বিনিয়োগকারীর কথা এর সকল সংবাদ

কখন কোন শেয়ার কেনা ভুল সিদ্বান্ত

কখন কোন শেয়ার কেনা ভুল সিদ্বান্ত

শেয়ার বাজারে অনেক সময়ই কোন অনুমান গবেষণা বা কৌশল যথাযথভাবে শতভাগ কার্যকর হয়না যেহেতু শেয়ার বাজারে মেকানিজম পাটি অতি দ্রুত তাদের পলিসি পরিবতর্ন করে। কারন যারা শেয়ারকে মেকানিজম বা গ্যা্ম্বলিং করে তারা তাদের মনের ভিতরের ইচ্ছা বা তাদের অনুকুলের বা প্রতিকুলের পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করে। তবে অনেক গবেষণা বা অভিজ্ঞতা অথবা পূর্ব ধারাবাহিকতার মাধ্যমে অনেক

৮ পদ্ধতিতে শেয়ার ব্যবসা করে লাভের মুখ দেখুন

অনেক পেশার মানুষই মাসিক আয় বা বেতন এর উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে কিন্তু শেয়ার বাজারে যারা ব্যবসা করে তাদের এই অভ্যাসটা কেন যেন অধিকাংশ বিনিয়োগকারীদের ভিতরে প্রবেশ করেনা তা বোধগম্য নয়। এক্ষেত্রে হয়ত বা মনের ভিতর লোভ কাজ করার বিষয় হতে পারে । যাকগে এই ধরনের লোভ সবার ভিতরই কম বা বেশী আছে। এখন আসা

লাভের আশায় প্রতিনিয়ত লোকসান গুনছি

শেলটেক সিকিউরিটজ ও স্টার লিংক সিকিউরিটিজে শেয়ার ব্যবসা করেন তালুকদার রিয়াদ। ফার্মাসিটিক্যাল ব্যবসার পাশাপাশি ২০০৯ সাল থেকে তিনি শেয়ারবাজারের সাথে জড়িত। ২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসে অনেক কাছ থেকে দেখেছেন। সে সময় প্রায় ২০ লাখের মত বিনিয়োগ হারিয়ে অনেকেটাই সর্বহারা হয়ে পড়েছিলেন। ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে সর্বহারা হয়েও লাভের আশায় এখনও বিনিয়োগ করে যাচ্ছে তালুকদার রিয়াদ। শেয়ারবাজারনিউজ

বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিতে স্মল ক্যাপ: স্বল্প মূলধনী চেয়ে বড় মূলধনীর দিকে নজর দেয়া উচিত

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শুরু হচ্ছে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন বাজার। যেখানে ৫ কোটি টাকার নিচে মূলধনী কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে পারবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী বলেন, এ মূহুর্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সহ সকলকে স্বল্প মূলধনীর চেয়ে বড় মূলধনীর দিকে নজর দেয়া জরুরী। মিজান উর রশিদ বলেন,

অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসে আবারও মার্কেটে এসেছি-আবুল হাশেম

আল-মুনতাহা ট্রেডিং কো: লিমিটেডে শেয়ার ব্যবসা করেন মো: আবুল হাশেম (হাউজ কোড ০৫৬)। ১৯৯৬ ও ২০১০-১১ সালের শেয়ারবাজার ধসের চিত্র খুব কাছ থেকেই দেখেছেন। ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা অবস্থায় শিক্ষকদের প্ররোচনায় তিন লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে শেয়ারবাজারে প্রবেশ করেন। শেয়ারবাজার সম্পর্কে তেমনটা জ্ঞান অর্জন না করার ফলে শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে বসেন আবুল হাশেম। তারপর

ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা প্যারাসিটামলে কাজ করে না

বাজারের এই ক্রান্তিলগ্নে বিএসইসির দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়া উচিত। মনে রাখতে হবে ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলো সবসময় বিএসইসির উপর নির্ভরশীল। আমরা এর বিপরীত চিত্র দেখতে চাই না। ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানি ইস্যু ম্যানেজারের সহায়তায় অনৈতিকভাবে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। যার বেশিরভাগ বর্তমানে ইস্যুমূল্যের নিচে অবস্থান করছে। এ সমস্ত কোম্পানিকে

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি এ.কে.এম. মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী বলেছেন, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত যত কোম্পানি তালিকা্ভুক্ত হয়েছে কোনোটির অবস্থাই ভালো নেই। কেপিসিএল থেকে শুরু করে ইউনিক হোটেল পর্যন্ত সব কোম্পানির অবস্থাই নাজেহাল। বিনিয়োগকারীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ এসব কোম্পানিতে হারিয়েছেন। তার ওপর বর্তমানে পাবলিক ইস্যু রুলসের নতুন আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

মার্জিন ঋণে জর্জরিতদের উদ্ধার করুন

যারা মার্জিন ঋণে জর্জরিত হয়ে আছেন তাদের উদ্ধারের ব্যবস্থা করুন। যতদিন না তারা এ জাল থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে ততদিন এ বাজার মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবে না। বাজারকে ঘিরে মানুষ যতদিন অনাস্থায় ভুগবে ততদিন নতুন সূর্যের আশা করাটা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। বাজারের প্রতি দেশের মানুষ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে ভর্তুকীর

কোম্পানিগুলো সুযোগ পেলেও বঞ্চিত বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: যে বাজেট হয়েছে তাতে পুঁজিবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোন লাভ হয়নি। লাভ হয়েছে ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউজ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের। এমনটাই মনে করেন কাজী ফিরোজ রশিদ সিকিউরিটিজ হাউজে লেনদেন করা মো: শাহ আলম নামক একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী। তার বিও অ্যাকাউন্ট নং ২৪৫৩৮০০৩৫৯। তিনি ২০০৪ সাল থেকে শেয়ার ব্যবসা শুরু করেন। পুঁজিবাজার মন্দায় তার

বিনিয়োগকারীদের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিচ্ছে ডিএসই

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: হাসান সিকিউরিটিজ হাউজের মাধ্যমে শেয়ার ব্যবসা শুরু করেন মো. ইসতিয়াক আহমেদ। তার বিও অ্যাকউন্ট নং: ১২০৪৮২০০২৩০০০৫০। যে পুঁজি নিয়ে শেয়ার ব্যবসা শুরু করেছিলেন তার সবটাই হারিয়ে বর্তমানে শোচনীয় অবস্থায় জীবন যাপন করছেন তিনি। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ইসতিয়াক আহমেদের অভিযোগ একটাই, কোনো কোম্পানির অস্বাভাবিক শেয়ার দর বাড়ার কারণে যদি মূ্ল্য সংবেদনশীল নোটিশ পাঠানো

Top