সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

বিনিয়োগকারীদের বাঁচতে দিন: সেনসেটিভ মার্কেটে নেতিবাচক কথা নয়

বিনিয়োগকারীদের বাঁচতে দিন: সেনসেটিভ মার্কেটে নেতিবাচক কথা নয়

শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের সব রাষ্ট্রেই পুঁজিবাজার একটি ‘স্পর্শকাতর জায়গা’। ফলে সামান্যতম নেতিবাচক খবরে এখানে বাজারের জন্য বয়ে আনতে পারে বড় ধরনের পতন। বাজারে উত্থান বা পতন থাকবে এটাই বাজারের স্বাভাবিক ধর্ম। তবে দায়িত্বশীল মহল থেকে কোনো নেতিবাচক মন্তব্যে বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি হোক সেটা কারোই কাম্য নয়। এতে যেমন বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেমনি বাজারেও নানা

কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে ন্যাশনাল টিউবস

পুঁজিবাজারে গত কয়েক দিনের আলোচিত শেয়ারের নাম ন্যাশনাল টিউবস। এই শেয়ারটি নিয়ে আলোচনার অন্যতম কারন ছিল সৌদি আরবের আল জামিল গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল এই কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শন করেছেন। আর চায়নার সিনোস্টিল মেটালস রিসোর্স কোম্পানির প্রতিনিধি দল স্টিল ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের সম্ভবনা রয়েছে। বলা হচ্ছে, উল্লেখিত দুই বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে। আর যেহেতু সৌদি কোম্পানিটি ন্যাশনাল

অভিন্ন ফেসভ্যালু: একটি ঘোষণায় স্বচ্ছতার আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে পুঁজিবাজার

পুঁজিবাজার শতভাগ অভিন্ন ফেসভ্যালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল আরো ৫ বছর আগে। উদ্দেশ্য ছিল ফেসভ্যালু ইস্যুতে যেনো কোনো কারসাজির ঘটনা না ঘটে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে সবগুলো কোম্পানি অভিন্ন ফেসভ্যালুতে আসলেও আইসিবি, জনতা ইন্স্যুরেন্স ও বিএসসি তাদের শেয়ারের ফেসভ্যালু ১০ টাকা করতে পারেনি। যদিও পরবর্তীতে নানা জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আইসিবি

একদিনের লেনদেন গিয়ে ঠেকেছে ৭ দিনে!

সময়টা ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর। যেদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) একদিনের লেনদেন ২ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছিল। সেইদিন থেকে ৭ ডিসেম্বর ২০১০ পর্যন্ত টানা দৈনিক গড় লেনদেন ছিল আড়াই হাজার কোটি টাকা। এমনও দিন অতিবাহিত হয়েছে যেদিন(৫ ডিসেম্বর,২০১০)  পুঁজিবাজারে লেনদেনে রেকর্ড হয়েছিল ৩ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। তারপর থেকে পুঁজিবাজারে যেন রাহুর দশা পড়েছে।

সবকিছু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপিয়ে দিবেন না

চলতি বছরে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু রুলস),২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনের অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে তেমন কোনো অভিযোগ না থাকলেও ‘প্রিমিয়াম নিতে হলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হতে হবে’ এই ইস্যুটিকে ঘিরেই বিনিয়োগকারীদের আপত্তি বেঁধেছে। কারণ বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মত প্রকাশের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। যে সুবিধা দেয়া

নিয়মিত করদাতার জন্য বাড়তি চাপ: ঝুঁকিতে ব্যাক্তিখাতের বিনিয়োগ

যদি আপনি একজন নিয়মিত ব্যক্তি করদাতা হন, তাহলে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত বাজেটের কারণে আপনার ওপর করের বোঝা আরও বাড়বে। কীভাবে সেটি বাড়বে? আসুন এবার তার হিসাব মেলানো যাক। ঘোষিত বাজেটে সাধারণ ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে কমানো হয়েছে করদাতার বিনিয়োগ-সুবিধা। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো করদাতা তাঁর

পুঁজিবাজারে এই নোংরামির শেষ কোথায়

  দেশে এখন কোন রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই। নেই কোন বিরোধী দলের কর্ম তৎপরতা। দেশে কোথাও কোন জ্বালাও পোড়াও নেই। সরকারের ভাষ্য মনে দেশে এখন আইনের শাসন বিরাজমান। দেশ এখন বিদ্যুৎ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মুদ্রাস্ফীতি এখন পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এখন ধারনা করা হচ্ছে ৭ এর কাছাকাছি হবে। দেশে এখন কোন সমস্যা নেই।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বন্ধ দরজা গুলো খুলে দিতে হবে

দেশের কোন রুগ্ন শিল্প খাতকে চাঙা করতে হলে সবার প্রথম দেশের সরকারকেই এগিয়ে আসতে হয়। কারন কোন রুগ্ন খাতে কখনও প্রাইভেট খাতের টাকা আসেনা। প্রাইভেট বলেন বা ব্যক্তি বলেন তারা সবাই মুনাফার কাণ্ডারি। তারা তাদের টাকার নিশ্চয়তা সবার আগে খুজে। যেখানে নুন্নতম লোকসান হবার সম্ভাবনা থাকে সেই খাতে ব্যক্তি পর্যায়ের টাকা বিনিয়োগ আসেনা। লক্ষ করলে

বাংলাদেশ ব্যাংক সুদৃষ্টি দিলেই পুঁজিবাজার গতিশীল হবে

পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু সিদ্ধান্ত দায়ী– একথা বাজার সংশ্লিষ্ট প্রায় সবার মনেই যেন গেঁথে রয়েছে। পূর্বের ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১ অনুযায়ী বান্যিজ্যিক ব্যাংকসমূহ আমানত বা দায়ের ১০ শতাংশ পরিমাণ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারতো। আর এই ১০ শতাংশের হিসাব অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে গড়ে এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করার সুযোগ ছিল। কিন্তু ব্যাংকগুলোর

কোম্পানি সিএফও’র ধমক এবং আমাদের প্রত্যাশা

তালিকাভুক্তির মাত্র ৮ দিনের মাথায় রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লি: নামের একটি কোম্পানির শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের থেকে ৫.৭০ টাকা কমেছে। অথচ কোম্পানিটি ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সাথে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা করে প্রতিটি শেয়ারের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে। দুর্ভাগ্যের বিষয় যেদিন স্টক এক্সচেঞ্জগুলোয় এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হয় সেদিন থেকেই

Top