সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

ক্যাশ ডিভিডেন্ডের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানির ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা উচিত

ক্যাশ ডিভিডেন্ডের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানির ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা উচিত

কোম্পানিগুলো একের পর বোনাস শেয়ার ইস্যু করছে। এতে স্টক এক্সচেঞ্জের ক্যাটাগরি পরিবর্তন হচ্ছে। পরিচালকরাও বোনাস শেয়ার বিক্রি করে মোটা অঙ্কের মুনাফা নিচ্ছে। কিন্তু বিনিয়োগকারীরা কি পাচ্ছে? যে বোনাস শেয়ার পাচ্ছে এতে থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের মাধ্যমে যেই লাউ সেই কদুই থাকছে। বোনাস শেয়ারটা কি আদৌ কোনো ডিভিডেন্ড? মূল ডিভিডেন্ড বলে যা বোঝানো হয় সেটাই হচ্ছে ক্যাশ ডিভিডেন্ড।

প্রতিবারই কি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সর্বশান্ত হবেন?

সূচক আবারো সাড়ে পাঁচ হাজারের নিচে নেমে এসেছে। টানা চার কার্যদিবস বাজার পতনে দৈনিক লেনদেনেও বৈরিভাব বিরাজ করছে। গত ১১ কার্যদিবস ধরে লেনদেন হাজার কোটির ধারে কাছেও যেতে পারেনি।  এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের মনে আতঙ্ক তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। গেল মার্চ মাসে অনেক বিনিয়োগকারী প্রফিট নিয়ে বের হয়েছেন। তারা এখনো নতুন করে বিনিয়োগে আসছেন না।

আর্নিংস কল কোম্পানির সুশাসনে নাটকীয় পরিবর্তন আনবে

গ্রামীন ফোন, ব্রাক ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড তালিকাভুক্ত এই তিন কোম্পানি নিয়মিত তাদের আর্নিংস কল করে থাকে। তাদের প্রান্তিক প্রতিবেদন থেকে শুরু করে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে তুলে ধরে। আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন জবাবদিহিতামূলক কার্যক্রম তৈরি করার জন্যই মূলত কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে আর্নিংস কল করা হয়। আমেরিকাসহ বিভিন্ন বড়

বিএসইসি’র আইনে শুভঙ্করের ফাঁকি

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রান্তিক হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রতিবেদনে গড়মিল থাকলে তার জন্য কোন শাস্তির বিধান নেই। বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। প্রায়ই শোনা যায়, প্রান্তিক প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে কিংবা বাড়িয়ে শেয়ারের দর নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই অভিযোগ পুরানো হলেও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এখন পযর্ন্ত এ নিয়ে কোন

বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত: সেবি পারলে বিএসইসি কেন নয়

ভারতের দুটি বাঘা বাঘা কোম্পানির সম্পত্তি জব্দ করে নজির স্থাপন করেছে দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (সেবি)। উদ্দেশ্য একটাই এসব কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করা। সাহারা গ্রুপের অ্যাম্বী ভ্যালি এবং রিয়েল স্টেট কোম্পানি পিএসিএল লিমিটেডের সঙ্গে অনেক ক্ষমতাবান ব্যক্তি জড়িত থাকলেও কোনো পাত্তাই দেয়নি সেবি। সম্প্রতি ঘটে

আইপিও আবেদনে উভয় পদ্ধতি চালু রাখা হোক

অনেক আশা নিয়ে ১০ টাকা শেয়ারের একটি কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করেছেন কতিপয় বিনিয়োগকারী। লটারির রেজাল্ট দেয়ার পর অনেক খোজাখুজি করেও তার আইডি মিলাতে পারেননি। হতাশ হয়ে ভাগ্যের দোষ দিয়ে চুপ করে রইলেন। কিছুদিন পর দেখলেন যে আইপিও লিষ্টের ওপর ভিত্তি করে লটারি করা হয়েছে সে লিষ্টে তার আইডিই ছিল না। তার নামে হাউজের পক্ষ থেকে

শঙ্কার কিছু নেই তবুও সতর্কতা প্রয়োজন

যদিও বাজারকে স্থায়ী স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য  সরকারসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই তবুও ‘সাবধানের মাইর নাই’ প্রচলিত এই প্রবাদটি মনে না রাখলেই নয়। যেভাবে সূচক ও লেনদেনের গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বর্তমান পুঁজিবাজার গতিশীলতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এখই বিনিয়োগকারীদের সাবধানের সঙ্গে লেনদেন করতে হবে। অযৌক্তিক অতিরিক্ত দরে বিনিয়োগ করা থেকে

পুঁজিবাজার কি পারবে অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে?

বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আগেই বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো থেকে নেয়া কিছু তথ্য প্রকাশ করা হলো। নিচে বিগত ৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চিত্র: ☛বাংলাদেশের মাথাপিছু গড় আয় (মার্কিন ডলার) ২০০৯-২০১০ সালে ছিল = ৮২৯ ডলার ২০১০-২০১১ সালে ছিল = ৯২৯ ডলার ২০১১-২০১২ সালে ছিল = ৯৫৫ ডলার      ২০১২-২০১৩ সালে ছিল = ১০৫৮ ডলার    

নুতন টাকার ঝল্কানিতে আলোকিত পুঁজিবাজার

চলতি বছরের শুরুটাই যেন বিগত দিনের অন্ধকার দূর করার আলো নিয়ে এসেছে। টানা ১০ কার্যদিবস দৈনিক লেনদেন হাজার কোটির ওপরে অবস্থান করাটা শুধু ভাবিয়ে তোলে যে এতোদিন এই টাকাগুলো কোথায় ছিল। যেমনটা মনে হয়েছিল ৬ বছর আগে যে বাজারের এতো টাকা কোথায় গেল। তবে পোর্টফলিও ম্যানেজারদের কাছে এটি হচ্ছে ৭ বছরের পুনরাবৃত্তি। অর্থাৎ প্রতি ৭ বছর

নতুন বছরে পুঁজিবাজারের হারানো গৌরব ফিরে আসুক

২০১৬ সালের প্রথম ছয় মাস বাজার ঢিমেতালে চললেও শেষ ছয় মাস কেটেছে নতুন সূর্যদোয়ের মতো। মূলত জুলাই মাসে এক্সপোজার ইস্যুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা দেয়ার পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এছাড়া বাজারের প্রতি আস্থা আরো গভীর করার জন্য সরকারের আন্তরিকতার কোনো কমতি ছিল না। ‘পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতায় যা করণীয় সবই করা হবে’ নীতিনির্ধারণী

Top