সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ে কি কোম্পানির শক্তি বেশি

নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ে কি কোম্পানির শক্তি বেশি

নিয়ন্ত্রক সংস্থার চোখের সামনে কিছু কোম্পানি বোর্ডসভার তারিখ ঘোষণা ছাড়াই আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জেরও গোচরে এসেছে। কিন্তু তাদের নিরব ভূমিকা সত্যিই হতাশাজনক। আইন করে পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে জোর দেয়া হলেও চল্লিশোর্ধ কোম্পানির পরিচালকরা তা পরিপালনে কোনো ভ্রুক্ষেপ করছে না। অথচ এদের বিষয়ে কোনো কার্যকরি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। অবস্থা দৃষ্টে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন

শুধুই স্টক ডিভিডেন্ড! এক নির্মম প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়

পুঁজিবাজারকে বাপের হোটেল মনে করার কোনো সুযোগ আছে কিনা সে প্রশ্নের জবাব সংশ্লিষ্ট স্টোকহোল্ডারদের কাছ থেকেই পাওয়ার আশায় রইলাম। কিছু কোম্পানি নিজেদের তৈরি করা বিপুল পরিমাণ ব্যাংক ঋণের দায় ঘোচাতে বা ব্যবসা বাড়াতে বাজার থেকে টাকা নিয়েছে। অথচ এসব কোম্পানিতে নগদ টাকা বিনিয়োগ করেও বিনিয়োগকারীদের স্টক ডিভিডেন্ডের নামে কাগজ ছাড়া কিছুই মেলেনি। কোম্পানিগুলো যদি ব্যাংক

আইপিও শেয়ার: পুঁজিবাজারের এই দুর্দশা কি কখনও কাটবে না?

একটু লক্ষ্য করুন সেই সঙ্গে চিন্তা করুন, বর্তমানে পুঁজিবাজারে কি ধরনের কোম্পানি তালিকা ভুক্ত হচ্ছে। লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেনঃ ⇨ পলিথিন কোম্পানি ⇨ প্রিন্টিং কোম্পানি  ⇨ জুতার কোম্পানি ⇨পেপার মিল ইত্যাদি। আমরা সবাই জানি বাজারে নুতন নুতন শেয়ার আসলে বাজারের গভীরতা বাড়ে। নুতন নুতন টাকা ঢুকে। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন তো উপরে বর্ণিত

বিনিয়োগকারীদের বাঁচতে দিন: সেনসেটিভ মার্কেটে নেতিবাচক কথা নয়

শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের সব রাষ্ট্রেই পুঁজিবাজার একটি ‘স্পর্শকাতর জায়গা’। ফলে সামান্যতম নেতিবাচক খবরে এখানে বাজারের জন্য বয়ে আনতে পারে বড় ধরনের পতন। বাজারে উত্থান বা পতন থাকবে এটাই বাজারের স্বাভাবিক ধর্ম। তবে দায়িত্বশীল মহল থেকে কোনো নেতিবাচক মন্তব্যে বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি হোক সেটা কারোই কাম্য নয়। এতে যেমন বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেমনি বাজারেও নানা

কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে ন্যাশনাল টিউবস

পুঁজিবাজারে গত কয়েক দিনের আলোচিত শেয়ারের নাম ন্যাশনাল টিউবস। এই শেয়ারটি নিয়ে আলোচনার অন্যতম কারন ছিল সৌদি আরবের আল জামিল গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল এই কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শন করেছেন। আর চায়নার সিনোস্টিল মেটালস রিসোর্স কোম্পানির প্রতিনিধি দল স্টিল ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের সম্ভবনা রয়েছে। বলা হচ্ছে, উল্লেখিত দুই বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে। আর যেহেতু সৌদি কোম্পানিটি ন্যাশনাল

অভিন্ন ফেসভ্যালু: একটি ঘোষণায় স্বচ্ছতার আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে পুঁজিবাজার

পুঁজিবাজার শতভাগ অভিন্ন ফেসভ্যালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল আরো ৫ বছর আগে। উদ্দেশ্য ছিল ফেসভ্যালু ইস্যুতে যেনো কোনো কারসাজির ঘটনা না ঘটে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে সবগুলো কোম্পানি অভিন্ন ফেসভ্যালুতে আসলেও আইসিবি, জনতা ইন্স্যুরেন্স ও বিএসসি তাদের শেয়ারের ফেসভ্যালু ১০ টাকা করতে পারেনি। যদিও পরবর্তীতে নানা জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আইসিবি

একদিনের লেনদেন গিয়ে ঠেকেছে ৭ দিনে!

সময়টা ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর। যেদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) একদিনের লেনদেন ২ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছিল। সেইদিন থেকে ৭ ডিসেম্বর ২০১০ পর্যন্ত টানা দৈনিক গড় লেনদেন ছিল আড়াই হাজার কোটি টাকা। এমনও দিন অতিবাহিত হয়েছে যেদিন(৫ ডিসেম্বর,২০১০)  পুঁজিবাজারে লেনদেনে রেকর্ড হয়েছিল ৩ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। তারপর থেকে পুঁজিবাজারে যেন রাহুর দশা পড়েছে।

সবকিছু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপিয়ে দিবেন না

চলতি বছরে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু রুলস),২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনের অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে তেমন কোনো অভিযোগ না থাকলেও ‘প্রিমিয়াম নিতে হলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত হতে হবে’ এই ইস্যুটিকে ঘিরেই বিনিয়োগকারীদের আপত্তি বেঁধেছে। কারণ বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মত প্রকাশের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। যে সুবিধা দেয়া

নিয়মিত করদাতার জন্য বাড়তি চাপ: ঝুঁকিতে ব্যাক্তিখাতের বিনিয়োগ

যদি আপনি একজন নিয়মিত ব্যক্তি করদাতা হন, তাহলে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত বাজেটের কারণে আপনার ওপর করের বোঝা আরও বাড়বে। কীভাবে সেটি বাড়বে? আসুন এবার তার হিসাব মেলানো যাক। ঘোষিত বাজেটে সাধারণ ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে কমানো হয়েছে করদাতার বিনিয়োগ-সুবিধা। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো করদাতা তাঁর

পুঁজিবাজারে এই নোংরামির শেষ কোথায়

  দেশে এখন কোন রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই। নেই কোন বিরোধী দলের কর্ম তৎপরতা। দেশে কোথাও কোন জ্বালাও পোড়াও নেই। সরকারের ভাষ্য মনে দেশে এখন আইনের শাসন বিরাজমান। দেশ এখন বিদ্যুৎ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মুদ্রাস্ফীতি এখন পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এখন ধারনা করা হচ্ছে ৭ এর কাছাকাছি হবে। দেশে এখন কোন সমস্যা নেই।

Top