বিনিয়োগকারীর কথা এর সকল সংবাদ

মে মাসে বাজার একদিনের জন্যও পজিটিভ হতে পারেনি

মে মাসে বাজার একদিনের জন্যও পজিটিভ হতে পারেনি

গত ৩০শে এপ্রিল ২০১৮ থেকে বাজার নেগেটিভ হতে শুরু করে এখন পর্যন্ত বাজার নেগেটিভ। দিন হিসেব করলে গত ২০ দিন থেকে টানা নেগেটিভ। আর কার্য দিবস হিসাব করলে গত ১২ কার্য দিবস থেকে টানা নেগেটিভ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের রেকর্ড বলে গত ১০ বছরে এর আগে টানা ১২ কার্য দিবস এই ভাবে নেগেটিভ ছিল না। যা

শেয়ার কেনার নিরাপদ কৌশল

বিনিয়োগকারীকে তার বিনিয়োগ মূলধনকে ৩টি ধাপে বিনিয়োগ করতে হবে যার প্রথম ধাপ হল দীর্ঘমেয়াদি ।  ২য় ধাপ হল মিডল টার্ম এবং ৩য় ধাপ হল সর্ট টার্ম। ১ম ধাপ বা লং টার্মে বিনিয়োগকারীকে যেসব বিষয় অনুসরণ করতে হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:  কঃ  প্রথমেই দেখতে হবে ছোট মূলধনী A ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর কোনটির দাম দীর্ঘদিন ধরে স্হিরমান বা সামান্য ব্যবধানে

স্থিতিশীল মার্কেটের জন্য দরকার সব সেক্টরের ভারসাম্য

স্থিতিশীল মার্কেটের জন্য প্রথমে দরকার প্রত্যাশিত উত্থান পতন অর্থাৎ অধিকাংশ শেয়ারের উত্থান হলে ইনডেক্স আপ আবার অধিকাংশ শেয়ারের পতনে ইডেক্স ডাউন। আর এটা তখনই সম্ভব যখন সকল সেক্টরের মধ্যে ভারসাম্য থাকেবে। যত দিন ব্যাংকের লেনদেন দ্বারা গোটা মার্কেট ডমিনেট করা হবে তত দিন বিনিয়োগকারীদের আশার প্রতি ফলন ঘটবে না। বিধায় বাজারের প্রতি তারা আস্থা পাবে

জেনে নিন শেয়ার কেনার গোল্ডেন সিক্রেট টাইমিং

শেয়ার বাজার কোন গবেষণা বা অনুমান অধিকাংশই সঠিক হয়না । আর আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে তো টেকনিক্যাল এনালাইসিসও অনেকাংশই ব্যর্থ হয়ে যায়। কারন আমাদের  শেয়ার বাজারে শেয়ার কৌশলীদের রং বদলানোর ওয়ে বেশী পাওয়া যায়। তাইতো বিনিয়োগকারীরা যত বেশী অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং বিনিয়োগের জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন ততই শেয়ার কৌশলীদের রং বদলানো দ্রুত হবে। তাই আমি

কখন কোন শেয়ার কেনা ভুল সিদ্বান্ত

শেয়ার বাজারে অনেক সময়ই কোন অনুমান গবেষণা বা কৌশল যথাযথভাবে শতভাগ কার্যকর হয়না যেহেতু শেয়ার বাজারে মেকানিজম পাটি অতি দ্রুত তাদের পলিসি পরিবতর্ন করে। কারন যারা শেয়ারকে মেকানিজম বা গ্যা্ম্বলিং করে তারা তাদের মনের ভিতরের ইচ্ছা বা তাদের অনুকুলের বা প্রতিকুলের পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করে। তবে অনেক গবেষণা বা অভিজ্ঞতা অথবা পূর্ব ধারাবাহিকতার মাধ্যমে অনেক

৮ পদ্ধতিতে শেয়ার ব্যবসা করে লাভের মুখ দেখুন

অনেক পেশার মানুষই মাসিক আয় বা বেতন এর উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে কিন্তু শেয়ার বাজারে যারা ব্যবসা করে তাদের এই অভ্যাসটা কেন যেন অধিকাংশ বিনিয়োগকারীদের ভিতরে প্রবেশ করেনা তা বোধগম্য নয়। এক্ষেত্রে হয়ত বা মনের ভিতর লোভ কাজ করার বিষয় হতে পারে । যাকগে এই ধরনের লোভ সবার ভিতরই কম বা বেশী আছে। এখন আসা

লাভের আশায় প্রতিনিয়ত লোকসান গুনছি

শেলটেক সিকিউরিটজ ও স্টার লিংক সিকিউরিটিজে শেয়ার ব্যবসা করেন তালুকদার রিয়াদ। ফার্মাসিটিক্যাল ব্যবসার পাশাপাশি ২০০৯ সাল থেকে তিনি শেয়ারবাজারের সাথে জড়িত। ২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসে অনেক কাছ থেকে দেখেছেন। সে সময় প্রায় ২০ লাখের মত বিনিয়োগ হারিয়ে অনেকেটাই সর্বহারা হয়ে পড়েছিলেন। ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে সর্বহারা হয়েও লাভের আশায় এখনও বিনিয়োগ করে যাচ্ছে তালুকদার রিয়াদ। শেয়ারবাজারনিউজ

বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিতে স্মল ক্যাপ: স্বল্প মূলধনী চেয়ে বড় মূলধনীর দিকে নজর দেয়া উচিত

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শুরু হচ্ছে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন বাজার। যেখানে ৫ কোটি টাকার নিচে মূলধনী কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে পারবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী বলেন, এ মূহুর্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সহ সকলকে স্বল্প মূলধনীর চেয়ে বড় মূলধনীর দিকে নজর দেয়া জরুরী। মিজান উর রশিদ বলেন,

অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসে আবারও মার্কেটে এসেছি-আবুল হাশেম

আল-মুনতাহা ট্রেডিং কো: লিমিটেডে শেয়ার ব্যবসা করেন মো: আবুল হাশেম (হাউজ কোড ০৫৬)। ১৯৯৬ ও ২০১০-১১ সালের শেয়ারবাজার ধসের চিত্র খুব কাছ থেকেই দেখেছেন। ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা অবস্থায় শিক্ষকদের প্ররোচনায় তিন লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে শেয়ারবাজারে প্রবেশ করেন। শেয়ারবাজার সম্পর্কে তেমনটা জ্ঞান অর্জন না করার ফলে শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে বসেন আবুল হাশেম। তারপর

ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা প্যারাসিটামলে কাজ করে না

বাজারের এই ক্রান্তিলগ্নে বিএসইসির দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়া উচিত। মনে রাখতে হবে ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলো সবসময় বিএসইসির উপর নির্ভরশীল। আমরা এর বিপরীত চিত্র দেখতে চাই না। ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানি ইস্যু ম্যানেজারের সহায়তায় অনৈতিকভাবে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। যার বেশিরভাগ বর্তমানে ইস্যুমূল্যের নিচে অবস্থান করছে। এ সমস্ত কোম্পানিকে

Top