সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে বাজার মূলধন: বাড়ছে প্রত্যাশা

ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে বাজার মূলধন: বাড়ছে প্রত্যাশা

বর্তমান পুঁজিবাজারে বাজার মূলধনের পরিমাণ ৪ লাখ ২ হাজার ৯০ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ বাজার মূলধন। এদিকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য দেশের বাজেট ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ সামগ্রিক অর্থনীতির মোট বাজেটের চেয়েও বেশি হচ্ছে বর্তমান পুঁজিবাজারের মূলধন। এই খুশির খবরের পাশাপাশি আরো একটি খুশির খবর হচ্ছে আজ সূচক ৬ হাজার

মিউচ্যুয়াল ফান্ড: বেশি কমিশনের আশায় বিনিয়োগকারীর ক্ষতি করবেন না

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধন করে অ্যাসেট ম্যানেজারদের ডিভিডেন্ড হিসেবে রি-ইনভেষ্টমেন্ট বা স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার রাস্তা খুলে দিয়েছে। সেই সুযোগে অ্যাসেট ম্যানেজাররাও রি-ইনভেষ্টমেন্ট ইউনিট (আরআইইউ) প্রদানে কোনো কৃপণতা করছে না। কিন্তু তাদের এই স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার ফলে দিনের পর দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ধরা যাক, ২০০ কোটি টাকার কোনো

দয়া করে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এটা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করবেন

মো: আব্দুল মতিন চয়ন। তিনি ICML রাজশাহী শাখার মাধ্যমে শেয়ার ব্যবসা করেন। তার অ্যাকাউন্ট নং- ২৬৮৩ এবং ২৮০০। রাত ১ টায় বাজে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমে তার মেইল এবং টাইটেল হচ্ছে ‘দয়া করে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এটা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করবেন’। সেই শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে লেখালেখির মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকম। যখনই ক্ষতিগ্রস্তদের

লেনদেনের শ্লথগতিতে তিন ইস্যুর প্রভাব ক্ষণিকের

বর্তমানে বাজারে দৈনিক লেনদেনে শ্লথগতি কাজ করছে। প্রতিমাসের শেষেই লেনদেনে একটু ভাটা থাকে সেটা বিগত মাসগুলোর চিত্র দেখলেই বোঝা যায়। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক মাসের শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান তথা ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে বাড়তি তদারকি করে থাকে। প্রতিটি কোম্পানিকেই পুঁজিবাজারে এক্সপোজারের বিষয়ে মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংককে তথ্য দিতে হয়। আর এই তথ্যে এক্সপোজার যেন নির্দিষ্ট সীমার

নতুন টাকার প্রবেশ: সরগরম পুঁজিবাজার

“আমি শেয়ার কিনলেই দর কমে যায়” অনেক বিনিয়োগকারীর মুখে শোনা এই কথাটির বিপরীতে এখনো কোনো যুক্তি খুঁজে পেলাম না। তবে মার্কেটের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককেই কারো না কারো সঙ্গে লিঙ্ক করে শেয়ার কেনা-বেচা করেন এটা নিশ্চিত। বাজার ঊর্ধ্বমুখী হলেই এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারীর ‘জেড’ এর দিকে বেশি ঝোঁক দিতে দেখা যায়। “টাকা কামাইতে হইলে ‘জেড’ দিয়াই কামাইতে

বাজেট নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই

বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য বাড়তি কোনো প্রণোদনা দেয়া হয়নি। আবার নেতিবাচক এমন কোনো ইস্যু রাখা হয়নি যার প্রভাব পুঁজিবাজারে পড়বে। তাই এই বাজেট নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যা ছিল তাই আছে। সুতরাং প্যানিক হওয়া মানে এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের কম দরে শেয়ার কেনার সুযোগ করে দেয়া। প্রস্তাবিত বাজেটে আশার কথা হলো অল্টারনেটিভ ইনভেষ্টমেন্টকে উৎসাহিত করা হয়েছে। পুঁজিবাজারের জন্য

মিউচ্যুয়াল ফান্ড: স্টক ডিভিডেন্ড ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে বিনিয়োগ বন্ধ হোক

যেকোন দেশের পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারকে শক্তিশালী করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। সাধারণ বিনিয়োগকারী, পেনশন হোল্ডারস, গৃহিনী যারা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করার চেয়ে পেশাদার ফান্ড ম্যানেজার কর্তৃক পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে বছর শেষে ভাল লভ্যাংশ পায়। আমাদের দেশের মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অবস্থা ঠিক বিপরীত, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারকে কোনভাবেই প্রভাবিত করতে পারছে না। সামগ্রিক বাজার মূলধন,

ক্যাশ ডিভিডেন্ডের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানির ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা উচিত

কোম্পানিগুলো একের পর বোনাস শেয়ার ইস্যু করছে। এতে স্টক এক্সচেঞ্জের ক্যাটাগরি পরিবর্তন হচ্ছে। পরিচালকরাও বোনাস শেয়ার বিক্রি করে মোটা অঙ্কের মুনাফা নিচ্ছে। কিন্তু বিনিয়োগকারীরা কি পাচ্ছে? যে বোনাস শেয়ার পাচ্ছে এতে থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের মাধ্যমে যেই লাউ সেই কদুই থাকছে। বোনাস শেয়ারটা কি আদৌ কোনো ডিভিডেন্ড? মূল ডিভিডেন্ড বলে যা বোঝানো হয় সেটাই হচ্ছে ক্যাশ ডিভিডেন্ড।

প্রতিবারই কি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সর্বশান্ত হবেন?

সূচক আবারো সাড়ে পাঁচ হাজারের নিচে নেমে এসেছে। টানা চার কার্যদিবস বাজার পতনে দৈনিক লেনদেনেও বৈরিভাব বিরাজ করছে। গত ১১ কার্যদিবস ধরে লেনদেন হাজার কোটির ধারে কাছেও যেতে পারেনি।  এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের মনে আতঙ্ক তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। গেল মার্চ মাসে অনেক বিনিয়োগকারী প্রফিট নিয়ে বের হয়েছেন। তারা এখনো নতুন করে বিনিয়োগে আসছেন না।

আর্নিংস কল কোম্পানির সুশাসনে নাটকীয় পরিবর্তন আনবে

গ্রামীন ফোন, ব্রাক ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড তালিকাভুক্ত এই তিন কোম্পানি নিয়মিত তাদের আর্নিংস কল করে থাকে। তাদের প্রান্তিক প্রতিবেদন থেকে শুরু করে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে তুলে ধরে। আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন জবাবদিহিতামূলক কার্যক্রম তৈরি করার জন্যই মূলত কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে আর্নিংস কল করা হয়। আমেরিকাসহ বিভিন্ন বড়

Top