নিশ্চই । USA তে ব্যাংক গুলো collapse করে বসে। সব কিছুর পেছনে মুল কারন ছিল ব্যাংক এর অনিয়ন্ত্রিত Loan । যত্র তত্র loan দেয়া এবং পরবর্তীতে টা recovery না করতে পারা। সেই সময়েই আপনারা দেখেছেন সারা

যে কারণে বাজেট পুঁজিবাজার বান্ধব

আমার দেখা এই প্রথম পুজিবাজার বান্ধব বাজেট পেশ করলো সরকার । যা মার্কেট কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আমার ধারনা । আমি আপনাদের আগেই বলেছি সামনে মার্কেট ভালো হবার একটি প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে যদি সরকার আন্তরিক হয় । সেই পথেই কিছুটা এগিয়ে দিলো এই (২০১৫-১০১৬) সালের বাজেট ।      

মুনাফা বৃদ্ধির উপায় : ট্রেইলিং স্টপ

বিনিয়োগকারীদের প্রায় সবাই হয়ত ‘STOP LOSS’ এই টার্মটির সাথে কম-বেশী পরিচিত। মূলত অধিক লোকসানের কবল থেকে বাচার জন্যই কৌশলী বিনিয়োগকারীরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করেন। বিনিয়োগের সময়কাল (দীর্ঘ/স্বল্প মেয়াদী) ভেদে স্টপ লসের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হলেও ‘10% STOP LOSS’ বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়। ‘10% STOP LOSS’ এই পদ্ধতিতে এক জন বিনিয়োগকারী কোন শেয়ারে সর্বোচ্চ ১০ ভাগ

লাভ নিশ্চিত করতে যেমন পোর্টফলিও চাই

এক জন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর জন্য সুষম পোর্টফলিও গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারন একটি সুষম পোর্টফলিও যেমন উঠতি বাজারে বিনিয়গকারীকে সর্বোচ্চ মূনাফা দিয়ে থাকে ঠিক তেমনি পড়তি বাজারে অত্যধিক লোকসান থেকে সুরক্ষা ও দিয়ে থাকে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুঁজির পরিমাণ যেহেতু অনেক কম তাই চাইলেও তাদের পক্ষে বাজারে ট্রেড হওয়া সব কম্পানি দূরে থাক তাদের নূন্যতম দশ

সঞ্চয়পত্রের চেয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ লাভজনক

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ লাভ জনক, নাকি শেয়ার মার্কেট এ বিনিয়োগ লাভ জনক ? শুধু লাভ এর বিবেচনায় নয় Risk Minimize করে কোন বিনিয়োগ লাভ জনক ? শেয়ার মার্কেটে নাকি সঞ্চয়পত্রে ? উত্তর:- এটি স্বত সিদ্ধ যে Risk Minimize করে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবাই সঞ্চয়পত্র কেই বেছে নিবেন। বাস্তবতা এই যে যারা ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন না তারা

Top