পাঠক কলাম এর সকল সংবাদ

Pathok_2

লাভে শেয়ার বি‌ক্রির ১০ কৌশল

লাভে শেয়ার বি‌ক্রির ১০ কৌশল

অনেকেই শেয়ার কেনার পর যখন লাভ হয় তখন এটাকে বেচার  সিদ্বান্তহীনতায় ভুগেন। এক্ষে‌ত্রে দুই রকম বিনিয়োগকারী পাওয়া যায় । এক. কিছু বিনিয়োগকারী আছে যারা শেয়ারে লাভ হবার সঙ্গে সঙ্গে বেচে দেন পরে আরো দাম বেড়ে গেলে হা হুতোশ করেন। দুই. কিছু বিনিয়োগকারী আছেন যারা শেয়ারে লাভ হলে বেচেন না। তারা আরো বাড়ার আশায় থাকেন। এক  দেখা যায় যে

Pathok_2

ইপিএস বাড়লেও যেকারনে শেয়ার দর বাড়ে না

শেয়ার বাজারে যেকোন শেয়ারের পজিশন বুঝার জন্য বা কেনার আগে EPS জানা উচিত বিষয়টি প্রায় ৭৮% বিনিয়োগকারীই বুঝে। কিন্তু এর প্রয়োগ বা বাজারে এর কিভাবে প্রতিফলিত হয় তা অনেকেই জানেননা। ধরা যাক, কোন শেয়ারের ক্লোজ প্রাইজ ৪০ টাকা,  শেয়ারটির  বাৎসরিক EPS আছে ৪ টাকা তাহলে তার PE হল ১০। এখন শেয়ারটি ১ম কোয়াটারে eps দিল

Pathok_2

শেয়ারের লস রিকভার করার কার্যকরী উপায়

কোন শেয়ার কেনার পর সেই শেয়ারটা যদি আপট্রেন্ড ছেড়ে ডাউনট্রেন্ডে গমন করে তখন ঐ শেয়ারে স্টপলস প্রয়োগ করে লস এর পরিমান কমানো সম্ভব। কিন্ত যদি এমন হয় যে, স্টপ লস প্রয়োগ করা সম্ভব না হয় তখন দিন দিন লসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে খাকে। এ লসের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিসিয়োগকারীরা অনেক পদ্ধতি ব্যবহার করেন। নিচে

Pathok_2

এডজাষ্টের পর দাম ধরে না রাখলেই ক্ষতিতে পড়তে হয়

বোনাস মানে কি? বিভিন্ন পর্ব ও অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শ্রমিক কর্মীদের এবং যে কোন প্রতিষ্ঠানে লাভের আশায় অর্থ সঞ্চিত রেখে বিনিয়োগকারীদের তার বিনিময়ে যে বাড়তি অর্থ দেওয়া হয় তাকে বোনাস বলে। বোনাস মানে হলো কোন কিছুর অতিরিক্ত চাওয়া পাওয়া। আর আমাদের শেয়ার বাজারে বোনাস দুই প্রকার: ১/ স্টক বোনাস এবং ২/ ক্যাশ বোনাস। একটি কোম্পানির

Pathok_2

বিনিয়োগকারীরা ফকির নয়: ২% লভ্যাংশের কাঙ্গাল নয়

সাম্প্রতিক সময় দেখা যাচ্ছে নাম মাত্র বিভিন্ন কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষনা করে যাচ্ছে। আমাদের মত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সাথে হাসি তামাশায় মেতে উঠেছেন বেশ কিছু কোম্পানি। হাজার হাজার বিনিয়োগকারীর অর্থদিয়ে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরী করবেন আর আমাদের কথা মাথায় না রেখে ২% লভ্যাংশে এর মত নাম মাত্র ঘোষণা করে যাবেন তা হতে পারে না। একটি বারের

Pathok_2

জেনে নিন কিভাবে ওরা মার্কেট প্যানিক করে

দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা যত সচেতন সজাগ ও বাজার নিয়ে জ্ঞান নির্ভর ট্রেডিং করবে ততই বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবেন এবং শেয়ার কৌশলীদের দৌরাত্ম্য কমবে। কিন্তু শেয়ার কৌশলীরা এতই ধূর্ত যে খুব কঠোর চিত্তের অধিকারীদেরকেও বোকা বানিয়ে দেয়।  তারা যে কৌশলগুলো ব্যবহার করে তার কিছু অংশ নিম্নে বর্ননা করা হলো: ১। কোম্পানি ভিত্তিক প্যানিক সেল দেয়াঃ যখন কোন শেয়ারের অযাচিত খবর

চয়ন ছবি-1

শেয়ারবাজারে যে তিনটি টিপস বিনিয়োগকারীদের কাজে আসবে

শেয়ারবাজার এমন একটি জায়গা যেখানে কোন অনুমান গবেষণা বা পদ্বতি কাজে আসেনা কারন এখানে বিনিয়োগকারীদের  ও  কারসাজিকারীদের মনের ভিতরের ইচ্ছার ছবি প্রতিফলিত হয়। সুতরাং অনেক গবেষনালব্ধ কৌশল ও ভুল হতে পারে। তবে অনেক দিনের পর্যবেক্ষনকৃত কিছু অভিজ্ঞতা অধিকাংশ সময়ে কাজে আসে । তাই আমি নিম্নে তার কিছু  পর্যবেক্ষনকৃত কিছু অভিজ্ঞতার আলোকে তা তুলে ধরলাম। যেটি 

Pathok_2

জাঙ্ক শেয়ার থেকে বাঁচতে করণীয়

চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন, ব্যথিত বেদন বুঝিতে কি পারে? কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে কভু আশীবিষে দংশেনি যারে….কবি কথার মতই আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে যারা ২০১০ সালে ক্ষতিগ্রস্ত হননি তারাই বর্তমানে শেয়ার বাজারে সূচক সামান্য  বাড়লেই এই বাবল গাম বাবল হয়ে গেল বলে বিভিন্ন পত্রিকায় ও সভা সমাবেশে গলা ফাটান। হতে পারে তারা

sofiq

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী কেন আরও ক্ষুদ্র হয়ে যায়

আমাদের পুঁজিবাজারের অধিকাংশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাদের কিছু ভুল বিশ্বাস, অভ্যাস ও অজ্ঞতার জন্য তারা সাময়িক সাফল্য পেলেও চূড়ান্তভাবে পুঁজি হারান। প্রকৃতপক্ষে তারা বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য ধারাবাহিকভাবে পুঁজির যোগান দিতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা দিনদিন আরও ক্ষুদ্র হতে থাকেন। এ বিষয়ে সচেতন থাকলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আসুন

Pathok_2

বাজারে স্হায়ী স্থিতিশীলতা আনয়নে ৫ সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি

যে পরিস্তিতি বা যেভাবেই হোক বর্তমানে শেয়ার বাজার যেভাবে স্থিতিশীল পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে সেটাকে ধরে রাখাটাই DSE এবং BSEC এর বড় চ্যালেঞ্জ। কারন ২০১০ সালের ধস পরবতী সময়ে কমপক্ষে চারবার স্থিতিশীল পযায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছিল। কিন্তু প্রতিবারই কতৃপক্ষের দূরদশিতার অভাবে বাজার স্হায়ী স্থিতিশীলতায় আসতে পারেনি। যদিও এবারের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কতৃপেক্ষর বাজার মনিটরিং এবং বিনিয়োগকারীদেরকে সচেতন

Top