সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

শেয়ারে লকইন কি আসলেই বাজারের জন্য ভালো?

শেয়ারে লকইন কি আসলেই বাজারের জন্য ভালো?

বর্তমান বাজারের আলোচিত সমস্যা হচ্ছে তিনটি। প্রথমত বাজারের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর তলানিতে। দ্বিতীয়ত টাকার অভাব। আর সর্বশেষে প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়ে অভ্যন্তর আলোচনা। এসব আলোচনায় বাজার এক পা এগোয় তো তিন পা পেছোয়। চলতি বছরের প্রায় সময়েই বাজারে অতিরিক্ত সেল প্রেসার তৈরি হয়েছে বলে অনেকে আলোচনা করেন। চার লক্ষ কোটি টাকার বাজারে ৩০০ কোটি টাকা

রিংসাইন টেক্সটাইল নিয়ে এতো বিভ্রান্তি কেন?

কথায় আছে ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। তালিকাভুক্ত টেক্সটাইল খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির অবস্থা খারাপ থাকায় এখন টেক্সটাইলের কোন কোম্পানি বাজারে আসলেই বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরণের আতঙ্ক তৈরি হয়। সম্প্রতি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে রিংসাইন টেক্সটাইলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার এখন লেনদেন শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। পরিশোধিত

হাউজগুলোর অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ হোক

নিজেদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি বাড়তি মুনাফার আশায় সিকিউরিটিজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। যে হাউজের সেবার মান যত ভালো হবে সেই হাউজেই বিনিয়োগকারীরা যাবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বর্তমানে হাউজগুলোর মধ্যে গ্রাহক টানার অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী মার্জিন ঋণের সীমা ১:০.৫। অর্থাৎ গ্রাহকের তহবিলের

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কি এভাবেই শেষ হয়ে যাবে?

আগে পুঁজিবাজারের দরপতনে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানালেও এখন আর তাদের চোখে পড়ছে না। কমিশন এবং ডিএসই’র কড়া ব্যবস্থায় প্রতিবাদের ভাষা এখন মনের অভিশাপ। সভা-সেমিনার আর টকশো’তে জ্ঞানীদের ইতিবাচক কথা শোনা গেলেও বিনিয়োগকারীদের কাছে তারা এখন জাস্ট জোকার। অ্যানালাইটিক্যাল রিপোর্টগুলো যেন ওয়াস্ট অব পেপার। সূচক আর শেয়ার দরের পতন হলেই মনে হচ্ছে কেউ শরীরের চামড়া টান

এবার স্টেকহোল্ডারদের পালা

শেয়ারবাজারে লাগাতার দরপতন ঠেকাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কিনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার যাবতীয় পলিসি সাপোর্টের প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গেল সপ্তাহে এডি রেশিও বাড়িয়ে সার্কুলার জারি করা হয়েছে। গতকাল পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব পোর্টফোলিওতে সরাসরি বিনিয়োগ অথবা সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে ঋণ প্রদান করে উক্ত কোম্পানির নিজস্ব পোর্টফোলিওর আকার

আতঙ্কে সেল প্রেসার নয়: পুঁজিবাজারের সুদিন আসছে

বেশ কিছুদিন ধরে সামগ্রিক পুঁজিবাজারে মন্দাবস্থা বিরাজ করেছে। টানা দরপতনে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিও’র অবস্থা অনেক খারাপ পর্যায়ে নেমে এসেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র আস্থা সংকট বিরাজ করছে। যে কারণে অনেক বিনিয়োগকারী সামনে বাজার আরো খারাপ হতে পারে সেই আতঙ্কে লোকসানের মধ্যেও শেয়ার বিক্রি করে বের যাচ্ছেন। এতে অত্যধিক সেল প্রেসার তৈরি হওয়ায় সামগ্রিক পুঁজিবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব

ভালো শেয়ারের দরপতনেও তদন্ত হওয়া উচিত

কোন একটি শেয়ারের দর বৃদ্ধি অস্বাভাবিক মনে হলেই স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে সবসময়ই শেয়ারের দর বৃদ্ধির জন্য কোন অপ্রকাশিত তথ্য রয়েছে কিনা তা কোম্পানির কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়। এ পর্যন্ত এমন কোন কোম্পানি পাওয়া যায়নি যেগুলো শেয়ার দর বৃদ্ধি পেছনে অপ্রকাশিত তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে। কারণ অপ্রকাশিত তথ্য থাকলেও

পুঁজিবাজারে প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা প্রশংসনীয়

লাগাতার দরপতনে পুঁজি হারিয়ে যখন বিনিয়োগকারীরা হায়-হুতাশে নির্বাক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা পরিস্থিতি সামাল দিতে যখন যারপরনাই চেষ্টা চালাচ্ছিলো তখনই অগ্রদূতের মতো এগিয়ে এলো বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের অর্থনীতি রক্ষার জন্য পুঁজিবাজারের অপরিসীম ভূমিকার কথা মাথায় রেখে এই বাজার রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। শেয়ারবাজারের লাগাতার দরপতন ঠেকাতে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কিনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য

বিনিয়োগকারীরা আর কতো ধৈর্য্য ধরবে

শেয়ারবাজারে জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করুন, ধৈর্য্য ধরুন, বাজারের প্রতি আস্থা রাখুন, বিনিয়োগ শিক্ষা অর্জন করুন, মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগ করুন ইত্যাদি উপদেশ শুনতে শুনতে বিনিয়োগকারীদের কান ঝালা-পালা হয়ে গেছে। তবুও মানা যেতো যদি নিজের পুঁজি ঠিক-ঠাক থাকতো। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে বাজারের পতনে ততই অস্থির হয়ে উঠেছেন বিনিয়োগকারীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি আস্থা রাখলে বাজার ভালো

পুঁজিবাজার উন্নয়ন প্রত্যাশি বাজেট ২০১৯-২০

পুঁজিবাজার উন্নয়নে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে (২০১৯-২০২০) সরকার যে আন্তরিকতা দেখিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিনিয়োগকারীদের জন্য করমুক্ত ডিভিডেন্ড আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা প্রতিষ্ঠা করতে অনিবাসী কোম্পানিগুলোর ডিভিডেন্ড আয়ের ওপর দ্বৈতকর প্রত্যাহার এবং পুঁজিবাজারের গতিশীলতা ফেরাতে যেসব উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাতে এই মার্কেটে প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে

Top