সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

বিনিয়োগে সচেতনতার বিকল্প নেই

বিনিয়োগে সচেতনতার বিকল্প নেই

বিগত সাড়ে সাত বছরের ব্যবধানে কয়েক দফা মোটা অঙ্কের পুঁজি হারিয়েছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। এর জন্য বিনিয়োগকারীদের ভুল সিদ্ধান্ত এবং অতি মুনাফালোভী মনোভাব থাকার পাশাপাশি সুযোগ-সন্ধানীদের কারসাজি দায়ী। অধিকাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর একটা বদ্ধমূল ধারণা হচ্ছে প্রতিদিনই মুনাফা করতে হবে। কিন্তু তা কখনই সম্ভব নয়। কিছু যৌক্তিক কারণে বাজারে সাময়িক মন্দাভাব বিরাজ করতে পারে এটাও বিনিয়োগকারীদের উপলব্ধি

বৈঠকের আঁইওয়াশ না দেখিয়ে প্রফেশনাল আচরণ জরুরি

বাজার যখনই ধসের মুখে যায় তখনই মার্কেট মেকারদের বৈঠকের খবর পাওয়া যায়। বৈঠকের পর মার্কেট কিছুদিন ভালো থাকে, তারপর আবার দরপতন শুরু হয়। গেল ৮ বছর ধরে পুঁজিবাজারে এসব কর্মকান্ড দেখে বিনিয়োগকারীরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। আইসিবি যখন মার্কেট মেকারের ভূমিকা পালন করে, বাজার স্থিতিশীল করার চেষ্টা করে তখন তারা কিছু বাজে কৌশলের আশ্রয় নেয়। যেটা

বিনিয়োগকারীদের বেকায়দায় ফেলা কোম্পানি বেশিদিন টিকে না

আমাদের দেশে এখনো কোনো বহুজাতিক কোম্পানি তৈরি হয়নি। যার প্রধান কারণ, কোম্পানির মালিক পক্ষ কখনোই দক্ষ পেশাজীবীদের হাতে কর্তৃত্ব দিতে রাজি হয়নি। উন্নত দেশের বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা পর্ষদে ভুঁড়ি ভুঁড়ি দক্ষ পেশাজীবী রয়েছে যারা কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানির প্রতিটি বিভাগেই কর্পোরেট সুশাসন চোখে পড়ার মতো। আমাদের দেশেও কর্পোরেট সুশাসনের আইন রয়েছে তবে তা নিছক

উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে

দোষ করল মীরা, মার খেল হীরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিষ্টিং) রেগুলেশন,২০১৫ এর ৫১ (১) ধারায় কোনো কোম্পানিকে ডি-লিষ্টিং করার জন্য চারটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো কোম্পানি যদি ৫ বছর ধরে ডিভিডেন্ড না দেয়, যদি কোনো কোম্পানি টানা তিনটি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে ব্যর্থ হয়, কোম্পানির স্বেচ্ছায় বা কোর্টের মাধ্যমে অবসায়ন বা তিন বছর

কার নিয়ন্ত্রণে বাজার?

বর্তমান মার্কেটের চিত্র একটু ঘোলাটেই বটে। মার্কেট যে নিজ গতিতে না চলে কারো ইশারায় চলছে সে বিষয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষকরা অব দ্য রেকর্ডে তাদের মতামত জানিয়েছেন। নাম না জানা চক্রের সদস্যরা এতোই শক্তিশালী যে তারা যেদিকে যায় গোটা মার্কেটটাই সেদিকে যায়। তারা চাইলে বাজারকে উঠাবে,চাইলে মার্কেটকে ফেলবে। একসময় মার্কেট অ্যানালাইটিক্যাল রিপোর্টগুলো পাওয়ারফুল এন্টিবায়োটিকের মতো

দৃষ্টি এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে

যদিও বাজার যেখানে নেমেছে এখান থেকে এমনিতেই বাড়ার কথা। ঈদের আগে ৪০০ পয়েন্টের বেশি কমানো হয়েছে। তলানিতে নেমে এসেছে বেশিরভাগ মৌলভিত্তি কোম্পানির শেয়ার দর। সে হিসেবে বর্তমান বাজার ঊর্ধ্বমুখী হবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে বাজারকে পুরোপুরি চাঙ্গা করার জন্য সব মহলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটু স্বদিচ্ছায় পুরো শেয়ারবাজারের চিত্রটাই বদলে দেবে।

বাজার পতনের নেপথ্যে কি বাজেট দায়ী নাকি অন্যকিছু

“ক্যাপিটাল মার্কেটের মানুষ বাজেটকে সমর্থন করেন নাই। বাজেটে করপোরেট কর ছাড়া কিছুই নাই তাও সবার নয় । কতোকিছু দেয়ার ছিলো!কতো প্রণোদনা! করমুক্ত ডিভিডেন্ড আয়ের সীমা বাড়ানো দরকার ছিলো” ইত্যাদি ইত্যাদি বলে প্রস্তাবিত বাজেটকে মনে হয় ডাস্টবিনে ফেলে দিলো। আসলেই কি আজকের বাজার পতনের নেপথ্যে বাজেট দায়ী নাকি অন্যকিছু এর ভেতর কাজ করছে? ব্যাংক, বীমা, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের

বিনিয়োগকারীরা আর কতো নি:স্ব হবে

২০১১ সালে পুঁজি হারিয়ে এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী মার্কেট থেকে হারিয়ে গেছে। ভালো মুনাফা করার আশায় যারাই মার্জিন ঋণ নিয়েছিলেন সেটিই তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফোর্সসেলে নি:স্ব হয়ে গেছেন অনেক বিনিয়োগকারী। যারা মার্জিন ঋণ না নিয়ে শেয়ার ধরে রেখেছিলেন তাদেরও পোর্টফোলিও’র অবস্থা খুবই করুণ পর্যায়ে ছিলো। তার ঠিক দু’বছর পর ২০১২-১৩ সালে আবারো পুঁজিবাজারে

ফারমার্স ব্যাংকের অভিভাবক থাকলেও পুঁজিবাজারের নেই

ফারমার্স ব্যাংক যখন লুটপাটের স্বর্গরাজ্য তখন কেউ গভীরভাবে খেয়াল করেনি আসলে ব্যাংকে কি ঘটেছে। কিন্তু দিন যত গেলো ব্যাংকের কোষাগার ততো খালি হতে লাগলো। ধীরে ধীরে সকলের চোখ পড়লো আর লুটেরাও ধরা খেলো। ব্যাংকটিকে বাঁচাতে সরকার যে প্রচেষ্টা চালিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। ব্যাংকটিকে স্বরূপে ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে ১৩০০ কোটি টাকার যোগান দেয়া হয়েছে।

অল্প টাকায় কিনতে পারলেই বেশি মুনাফা করা যায়

মার্কেটের বর্তমান যে সমস্যা সেটার মূল কারণ হচ্ছে ব্যাংক-লিজিংয়ের আর্নিং সিজন চলছে। আর প্রথম প্রান্তিকে বেশিরভাগ কোম্পানির আর্নিং ভয়ঙ্কর খারাপ হয়েছে। যদিও সারাজীবন ব্যাংক-লিজিংয়ের প্রথম প্রান্তিক খারাপ হয়ে থাকে। কারণ একটি ব্যাংক যখন ব্যবসা করবে তখন প্রথমেই সে পরিকল্পনা করে বছরজুড়ে কিভাবে ব্যবসা করবে। এগুলো করতে করতেই সময় চলে যায়। এ কারণে প্রথম প্রান্তিকে বেশি

Top