সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

আর কতো পতন দেখতে চান অর্থমন্ত্রী?

আর কতো পতন দেখতে চান অর্থমন্ত্রী?

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আয়োজিত বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা কনফারেন্সে অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল বিনিয়োগকারীদের মনোবল বৃদ্ধি করতে বলেছিলেন “পুঁজিবাজারে আর কতো পতন হতে পারে আমি দেখতে চাই।” তার এই কথাটিতে সেদিন হাত তালির মাধ্যমে বেশ সমর্থনও দিয়েছিলেন বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু বিধি বাম! অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রীর কথা মুড়ির মতো খাওয়া হলেও হজম করা যায়নি। গত ২৮

বিনিয়োগকারীদের ট্রেডিংয়ের তথ্য পাঁচার: বিষয়টি গুরুতর বটে

ছোট হোক কিংবা বড়, একজন বিনিয়োগকারী সবসময় চায় তার লেনদেনের তথ্য অন্য কেউ না জানুক। যদিও বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী অন্যকোনো ভালো বিনিয়োগকারীকে অনুসরণ করতে চায়, কিন্তু তাই বলে অন্যের তথ্য চুরি করে নিজের ব্যবসা করাটা সামগ্রিক পুঁজিবাজারের জন্য অনেক ক্ষতিকর। বিনিয়োগকারীরা সবসময় একটা গোপনীয়তা চায়। তাদের গোপনীয়তা যখন থাকে না তখন তারা বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আর

পুঁজিবাজার ৩ পাত্তি খেলার জায়গা নয়

যেসব কোম্পানির অস্তিত্ব বর্তমানে কাগজে কলমে রয়েছে, ডিভিডেন্ড ও লিস্টিং ফি দিচ্ছে না সেগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। মূল মার্কেট থেকে একেবারে তালিকাচ্যুত করে শেয়ারবাজারকে জঞ্জালমুক্ত করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তাইতো ১৫টি কোম্পানির তালিকা তৈরি করে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক এবং এগুলো থেকে বের হওয়ার জন্য প্রতিদিনই ডিএসই’র নিউজ স্ক্রলে

ভালো পারফর্মই একটি গতিশীল বাজার উপহার দিতে পারে

নতুন অর্থমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বাজারের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। নির্বাচনের আগে বাজারকে ঘিরে যত হতাশা ছিলো সব যেন মুহূর্তের মধ্যেই পরিবর্তন হয়ে গেছে। তলানিতে পড়ে থাকা শেয়ারের দর মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে। সাইডলাইনে বসে থাকা পোর্টফোলিও ম্যানেজাররা বিনিয়োগে সক্রিয় হয়েছেন। পুরনো বিনিয়োগকারীরা নতুন ফান্ডের মাধ্যমে শেয়ার দর সমন্বয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে গত ৩১

আতঙ্কের কিছু নেই

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢিমেতালে চলছে পুঁজিবাজার। টানা দরপতনের পাশাপাশি দৈনিক লেনদেন নেমে এসেছে ৫০০ কোটির নিচে। আইসিবিসহ অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার অভাবে গতিশীল হচ্ছে না পুঁজিবাজার। বেশিরভাগ পোর্টফোলিও ম্যানেজার ও বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরাও বাজারে বিনিয়োগের চেয়ে পর্যবেক্ষণে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। যে কারণে বার বার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ব্যাহত হচ্ছে পুঁজিবাজার। বড় শেয়ারের কোম্পানির চেয়ে

বিনিয়োগে সচেতনতার বিকল্প নেই

বিগত সাড়ে সাত বছরের ব্যবধানে কয়েক দফা মোটা অঙ্কের পুঁজি হারিয়েছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। এর জন্য বিনিয়োগকারীদের ভুল সিদ্ধান্ত এবং অতি মুনাফালোভী মনোভাব থাকার পাশাপাশি সুযোগ-সন্ধানীদের কারসাজি দায়ী। অধিকাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর একটা বদ্ধমূল ধারণা হচ্ছে প্রতিদিনই মুনাফা করতে হবে। কিন্তু তা কখনই সম্ভব নয়। কিছু যৌক্তিক কারণে বাজারে সাময়িক মন্দাভাব বিরাজ করতে পারে এটাও বিনিয়োগকারীদের উপলব্ধি

বৈঠকের আঁইওয়াশ না দেখিয়ে প্রফেশনাল আচরণ জরুরি

বাজার যখনই ধসের মুখে যায় তখনই মার্কেট মেকারদের বৈঠকের খবর পাওয়া যায়। বৈঠকের পর মার্কেট কিছুদিন ভালো থাকে, তারপর আবার দরপতন শুরু হয়। গেল ৮ বছর ধরে পুঁজিবাজারে এসব কর্মকান্ড দেখে বিনিয়োগকারীরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। আইসিবি যখন মার্কেট মেকারের ভূমিকা পালন করে, বাজার স্থিতিশীল করার চেষ্টা করে তখন তারা কিছু বাজে কৌশলের আশ্রয় নেয়। যেটা

বিনিয়োগকারীদের বেকায়দায় ফেলা কোম্পানি বেশিদিন টিকে না

আমাদের দেশে এখনো কোনো বহুজাতিক কোম্পানি তৈরি হয়নি। যার প্রধান কারণ, কোম্পানির মালিক পক্ষ কখনোই দক্ষ পেশাজীবীদের হাতে কর্তৃত্ব দিতে রাজি হয়নি। উন্নত দেশের বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা পর্ষদে ভুঁড়ি ভুঁড়ি দক্ষ পেশাজীবী রয়েছে যারা কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানির প্রতিটি বিভাগেই কর্পোরেট সুশাসন চোখে পড়ার মতো। আমাদের দেশেও কর্পোরেট সুশাসনের আইন রয়েছে তবে তা নিছক

উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে

দোষ করল মীরা, মার খেল হীরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিষ্টিং) রেগুলেশন,২০১৫ এর ৫১ (১) ধারায় কোনো কোম্পানিকে ডি-লিষ্টিং করার জন্য চারটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো কোম্পানি যদি ৫ বছর ধরে ডিভিডেন্ড না দেয়, যদি কোনো কোম্পানি টানা তিনটি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে ব্যর্থ হয়, কোম্পানির স্বেচ্ছায় বা কোর্টের মাধ্যমে অবসায়ন বা তিন বছর

কার নিয়ন্ত্রণে বাজার?

বর্তমান মার্কেটের চিত্র একটু ঘোলাটেই বটে। মার্কেট যে নিজ গতিতে না চলে কারো ইশারায় চলছে সে বিষয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষকরা অব দ্য রেকর্ডে তাদের মতামত জানিয়েছেন। নাম না জানা চক্রের সদস্যরা এতোই শক্তিশালী যে তারা যেদিকে যায় গোটা মার্কেটটাই সেদিকে যায়। তারা চাইলে বাজারকে উঠাবে,চাইলে মার্কেটকে ফেলবে। একসময় মার্কেট অ্যানালাইটিক্যাল রিপোর্টগুলো পাওয়ারফুল এন্টিবায়োটিকের মতো

Top