বিনিয়োগকারীর কথা এর সকল সংবাদ

পুঁজিবাজারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান এখন সময়ের দাবি

পুঁজিবাজারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান এখন সময়ের দাবি

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ইতিহাসের সবচেয়ে দুঃসময় অতিবাহিত করছে। অতীতের যে কোন সময়ের থেকে খারাপ অবস্থায় রয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালে বাজার ধ্বসের পর বাজারের যে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, বর্তমান বাজার তার চেয়েও অনেক খারাপ, অনেক ভয়াবহ। ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালে শেয়ার গুলো ছিল অতি মূল্যায়িত তাই স্বাভাবিক ভাবেই মূল্য সংশোধন হয়েছে। কিন্তু বর্তমান

আলহাজ্ব টেক্সটাইলের শেয়ার হাতিয়ে নেওয়ার চালাকি নয়তো?

গত ১৯.০৬.১৯ ইং তারিখে কোম্পানিটি শেয়ারের দর ৭৬ টাকায় লেনদেন করতে দেখা গেলেও। শুধু একসপ্তাহে ব্যবধানে ২৭.০৬.১৯ইং তারিখে শেয়ারটির দর ৬০ টাকার মধ্যে লেনদেন চলছে। মাত্র ৭ কার্যদিবসে শেয়ারটি দর হারায় ১৬ টাকার মত। এক মাসের জন্য উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কোম্পানির এমন আত্মঘাতী সিন্ধান্তের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এই কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হাজার

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে সরকারি কোম্পানি

ভারতের পুঁজিবাজার বিকাশে অনবদ্য ভূমিকা রেখেছিল সেই দেশের সরকারি কোম্পানিগুলো। অথচ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সরকারি কোম্পানির কোন ভূমিকাই চোখে পড়েনা। আমরা কথায় কথায় ভারতের পুঁজিবাজারের কথা তো বলি কিন্তু সেই দেশের কোন ভাল উদ্যোগ আমরা নিতে পারিনা। যদি নিতে পারতাম তাহলে ২০১০ সালের ধ্বসের ৯ বছর অতিবাহিত হবার পরও একের পর এক মিটিং করতে হতো না

পুঁজিবাজার কারসাজি: সেবি পারলে আমরা কেন পারছি না?

১৮ জুন ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজি, কর ফাঁকি ও মুদ্রা পাচারের অপরাধে ১১২ টি কোম্পানিকে নিষিদ্ধ করেছে ভারতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (সেবি)। সংস্থাটি জানায়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই কোম্পানিগুলো ভুয়া লেনদেনের মাধ্যমে বাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ কোটি রুপি হাতিয়ে নিয়েছে। যদিও এদের কোনোটিরই বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। সেবি

ডি-লিস্টেড নয়: কোম্পানির সুশাসন জরুরি

প্রায় প্রতিদিনই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নিউজে ১৫ কোম্পানি রিভিউ প্রসেসে রয়েছে বলে খবর প্রচার করা হয়। এসব কোম্পানি ৫ বছরের বেশি সময় ধরে ডিভিডেন্ড না দেওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেগুলেশন,২০১৫ এর ৫১ (১) (এ) ধারায় রিভিউ করা করা হচ্ছে। আর এই ধারায় ডিএসইকে ব্যর্থ কোম্পানিকে ডি-লিস্টেড বা তালিকাচ্যুত করা ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো: বেক্সিমকো

আইপিও বিড়ম্বনার অবসান হোক

আইপিও নিয়ে বিড়ম্বনার শেষ নেই। দেখা যায় কোনো মাসে আইপিও এক সঙ্গে ২/৩টা হয়। আবার আইপিও শূণ্য কোনো মাস পার হয়।আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর কোনো কোম্পানি যখন মার্কেটে আসে তখন ইপিএস অনেক ভালো দেখায়। কিন্তু বেশিরভাগ কোম্পানি সিডিবিএল’এ এন্টি হওয়ার পর থেকে ইপিএসের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয় না। অনেক সময় ইপিএস নেগেটিভও দেখা যায়। নতুন নতুন

শেয়ারবাজারে নতুন “A+” ক্যাটাগরি করা হোক

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় শেয়ার বাজার এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা গুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপায়ে তাদেরকে অনেক সুযোগ ও সুবিধা এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। কিন্তু আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে তা ব্যাতিক্রম। যদিও আমাদের শেয়ার বাজারে অনেক দিন ধরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা সচেতন এবং নিয়মিত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তবুও

আইপিও হোল্ডারদের অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা থাকা দরকার

বাংলাদেশ এর শেয়ার বাজারে লেনদেন ঘাটতি ও অস্হিতিশীলতা দুটোই নিত্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শেয়ার বাজারের ইতিহাসে সেই ২০১০ সালেই ধসের পূর্বক যেটা হয়েছিল সেটাই শেষ। যদিও কেউই এটার পুনরাবৃত্তি চায়না, তবুও সবাই চায় অন্তত বাজারে স্হিতিশীলতা আসুক এবং লেনদেন বাড়ুক। কিন্তু নির্দিষ্ট কিছু কারনেই আজ তা সম্ভব হচ্ছে না। বাজারের প্রতি নতুন ও পুরাতন বিনিয়োগকারীদের

জাঙ্কই এখন বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিক!

যেকোন দেশের অর্থনীতির মানদন্ডের পরিমাপ করা হয় শেয়ার বাজারের লিস্টেড কোন্পানির আর্থিক অগ্রগতির পরিমাপের উপর। মোট কথা বাজারের লিস্টেড কোন্পানির শেয়ারের দাম দেখেই সেই কোন্পানির আর্থিক অবস্হা বিবেচনা করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে তার ১% ও মিল নেই । কথায় আছে নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল। আর এই প্রবাদটি আমাদের দেশের শেয়ার

এসকে ট্রিমসের আইপিও শেয়ারের তথ্য

মো: সো‌হেল: প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র সম্পন্ন করা এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আগামী রোববার (১৫ জুলাই) দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু করবে কোম্পানিটি। নিম্নে এসকে ট্রিমসের আইপিও শেয়ারের তথ্য দেয়া হ‌লো: IPO OFFER: 3,00, 00,000 SHARES (সাধারণ বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ ১,৫০,০০,০০০ শেয়ার আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ বাকী ১,৫০,০০,০০০ শেয়ার) TRADEABLE SHARE (লেনদেনযোগ্য

Top