সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

Editorial

আইপিও আবেদনে উভয় পদ্ধতি চালু রাখা হোক

আইপিও আবেদনে উভয় পদ্ধতি চালু রাখা হোক

অনেক আশা নিয়ে ১০ টাকা শেয়ারের একটি কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করেছেন কতিপয় বিনিয়োগকারী। লটারির রেজাল্ট দেয়ার পর অনেক খোজাখুজি করেও তার আইডি মিলাতে পারেননি। হতাশ হয়ে ভাগ্যের দোষ দিয়ে চুপ করে রইলেন। কিছুদিন পর দেখলেন যে আইপিও লিষ্টের ওপর ভিত্তি করে লটারি করা হয়েছে সে লিষ্টে তার আইডিই ছিল না। তার নামে হাউজের পক্ষ থেকে

Editorial

শঙ্কার কিছু নেই তবুও সতর্কতা প্রয়োজন

যদিও বাজারকে স্থায়ী স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য  সরকারসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই তবুও ‘সাবধানের মাইর নাই’ প্রচলিত এই প্রবাদটি মনে না রাখলেই নয়। যেভাবে সূচক ও লেনদেনের গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বর্তমান পুঁজিবাজার গতিশীলতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এখই বিনিয়োগকারীদের সাবধানের সঙ্গে লেনদেন করতে হবে। অযৌক্তিক অতিরিক্ত দরে বিনিয়োগ করা থেকে

Editorial

পুঁজিবাজার কি পারবে অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে?

বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আগেই বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো থেকে নেয়া কিছু তথ্য প্রকাশ করা হলো। নিচে বিগত ৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চিত্র: ☛বাংলাদেশের মাথাপিছু গড় আয় (মার্কিন ডলার) ২০০৯-২০১০ সালে ছিল = ৮২৯ ডলার ২০১০-২০১১ সালে ছিল = ৯২৯ ডলার ২০১১-২০১২ সালে ছিল = ৯৫৫ ডলার      ২০১২-২০১৩ সালে ছিল = ১০৫৮ ডলার    

Editorial

নুতন টাকার ঝল্কানিতে আলোকিত পুঁজিবাজার

চলতি বছরের শুরুটাই যেন বিগত দিনের অন্ধকার দূর করার আলো নিয়ে এসেছে। টানা ১০ কার্যদিবস দৈনিক লেনদেন হাজার কোটির ওপরে অবস্থান করাটা শুধু ভাবিয়ে তোলে যে এতোদিন এই টাকাগুলো কোথায় ছিল। যেমনটা মনে হয়েছিল ৬ বছর আগে যে বাজারের এতো টাকা কোথায় গেল। তবে পোর্টফলিও ম্যানেজারদের কাছে এটি হচ্ছে ৭ বছরের পুনরাবৃত্তি। অর্থাৎ প্রতি ৭ বছর

Editorial

নতুন বছরে পুঁজিবাজারের হারানো গৌরব ফিরে আসুক

২০১৬ সালের প্রথম ছয় মাস বাজার ঢিমেতালে চললেও শেষ ছয় মাস কেটেছে নতুন সূর্যদোয়ের মতো। মূলত জুলাই মাসে এক্সপোজার ইস্যুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা দেয়ার পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এছাড়া বাজারের প্রতি আস্থা আরো গভীর করার জন্য সরকারের আন্তরিকতার কোনো কমতি ছিল না। ‘পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতায় যা করণীয় সবই করা হবে’ নীতিনির্ধারণী

Editorial

নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ে কি কোম্পানির শক্তি বেশি

নিয়ন্ত্রক সংস্থার চোখের সামনে কিছু কোম্পানি বোর্ডসভার তারিখ ঘোষণা ছাড়াই আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জেরও গোচরে এসেছে। কিন্তু তাদের নিরব ভূমিকা সত্যিই হতাশাজনক। আইন করে পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে জোর দেয়া হলেও চল্লিশোর্ধ কোম্পানির পরিচালকরা তা পরিপালনে কোনো ভ্রুক্ষেপ করছে না। অথচ এদের বিষয়ে কোনো কার্যকরি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। অবস্থা দৃষ্টে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন

Editorial

শুধুই স্টক ডিভিডেন্ড! এক নির্মম প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়

পুঁজিবাজারকে বাপের হোটেল মনে করার কোনো সুযোগ আছে কিনা সে প্রশ্নের জবাব সংশ্লিষ্ট স্টোকহোল্ডারদের কাছ থেকেই পাওয়ার আশায় রইলাম। কিছু কোম্পানি নিজেদের তৈরি করা বিপুল পরিমাণ ব্যাংক ঋণের দায় ঘোচাতে বা ব্যবসা বাড়াতে বাজার থেকে টাকা নিয়েছে। অথচ এসব কোম্পানিতে নগদ টাকা বিনিয়োগ করেও বিনিয়োগকারীদের স্টক ডিভিডেন্ডের নামে কাগজ ছাড়া কিছুই মেলেনি। কোম্পানিগুলো যদি ব্যাংক

Editorial

আইপিও শেয়ার: পুঁজিবাজারের এই দুর্দশা কি কখনও কাটবে না?

একটু লক্ষ্য করুন সেই সঙ্গে চিন্তা করুন, বর্তমানে পুঁজিবাজারে কি ধরনের কোম্পানি তালিকা ভুক্ত হচ্ছে। লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেনঃ ⇨ পলিথিন কোম্পানি ⇨ প্রিন্টিং কোম্পানি  ⇨ জুতার কোম্পানি ⇨পেপার মিল ইত্যাদি। আমরা সবাই জানি বাজারে নুতন নুতন শেয়ার আসলে বাজারের গভীরতা বাড়ে। নুতন নুতন টাকা ঢুকে। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন তো উপরে বর্ণিত

Editorial

বিনিয়োগকারীদের বাঁচতে দিন: সেনসেটিভ মার্কেটে নেতিবাচক কথা নয়

শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের সব রাষ্ট্রেই পুঁজিবাজার একটি ‘স্পর্শকাতর জায়গা’। ফলে সামান্যতম নেতিবাচক খবরে এখানে বাজারের জন্য বয়ে আনতে পারে বড় ধরনের পতন। বাজারে উত্থান বা পতন থাকবে এটাই বাজারের স্বাভাবিক ধর্ম। তবে দায়িত্বশীল মহল থেকে কোনো নেতিবাচক মন্তব্যে বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি হোক সেটা কারোই কাম্য নয়। এতে যেমন বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেমনি বাজারেও নানা

Editorial

কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে ন্যাশনাল টিউবস

পুঁজিবাজারে গত কয়েক দিনের আলোচিত শেয়ারের নাম ন্যাশনাল টিউবস। এই শেয়ারটি নিয়ে আলোচনার অন্যতম কারন ছিল সৌদি আরবের আল জামিল গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল এই কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শন করেছেন। আর চায়নার সিনোস্টিল মেটালস রিসোর্স কোম্পানির প্রতিনিধি দল স্টিল ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের সম্ভবনা রয়েছে। বলা হচ্ছে, উল্লেখিত দুই বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে। আর যেহেতু সৌদি কোম্পানিটি ন্যাশনাল

Top