সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে

উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে

দোষ করল মীরা, মার খেল হীরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিষ্টিং) রেগুলেশন,২০১৫ এর ৫১ (১) ধারায় কোনো কোম্পানিকে ডি-লিষ্টিং করার জন্য চারটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো কোম্পানি যদি ৫ বছর ধরে ডিভিডেন্ড না দেয়, যদি কোনো কোম্পানি টানা তিনটি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে ব্যর্থ হয়, কোম্পানির স্বেচ্ছায় বা কোর্টের মাধ্যমে অবসায়ন বা তিন বছর

কার নিয়ন্ত্রণে বাজার?

বর্তমান মার্কেটের চিত্র একটু ঘোলাটেই বটে। মার্কেট যে নিজ গতিতে না চলে কারো ইশারায় চলছে সে বিষয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষকরা অব দ্য রেকর্ডে তাদের মতামত জানিয়েছেন। নাম না জানা চক্রের সদস্যরা এতোই শক্তিশালী যে তারা যেদিকে যায় গোটা মার্কেটটাই সেদিকে যায়। তারা চাইলে বাজারকে উঠাবে,চাইলে মার্কেটকে ফেলবে। একসময় মার্কেট অ্যানালাইটিক্যাল রিপোর্টগুলো পাওয়ারফুল এন্টিবায়োটিকের মতো

দৃষ্টি এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে

যদিও বাজার যেখানে নেমেছে এখান থেকে এমনিতেই বাড়ার কথা। ঈদের আগে ৪০০ পয়েন্টের বেশি কমানো হয়েছে। তলানিতে নেমে এসেছে বেশিরভাগ মৌলভিত্তি কোম্পানির শেয়ার দর। সে হিসেবে বর্তমান বাজার ঊর্ধ্বমুখী হবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে বাজারকে পুরোপুরি চাঙ্গা করার জন্য সব মহলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটু স্বদিচ্ছায় পুরো শেয়ারবাজারের চিত্রটাই বদলে দেবে।

বাজার পতনের নেপথ্যে কি বাজেট দায়ী নাকি অন্যকিছু

“ক্যাপিটাল মার্কেটের মানুষ বাজেটকে সমর্থন করেন নাই। বাজেটে করপোরেট কর ছাড়া কিছুই নাই তাও সবার নয় । কতোকিছু দেয়ার ছিলো!কতো প্রণোদনা! করমুক্ত ডিভিডেন্ড আয়ের সীমা বাড়ানো দরকার ছিলো” ইত্যাদি ইত্যাদি বলে প্রস্তাবিত বাজেটকে মনে হয় ডাস্টবিনে ফেলে দিলো। আসলেই কি আজকের বাজার পতনের নেপথ্যে বাজেট দায়ী নাকি অন্যকিছু এর ভেতর কাজ করছে? ব্যাংক, বীমা, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের

বিনিয়োগকারীরা আর কতো নি:স্ব হবে

২০১১ সালে পুঁজি হারিয়ে এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী মার্কেট থেকে হারিয়ে গেছে। ভালো মুনাফা করার আশায় যারাই মার্জিন ঋণ নিয়েছিলেন সেটিই তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফোর্সসেলে নি:স্ব হয়ে গেছেন অনেক বিনিয়োগকারী। যারা মার্জিন ঋণ না নিয়ে শেয়ার ধরে রেখেছিলেন তাদেরও পোর্টফোলিও’র অবস্থা খুবই করুণ পর্যায়ে ছিলো। তার ঠিক দু’বছর পর ২০১২-১৩ সালে আবারো পুঁজিবাজারে

ফারমার্স ব্যাংকের অভিভাবক থাকলেও পুঁজিবাজারের নেই

ফারমার্স ব্যাংক যখন লুটপাটের স্বর্গরাজ্য তখন কেউ গভীরভাবে খেয়াল করেনি আসলে ব্যাংকে কি ঘটেছে। কিন্তু দিন যত গেলো ব্যাংকের কোষাগার ততো খালি হতে লাগলো। ধীরে ধীরে সকলের চোখ পড়লো আর লুটেরাও ধরা খেলো। ব্যাংকটিকে বাঁচাতে সরকার যে প্রচেষ্টা চালিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। ব্যাংকটিকে স্বরূপে ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে ১৩০০ কোটি টাকার যোগান দেয়া হয়েছে।

অল্প টাকায় কিনতে পারলেই বেশি মুনাফা করা যায়

মার্কেটের বর্তমান যে সমস্যা সেটার মূল কারণ হচ্ছে ব্যাংক-লিজিংয়ের আর্নিং সিজন চলছে। আর প্রথম প্রান্তিকে বেশিরভাগ কোম্পানির আর্নিং ভয়ঙ্কর খারাপ হয়েছে। যদিও সারাজীবন ব্যাংক-লিজিংয়ের প্রথম প্রান্তিক খারাপ হয়ে থাকে। কারণ একটি ব্যাংক যখন ব্যবসা করবে তখন প্রথমেই সে পরিকল্পনা করে বছরজুড়ে কিভাবে ব্যবসা করবে। এগুলো করতে করতেই সময় চলে যায়। এ কারণে প্রথম প্রান্তিকে বেশি

আইপিও অনুমোদন: বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন না

ব্যবসা সম্প্রসারণ কিংবা ব্যাংক লোন পরিশোধে বেশিরভাগ কোম্পানি আইপিও’র (প্রাথমিক গণ প্রস্তাব) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে অর্থ উত্তোলন করে থাকে। আইপিও’তে আসার আগে কোনো কোনো কোম্পানির প্রসপেক্টাসে মুনাফা,ইপিএস ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানো হলেও দুই তিন বছর গত হলেই সেগুলোর আসল রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। প্রফিট কম দেখানো, ডিভিডেন্ড না দেয়া, পরিচালকদের অন্তর্দ্বন্দ্ব, বিভিন্ন ঋণ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়া,

কোয়াটার্লি প্রতিবেদন কতটুকু স্বচ্ছ

বিএসইসির নির্দেশনায় অনুযায়ী, লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ছাড়া অন্যান্য তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রথম প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন ৪৫ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিক ও তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশের জন্য ৩০ দিন সময় পাবে। লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে আলাদা করে প্রথম প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য ৯০ দিন সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। অবশ্য লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন

সবাইকে ছুটি দিয়ে হাউজ বন্ধ করে চলে যাবো

“আমরাতো ভালোই আছি। ভালোই চলছে। কাজ ছাড়া আজাইরা বসে আছি। সবাইকে ছুটি দিয়ে হাউজ বন্ধ করে চলে যাবো। সুস্থ জায়গায় মানুষ থাকে। অসুস্থ জায়গায়তো মানুষ থাকতে পারে না। শেয়ারবাজার এখন মা বাপ ছাড়া হয়ে গেছে। কোনো গার্ডিয়ান নাই। যার কোনো গার্ডিয়ান নাই তারতো কোনো ভবিষ্যত নাই।” কথাগুলো খুবই হতাশার সঙ্গে বলছিলেন এক সিকিউরিটিজ হাউজের প্রধান

Top