সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

পুঁজিবাজারে আসছে আমূল পরিবর্তন: আরেকটি প্রত্যাশার বছর শুরু

পুঁজিবাজারে আসছে আমূল পরিবর্তন: আরেকটি প্রত্যাশার বছর শুরু

২০১৭ সালের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির তেমনটা ব্যবধান ছিলো না। সূচক,দৈনিক লেনদেন,বাজার মূলধন সবকিছুতেই যেন রেকর্ডের ছোঁয়া ছিলো। দুই হাজার কোটির ওপর দৈনিক লেনদেন, সূচক ৬ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম, ৪ লাখ কোটি টাকায় বাজার মূলধনের অবস্থান ইত্যাদি ইতিবাচক নির্দেশকগুলো সামনের বাজারকে আরো এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে। তবে ২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসছে। আর

ক্যাটাগরি পরিবর্তনে মার্জিন সুবিধা বন্ধ: পুনরায় আইনটি স্থগিত করা হোক

২০০৯ সালে মার্কেট ছোট ছিলো। ঐ সময়ে শেয়ার সংকটের পাশাপাশি দরও ছিলো আকাশচুম্বী। যে কারণে কোনো কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন হলে বা নতুন কোম্পানি বাজারে আসলে প্রথম ৩০ কার্যদিবস মার্জিন সুবিধা দেয়া যাবে না বলে ২০০৯ সালের ১ অক্টোবর নির্দেশনা জারি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা (কমিশনের আদেশ নং-এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০১-৪৩/১৬৯:তারিখ: অক্টোবর ০১, ২০০৯ এবং এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০১-৫০/১৬৭; তারিখ অক্টোবর ০১, ২০০৯)। তবে

মালিকানা বদলের গুজব: বলি হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

পুঁজিবাজারে বেশকিছু কোম্পানির মালিকানা বদল গুজবের খবর এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। কোনো মতে বাজারে একটি কোম্পানির খবর ছড়ালেই সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার দর হু হু করে বাড়তে থাকে। এতে এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী আঙ্গুল ফুলে কলা গাছের স্বাদ পেলেও বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর হায় হায় করতে হচ্ছে। বিষয়টি বেশ উদ্বেগজনক হলেও নীতিনির্ধারণী মহল তথ্য-প্রমাণ আর অভিযোগের অভাবে কিছুই করতে

ইপিএসের পরিবর্তনে কোম্পানিগুলোর ব্যাখ্যা নেই: বিএসইসির শক্ত ভূমিকা জরুরি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রান্তিক প্রতিবেদনে ইপিএস,এনএভিপিএস এবং এনওসিএফপিএসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসলে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এরকম নির্দেশনা দিলেও আমলে নিচ্ছে বেশিরভাগ কোম্পানি। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রান্তিক প্রতিবেদনে কোনো কোনো কোম্পানির ২০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু এর কোনো ব্যাখ্যা কোম্পানিগুলো উপস্থাপন করেনি। কেন কোম্পানির ইপিএস কমে

নেগেটিভ ইক্যুইটি: এখন থেকেই অ্যাডজাষ্ট করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন

বিশ্বের সকল পুঁজিবাজারেই উত্থান-পতন রয়েছে এবং বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আর পুঁজিবাজার উত্থান পতনের সাথে যারা সমন্বয় করতে পারেন তাদেরকেই সফল বিনিয়োগকারী বলা হয়। যদিও পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় ঋণ করে বিনিয়োগ সঠিক সিদ্ধান্ত নয় তবুও অনেক বিনিয়োগকারী নানা সময়ে মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ারে বিনিয়োগ করে থাকেন। ২০১০-১১ সালে পুঁজিবাজার ধ্বসের পর কোনো কোনো স্মার্ট

ইনডেক্স নিয়ে বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা হচ্ছে

আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ ইনডেক্সকে কেন্দ্র করে শেয়ার বেচা-কেনা করে। ইনডেক্স নামতে দেখলেই হাতের শেয়ার বিক্রি করে, আবার ইনডেক্স বাড়তে দেখলেই শেয়ার কেনা শুরু করে। আমাদের বিনিয়োগকারীদের এই আচরণকে পুঁজি করে একটি পক্ষ ইনডেক্স নিয়ে শুক্ষ কারচুরি করছে।যা একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলেই বোঝা যায়। . ব্যাংকের শেয়ার গুলো ইনডেক্সকে প্রভাবিত করে। আর তাই

ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে বাজার মূলধন: বাড়ছে প্রত্যাশা

বর্তমান পুঁজিবাজারে বাজার মূলধনের পরিমাণ ৪ লাখ ২ হাজার ৯০ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ বাজার মূলধন। এদিকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য দেশের বাজেট ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ সামগ্রিক অর্থনীতির মোট বাজেটের চেয়েও বেশি হচ্ছে বর্তমান পুঁজিবাজারের মূলধন। এই খুশির খবরের পাশাপাশি আরো একটি খুশির খবর হচ্ছে আজ সূচক ৬ হাজার

মিউচ্যুয়াল ফান্ড: বেশি কমিশনের আশায় বিনিয়োগকারীর ক্ষতি করবেন না

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধন করে অ্যাসেট ম্যানেজারদের ডিভিডেন্ড হিসেবে রি-ইনভেষ্টমেন্ট বা স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার রাস্তা খুলে দিয়েছে। সেই সুযোগে অ্যাসেট ম্যানেজাররাও রি-ইনভেষ্টমেন্ট ইউনিট (আরআইইউ) প্রদানে কোনো কৃপণতা করছে না। কিন্তু তাদের এই স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার ফলে দিনের পর দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ধরা যাক, ২০০ কোটি টাকার কোনো

দয়া করে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এটা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করবেন

মো: আব্দুল মতিন চয়ন। তিনি ICML রাজশাহী শাখার মাধ্যমে শেয়ার ব্যবসা করেন। তার অ্যাকাউন্ট নং- ২৬৮৩ এবং ২৮০০। রাত ১ টায় বাজে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমে তার মেইল এবং টাইটেল হচ্ছে ‘দয়া করে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এটা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করবেন’। সেই শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে লেখালেখির মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকম। যখনই ক্ষতিগ্রস্তদের

লেনদেনের শ্লথগতিতে তিন ইস্যুর প্রভাব ক্ষণিকের

বর্তমানে বাজারে দৈনিক লেনদেনে শ্লথগতি কাজ করছে। প্রতিমাসের শেষেই লেনদেনে একটু ভাটা থাকে সেটা বিগত মাসগুলোর চিত্র দেখলেই বোঝা যায়। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক মাসের শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান তথা ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে বাড়তি তদারকি করে থাকে। প্রতিটি কোম্পানিকেই পুঁজিবাজারে এক্সপোজারের বিষয়ে মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংককে তথ্য দিতে হয়। আর এই তথ্যে এক্সপোজার যেন নির্দিষ্ট সীমার

Top