পাঠক কলাম এর সকল সংবাদ

অভিশপ্ত এই শেয়ারবাজার, সবচেয়ে বড় অভিশপ্ত আমরা যারা এই মার্কেটের বিনিয়োগকারী

অভিশপ্ত এই শেয়ারবাজার, সবচেয়ে বড় অভিশপ্ত আমরা যারা এই মার্কেটের বিনিয়োগকারী

প্রায় অর্ধযুগ হতে চলল বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটের ধ্বস নেমেছে। আমরা কেউ কোন ভাবেই এই হিংস্র থাবা থেকে রক্ষা পাইনি। বিগত এই ৫ বছরে মধ্যে যারাই এই মার্কেটে বিনিয়োগ করেছে তারাই নিঃস্ব হয়ে গেছে। এখানে একটি মজার বিষয় হল ১ বছর আগেও ইনডেক্স ৪০০০ এর নিচে চলে এসেছিল, কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে বর্তমানে ৪৬০০ ইনডেক্স থাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক যে ভাবে ধ্বংস করে দিলো শেয়ার মার্কেটকে 

অনেক দিন থেকেই লেখবো লেখবো করে ভাবছিলাম। বিষয়টি নিয়ে বোঝাতে গেলে আমাকে কিছুটা অতিতে ফিরে যেতে হবে। ২০১০ সালের সম্ভবত নভেম্বর মাস। প্রথম আলো পত্রিকাটি পর পর দুই দিন দুইটা report করলো শেয়ার বাজার নিয়ে। একটি report এর কথা আমার মনে পরে, সম্ভবত Southeast bank বনানি অথবা গুলশান branch থেকে এক ব্যবসায়ী ৫ কোটি টাকা

ভুয়া আইডির মাধ্যমে আইপিও’র রমরমা ব্যবসা!

ভুয়া ভোটার আইডির মাধ্যমে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অবৈধভাবে রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে কিছু ধনী ব্যবসায়ী। কিন্তু কর্তৃপক্ষের এদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ না থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সম্প্রতি দেখতে পেলাম কিছু অসাধু ধনী ব্যবসায়ী নামে বেনামে ভূয়া ভোটার আইডির মাধ্যমে, টিপসইয়ের উপর সই করে শতশত নতুন একাউন্ট খুলেই যাচ্ছে। যার ফলে আইপিও ব্যবসা পুরোপুরি

জিততে হলে জানতে হবে, শিখতে হবে, মানতে হবে

নতুন কোম্পানির শেয়ার অন্তর্ভূক্তির দিনেই বাজার অস্থিতিশীল হবে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় নিয়মে দাঁড়িয়ে যাওয়া অবস্থার এবারও কোন পরিবর্তন ঘটেনি। দুই একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রতিটি শেয়ারই ব্যপক প্রত্যাশা সৃষ্টি করে বাজারে অভিষিক্ত হয় এবং দুই-চার দিন রাজত্ব করেই তাদের সঞ্জিবনী শক্তি নিঃশেষিত হয়। প্রত্যাশার বেলুন মাঝ আকাশে বার বার ফুট হয়ে যাবার পরেও আমাদের বধদয় হয়

ভাল বিনিয়োগে যেমন ডিভিডেন্ড চাই

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা সব শ্রেণীর বিনিয়োগকারী/ব্যাবসায়ীর অন্যতম প্রধান লক্ষ হল মুনাফা করা। স্বল্প, মধ্য অথবা দীর্ঘ, আপনি যে মেয়াদেই বিনিয়োগ করুন না কেনএকটি গ্রহনযোগ্য মাত্রায় মুনাফা না হলে আপনার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ। তাই শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করার পূর্বে আপনি ব্যক্তিগত ভাবে নুন্যতম কতটুকু মুনাফায় সন্তুষ্ট হবেন তা নির্ধারন করে নেয়া উচিত। যে কোন বিনিয়োগে

মুদ্রানীতি: পুঁজিবাজারের কি এসে যায়?

প্রায় ১ যুগ হয়ে গেল এই মার্কেটের সাথে। এই মার্কেট অনেক কিছু শেখালো । ২০১০ সালের মার্কেট ধ্বসের পর মুদ্রা নীতি শিখেছি আসলে শিখতে হয়েছে। ২০১০ এর আগে মুদ্রানীতি জন্য আমাদের কখনো আতংকিত হতে হয়নি। ২০১০ সালের ধ্বসের পর থেকে আমাদের মার্কেটে মুদ্রানীতির ভুত ঘাড়ে চেপে বসেছে। সেই সাথে অনেক কিছু শিখলাম CRR, SLR যদিও

বিনিয়োগকারীদের লোকসান হলে সমস্যা নেই: লাভ হলেই সমস্যা

আপনারা আমাকে এমন একটি সম্পদ (Asset) এর নাম বলতে পারেন যা বিগত ১০ বছরে কমেছে। কমার কথা ভুলে যাই এমন একটি সম্পদ (Asset) এর নাম বলুন দশ বছর আগে যা ছিল আজও তাই আছে । আমার মনে হয় না বের করতে পারবেন। # জমি —- ১০ বছরে দাম বেড়েছে ১০ গুন # স্বর্ণ —– ১০

বিশ্ব শেয়ারবাজারে ধস আমাদের জন্য সুফল

গ্রিস সংকট এর জন্য সারা বিশ্বের শেয়ার বাজারে ধ্বস নেমেছে। আপনাদের( ২০০৮-২০০৯) এ world recession এর কথা মনে আছে নিশ্চই । USA তে ব্যাংক গুলো collapse করে বসে। সব কিছুর পেছনে মুল কারন ছিল ব্যাংক এর অনিয়ন্ত্রিত Loan । যত্র তত্র loan দেয়া এবং পরবর্তীতে টা recovery না করতে পারা। সেই সময়েই আপনারা দেখেছেন সারা

যে কারণে বাজেট পুঁজিবাজার বান্ধব

আমার দেখা এই প্রথম পুজিবাজার বান্ধব বাজেট পেশ করলো সরকার । যা মার্কেট কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আমার ধারনা । আমি আপনাদের আগেই বলেছি সামনে মার্কেট ভালো হবার একটি প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে যদি সরকার আন্তরিক হয় । সেই পথেই কিছুটা এগিয়ে দিলো এই (২০১৫-১০১৬) সালের বাজেট ।      

মুনাফা বৃদ্ধির উপায় : ট্রেইলিং স্টপ

বিনিয়োগকারীদের প্রায় সবাই হয়ত ‘STOP LOSS’ এই টার্মটির সাথে কম-বেশী পরিচিত। মূলত অধিক লোকসানের কবল থেকে বাচার জন্যই কৌশলী বিনিয়োগকারীরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করেন। বিনিয়োগের সময়কাল (দীর্ঘ/স্বল্প মেয়াদী) ভেদে স্টপ লসের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হলেও ‘10% STOP LOSS’ বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়। ‘10% STOP LOSS’ এই পদ্ধতিতে এক জন বিনিয়োগকারী কোন শেয়ারে সর্বোচ্চ ১০ ভাগ

Top