সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

Editorial

ইপিএসের পরিবর্তনে কোম্পানিগুলোর ব্যাখ্যা নেই: বিএসইসির শক্ত ভূমিকা জরুরি

ইপিএসের পরিবর্তনে কোম্পানিগুলোর ব্যাখ্যা নেই: বিএসইসির শক্ত ভূমিকা জরুরি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রান্তিক প্রতিবেদনে ইপিএস,এনএভিপিএস এবং এনওসিএফপিএসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসলে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এরকম নির্দেশনা দিলেও আমলে নিচ্ছে বেশিরভাগ কোম্পানি। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রান্তিক প্রতিবেদনে কোনো কোনো কোম্পানির ২০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু এর কোনো ব্যাখ্যা কোম্পানিগুলো উপস্থাপন করেনি। কেন কোম্পানির ইপিএস কমে

Editorial

নেগেটিভ ইক্যুইটি: এখন থেকেই অ্যাডজাষ্ট করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন

বিশ্বের সকল পুঁজিবাজারেই উত্থান-পতন রয়েছে এবং বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আর পুঁজিবাজার উত্থান পতনের সাথে যারা সমন্বয় করতে পারেন তাদেরকেই সফল বিনিয়োগকারী বলা হয়। যদিও পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় ঋণ করে বিনিয়োগ সঠিক সিদ্ধান্ত নয় তবুও অনেক বিনিয়োগকারী নানা সময়ে মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ারে বিনিয়োগ করে থাকেন। ২০১০-১১ সালে পুঁজিবাজার ধ্বসের পর কোনো কোনো স্মার্ট

Editorial

ইনডেক্স নিয়ে বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা হচ্ছে

আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ ইনডেক্সকে কেন্দ্র করে শেয়ার বেচা-কেনা করে। ইনডেক্স নামতে দেখলেই হাতের শেয়ার বিক্রি করে, আবার ইনডেক্স বাড়তে দেখলেই শেয়ার কেনা শুরু করে। আমাদের বিনিয়োগকারীদের এই আচরণকে পুঁজি করে একটি পক্ষ ইনডেক্স নিয়ে শুক্ষ কারচুরি করছে।যা একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলেই বোঝা যায়। . ব্যাংকের শেয়ার গুলো ইনডেক্সকে প্রভাবিত করে। আর তাই

Editorial

ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে বাজার মূলধন: বাড়ছে প্রত্যাশা

বর্তমান পুঁজিবাজারে বাজার মূলধনের পরিমাণ ৪ লাখ ২ হাজার ৯০ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ বাজার মূলধন। এদিকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য দেশের বাজেট ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ সামগ্রিক অর্থনীতির মোট বাজেটের চেয়েও বেশি হচ্ছে বর্তমান পুঁজিবাজারের মূলধন। এই খুশির খবরের পাশাপাশি আরো একটি খুশির খবর হচ্ছে আজ সূচক ৬ হাজার

Editorial

মিউচ্যুয়াল ফান্ড: বেশি কমিশনের আশায় বিনিয়োগকারীর ক্ষতি করবেন না

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধন করে অ্যাসেট ম্যানেজারদের ডিভিডেন্ড হিসেবে রি-ইনভেষ্টমেন্ট বা স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার রাস্তা খুলে দিয়েছে। সেই সুযোগে অ্যাসেট ম্যানেজাররাও রি-ইনভেষ্টমেন্ট ইউনিট (আরআইইউ) প্রদানে কোনো কৃপণতা করছে না। কিন্তু তাদের এই স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার ফলে দিনের পর দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ধরা যাক, ২০০ কোটি টাকার কোনো

Editorial

দয়া করে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এটা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করবেন

মো: আব্দুল মতিন চয়ন। তিনি ICML রাজশাহী শাখার মাধ্যমে শেয়ার ব্যবসা করেন। তার অ্যাকাউন্ট নং- ২৬৮৩ এবং ২৮০০। রাত ১ টায় বাজে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমে তার মেইল এবং টাইটেল হচ্ছে ‘দয়া করে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এটা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করবেন’। সেই শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে লেখালেখির মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকম। যখনই ক্ষতিগ্রস্তদের

Editorial

লেনদেনের শ্লথগতিতে তিন ইস্যুর প্রভাব ক্ষণিকের

বর্তমানে বাজারে দৈনিক লেনদেনে শ্লথগতি কাজ করছে। প্রতিমাসের শেষেই লেনদেনে একটু ভাটা থাকে সেটা বিগত মাসগুলোর চিত্র দেখলেই বোঝা যায়। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক মাসের শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান তথা ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে বাড়তি তদারকি করে থাকে। প্রতিটি কোম্পানিকেই পুঁজিবাজারে এক্সপোজারের বিষয়ে মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংককে তথ্য দিতে হয়। আর এই তথ্যে এক্সপোজার যেন নির্দিষ্ট সীমার

Editorial

নতুন টাকার প্রবেশ: সরগরম পুঁজিবাজার

“আমি শেয়ার কিনলেই দর কমে যায়” অনেক বিনিয়োগকারীর মুখে শোনা এই কথাটির বিপরীতে এখনো কোনো যুক্তি খুঁজে পেলাম না। তবে মার্কেটের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককেই কারো না কারো সঙ্গে লিঙ্ক করে শেয়ার কেনা-বেচা করেন এটা নিশ্চিত। বাজার ঊর্ধ্বমুখী হলেই এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারীর ‘জেড’ এর দিকে বেশি ঝোঁক দিতে দেখা যায়। “টাকা কামাইতে হইলে ‘জেড’ দিয়াই কামাইতে

Editorial

বাজেট নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই

বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য বাড়তি কোনো প্রণোদনা দেয়া হয়নি। আবার নেতিবাচক এমন কোনো ইস্যু রাখা হয়নি যার প্রভাব পুঁজিবাজারে পড়বে। তাই এই বাজেট নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যা ছিল তাই আছে। সুতরাং প্যানিক হওয়া মানে এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের কম দরে শেয়ার কেনার সুযোগ করে দেয়া। প্রস্তাবিত বাজেটে আশার কথা হলো অল্টারনেটিভ ইনভেষ্টমেন্টকে উৎসাহিত করা হয়েছে। পুঁজিবাজারের জন্য

Editorial

মিউচ্যুয়াল ফান্ড: স্টক ডিভিডেন্ড ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে বিনিয়োগ বন্ধ হোক

যেকোন দেশের পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারকে শক্তিশালী করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। সাধারণ বিনিয়োগকারী, পেনশন হোল্ডারস, গৃহিনী যারা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করার চেয়ে পেশাদার ফান্ড ম্যানেজার কর্তৃক পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে বছর শেষে ভাল লভ্যাংশ পায়। আমাদের দেশের মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অবস্থা ঠিক বিপরীত, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারকে কোনভাবেই প্রভাবিত করতে পারছে না। সামগ্রিক বাজার মূলধন,

Top