সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

আশ্বাসে আস্থা নেই: চাই বাস্তবায়্ন

আশ্বাসে আস্থা নেই: চাই বাস্তবায়্ন

চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩৯ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২২ কার্যদিবস সূচকের পতন হয়েছে। দৈনিক লেনদেন হয়েছে সর্বোচ্চ ৬২১ কোটি টাকা এবং সর্বনিম্ন ২৮৯ কোটি টাকা। সূচক ৬৩০০ পয়েন্ট থেকে ৫৮০০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। গুজবের খপ্পরে এমনভাবেই বিনিয়োগকারীদের বেঁধে ফেলা হয়েছে যে এর থেকে বের হতে কোনো আশ্বাস আর কাজ করছে না।

পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে যেসব বিষয় বিবেচনা করা উচিত

মার্কেটে এখন আর পলিটিক্যাল কোনো প্রভলেম নেই। বিএনপিও শান্ত অবস্থায় রয়েছে। এখন প্রয়োজন শুধু কোম্পানির রিয়েল অবস্থার ভিত্তি করে বিনিয়োগ করা। তবে মার্কেটে লিক্যুইটিডি ক্রাইসিস রয়েছে। কারণ মাত্র ৩০০ কোটি টাকার লেনদেনে বাজারে তারল্য সংকটের চিত্র ফুটে উঠে। গত কয়েকদিন দরপতন না হওয়ার পেছনে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয়তা থাকলেও তারল্য সংকট ছিলো প্রবল। আর এই তারল্য সংকট কাটাতে বাজার সংশ্লিষ্টরা

কেটে যাবে শঙ্কা: ঘুড়ে দাঁড়াবে পুঁজিবাজার

মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে অনেকেরই মনে নানা নেতিবাচক চিন্তা-ধারা ঘুরপাক খেয়েছে। কিন্তু পুঁজিবাজার বান্ধব মুদ্রানীতি ঘোষণার ফলে সেই নেতিবাচক চিন্তা-ধারা ইতিবাচকে রুপান্তর হয়েছে। এবারের মুদ্রানীতিতে পুঁজিবাজারকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংককে বিভিন্ন মহল থেকে সাধুবাদও জানানো হয়েছে। আর মুদ্রানীতির ইতিবাচক প্রভাব শিগগিরই বাজারে পড়বে এমনটাই প্রত্যাশা করছে বিশেষজ্ঞরা। তবে আজ কেন বাজারে এতো দরপতন হলো? এমন

এডি রেশিও আতঙ্ক দূর হোক: পুঁজিবাজারে আসবে বড় বিনিয়োগ

প্রতিদিন যদি একই লেবু কচলাতে থাকে তখন ঐ লেবু তিতা হয়ে যায় যার রসও থাকে না। ইদানিং আমাদের পুঁজিবাজারে প্রতিদিন মনে হয় সকালে ঘুম থেকে উঠেই মুদ্রানীতি আর এডি রেশিও’র চর্চা করা হচ্ছে। এডি রেশিও কমিয়ে দিলে মার্কেটে নেগেটিভ প্রভাব পড়বে। সেই আতঙ্কে এখনই শেয়ার বিক্রি করে মার্কেটে আগাম নেগেটিভ বার্তা দেয়া হচ্ছে। এগুলো সাধারণ মানুষের

পুঁজিবাজারে আসছে আমূল পরিবর্তন: আরেকটি প্রত্যাশার বছর শুরু

২০১৭ সালের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির তেমনটা ব্যবধান ছিলো না। সূচক,দৈনিক লেনদেন,বাজার মূলধন সবকিছুতেই যেন রেকর্ডের ছোঁয়া ছিলো। দুই হাজার কোটির ওপর দৈনিক লেনদেন, সূচক ৬ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম, ৪ লাখ কোটি টাকায় বাজার মূলধনের অবস্থান ইত্যাদি ইতিবাচক নির্দেশকগুলো সামনের বাজারকে আরো এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে। তবে ২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসছে। আর

ক্যাটাগরি পরিবর্তনে মার্জিন সুবিধা বন্ধ: পুনরায় আইনটি স্থগিত করা হোক

২০০৯ সালে মার্কেট ছোট ছিলো। ঐ সময়ে শেয়ার সংকটের পাশাপাশি দরও ছিলো আকাশচুম্বী। যে কারণে কোনো কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন হলে বা নতুন কোম্পানি বাজারে আসলে প্রথম ৩০ কার্যদিবস মার্জিন সুবিধা দেয়া যাবে না বলে ২০০৯ সালের ১ অক্টোবর নির্দেশনা জারি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা (কমিশনের আদেশ নং-এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০১-৪৩/১৬৯:তারিখ: অক্টোবর ০১, ২০০৯ এবং এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০১-৫০/১৬৭; তারিখ অক্টোবর ০১, ২০০৯)। তবে

মালিকানা বদলের গুজব: বলি হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

পুঁজিবাজারে বেশকিছু কোম্পানির মালিকানা বদল গুজবের খবর এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। কোনো মতে বাজারে একটি কোম্পানির খবর ছড়ালেই সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার দর হু হু করে বাড়তে থাকে। এতে এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী আঙ্গুল ফুলে কলা গাছের স্বাদ পেলেও বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর হায় হায় করতে হচ্ছে। বিষয়টি বেশ উদ্বেগজনক হলেও নীতিনির্ধারণী মহল তথ্য-প্রমাণ আর অভিযোগের অভাবে কিছুই করতে

ইপিএসের পরিবর্তনে কোম্পানিগুলোর ব্যাখ্যা নেই: বিএসইসির শক্ত ভূমিকা জরুরি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রান্তিক প্রতিবেদনে ইপিএস,এনএভিপিএস এবং এনওসিএফপিএসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসলে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এরকম নির্দেশনা দিলেও আমলে নিচ্ছে বেশিরভাগ কোম্পানি। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রান্তিক প্রতিবেদনে কোনো কোনো কোম্পানির ২০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু এর কোনো ব্যাখ্যা কোম্পানিগুলো উপস্থাপন করেনি। কেন কোম্পানির ইপিএস কমে

নেগেটিভ ইক্যুইটি: এখন থেকেই অ্যাডজাষ্ট করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন

বিশ্বের সকল পুঁজিবাজারেই উত্থান-পতন রয়েছে এবং বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আর পুঁজিবাজার উত্থান পতনের সাথে যারা সমন্বয় করতে পারেন তাদেরকেই সফল বিনিয়োগকারী বলা হয়। যদিও পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় ঋণ করে বিনিয়োগ সঠিক সিদ্ধান্ত নয় তবুও অনেক বিনিয়োগকারী নানা সময়ে মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ারে বিনিয়োগ করে থাকেন। ২০১০-১১ সালে পুঁজিবাজার ধ্বসের পর কোনো কোনো স্মার্ট

ইনডেক্স নিয়ে বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা হচ্ছে

আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ ইনডেক্সকে কেন্দ্র করে শেয়ার বেচা-কেনা করে। ইনডেক্স নামতে দেখলেই হাতের শেয়ার বিক্রি করে, আবার ইনডেক্স বাড়তে দেখলেই শেয়ার কেনা শুরু করে। আমাদের বিনিয়োগকারীদের এই আচরণকে পুঁজি করে একটি পক্ষ ইনডেক্স নিয়ে শুক্ষ কারচুরি করছে।যা একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলেই বোঝা যায়। . ব্যাংকের শেয়ার গুলো ইনডেক্সকে প্রভাবিত করে। আর তাই

Top