পাঠক কলাম এর সকল সংবাদ

বাইব্যাক আইনের বাস্তবায়ন চাই

বাইব্যাক আইনের বাস্তবায়ন চাই

২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে পুঁজিবাজার এর ক্রমাগত ধসের কারণে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এই বিপর্যয়ের হাত থেকে বিনিয়োগকারীদের রক্ষার জন্য আমরা বাইব্যাক আইন, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন, সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনা শর্তে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বিএসইসিকে চিঠি দেই। বিএসইসি কোম্পানি আইন সংস্কার করে বাইব্যাক আইন, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত

নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কাণ্ড-জ্ঞান হীন বক্তব্য বিনিয়োগকারীদের শুধু হতাশাই বাড়াবে

  সম্প্রতি পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বলেছেন পুঁজিবাজারে আস্থার কোন সংকট নেই। যুক্তি হিসাবে তারা উপস্থাপনা করেছে ——- IPO তে আবেদনকারী লোকের সংখ্যা অনেক। আমি তাদের এই ধরনের কথা বার্তায় সত্যিই কিংকর্তব্যবিমূঢ়। এই যদি তাদের পুঁজিবাজার সম্পর্কে জ্ঞান থাকে তাহলে এই নিয়ন্ত্রণ সংস্থা কি ভাবে মার্কেটর উন্নয়ন সাধন করবে তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। নাকি তারা

অপার সম্ভাবনা নিয়ে খুলে যেতে পারে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের দরজা

অনেক দিন থেকেই একটি কথা বলছি সেটি হল নুতন বিনিয়োগ। বাজারকে ভালো করতে হলে নুতন বিনিয়োগের কোন বিকল্প নেই। শেয়ার বাজার নিয়ে যারা গবেষণা করেন তারা সবাই এই কথাটি বার বার বলেছেন যে, বর্তমান মার্কেটে চাহিদার চেয়ে শেয়ার সংখ্যা বেশি। অর্থাৎ বাজারে যে পরিমান শেয়ার রয়েছে সেই পরিমানে ক্রেতা নেই। এটাই চিরন্তন সত্য। ক্রেতা সংকটের

ফেসবুকে বিএসইসির চেয়ারম্যানকে বিনিয়োগকারীর খোলা চিঠি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শেয়ারবাজার ইস্যুতে ফেসবুক এখন লাখো বিনিয়োগকারীর মনের ভাষা প্রকাশের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। শেয়ারবাজারকে কেন্দ্র করে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন নাম দিয়ে গ্রুপ তৈরি করে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করে চলেছেন বিনিয়োগকারীরা। তেমনি করে দীর্ঘ পতনে নি:স্ব এক বিনিয়োগকারী পুজিবাজার সংক্রান্ত সকল তথ্য সবার জন্য উম্মুক্ত করাসহ ৬টি দাবি জানিয়ে ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ

পতনশীল বাজারে ভীতি নয়, চাই কৌশলী বিনিয়োগ

শেয়ারবাজার হচ্ছে উত্থান-পতনের বাজার, এটা আমরা সকলেই জানি। অবশ্য এই চিরন্তন সত্যকে আমরা কেউই সহজে মেনে নিতে চাই না। আমাদের দেশে সকল স্তরের বিনিয়োগকারী মাত্রই প্রত্যাশা করেন মার্কেট যেন শুধু উর্ধপানে ছুটতে থাকে। যা নিতান্তই অজ্ঞতা প্রসূত অবুঝ প্রত্যাশা। দুনিয়ার কোন বাজারই যেমন একটানা বাড়েনা ঠিক তেমনি কোন বাজারই টানা নিম্নমুখী থাকে না। শেয়ার বাজারে

শুধু ‘ব্যাংক এক্সপোজার লিমিট’ নয় পরিবর্তন করতে হবে এর সংজ্ঞাও: তবেই ক্যানসারমুক্ত হবে শেয়ারবাজার

শুধু “ব্যাংক এক্সপোজার লিমিট” এর সময় বৃদ্ধি নয়, পরিবর্তন করতে হবে “ব্যাংক এক্সপোজার লিমিট” এর সংজ্ঞাও। তবেই ক্যানসার মুক্ত হবে এই শেয়ার বাজার। আজ থেকে প্রায় ৬ মাস আগে থেকেই শেয়ার মার্কেটে “ব্যাংক এক্সপোজার লিমিট” নিয়ে কিছু লেখা দিয়েছিলাম। সেই সাথে কিছুটা সতর্কও করেছিলাম। যেটি ছিল আমার ধারনা। সেই ধারনাই এখন অনেকটা সত্য হতে যাচ্ছে। যদিও সেই সময়

অভিশপ্ত এই শেয়ারবাজার, সবচেয়ে বড় অভিশপ্ত আমরা যারা এই মার্কেটের বিনিয়োগকারী

প্রায় অর্ধযুগ হতে চলল বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটের ধ্বস নেমেছে। আমরা কেউ কোন ভাবেই এই হিংস্র থাবা থেকে রক্ষা পাইনি। বিগত এই ৫ বছরে মধ্যে যারাই এই মার্কেটে বিনিয়োগ করেছে তারাই নিঃস্ব হয়ে গেছে। এখানে একটি মজার বিষয় হল ১ বছর আগেও ইনডেক্স ৪০০০ এর নিচে চলে এসেছিল, কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে বর্তমানে ৪৬০০ ইনডেক্স থাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক যে ভাবে ধ্বংস করে দিলো শেয়ার মার্কেটকে 

অনেক দিন থেকেই লেখবো লেখবো করে ভাবছিলাম। বিষয়টি নিয়ে বোঝাতে গেলে আমাকে কিছুটা অতিতে ফিরে যেতে হবে। ২০১০ সালের সম্ভবত নভেম্বর মাস। প্রথম আলো পত্রিকাটি পর পর দুই দিন দুইটা report করলো শেয়ার বাজার নিয়ে। একটি report এর কথা আমার মনে পরে, সম্ভবত Southeast bank বনানি অথবা গুলশান branch থেকে এক ব্যবসায়ী ৫ কোটি টাকা

ভুয়া আইডির মাধ্যমে আইপিও’র রমরমা ব্যবসা!

ভুয়া ভোটার আইডির মাধ্যমে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অবৈধভাবে রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে কিছু ধনী ব্যবসায়ী। কিন্তু কর্তৃপক্ষের এদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ না থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সম্প্রতি দেখতে পেলাম কিছু অসাধু ধনী ব্যবসায়ী নামে বেনামে ভূয়া ভোটার আইডির মাধ্যমে, টিপসইয়ের উপর সই করে শতশত নতুন একাউন্ট খুলেই যাচ্ছে। যার ফলে আইপিও ব্যবসা পুরোপুরি

জিততে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, মানতে হবে

নতুন কোম্পানির শেয়ার অন্তর্ভূক্তির দিনেই বাজার অস্থিতিশীল হবে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় নিয়মে দাঁড়িয়ে যাওয়া অবস্থার এবারও কোন পরিবর্তন ঘটেনি। দুই একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রতিটি শেয়ারই ব্যপক প্রত্যাশা সৃষ্টি করে বাজারে অভিষিক্ত হয় এবং দুই-চার দিন রাজত্ব করেই তাদের সঞ্জিবনী শক্তি নিঃশেষিত হয়। প্রত্যাশার বেলুন মাঝ আকাশে বার বার ফুট হয়ে যাবার পরেও আমাদের বধদয় হয়

Top