সম্পাদকীয় এর সকল সংবাদ

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বন্ধ দরজা গুলো খুলে দিতে হবে

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বন্ধ দরজা গুলো খুলে দিতে হবে

দেশের কোন রুগ্ন শিল্প খাতকে চাঙা করতে হলে সবার প্রথম দেশের সরকারকেই এগিয়ে আসতে হয়। কারন কোন রুগ্ন খাতে কখনও প্রাইভেট খাতের টাকা আসেনা। প্রাইভেট বলেন বা ব্যক্তি বলেন তারা সবাই মুনাফার কাণ্ডারি। তারা তাদের টাকার নিশ্চয়তা সবার আগে খুজে। যেখানে নুন্নতম লোকসান হবার সম্ভাবনা থাকে সেই খাতে ব্যক্তি পর্যায়ের টাকা বিনিয়োগ আসেনা। লক্ষ করলে

বাংলাদেশ ব্যাংক সুদৃষ্টি দিলেই পুঁজিবাজার গতিশীল হবে

পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু সিদ্ধান্ত দায়ী– একথা বাজার সংশ্লিষ্ট প্রায় সবার মনেই যেন গেঁথে রয়েছে। পূর্বের ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯১ অনুযায়ী বান্যিজ্যিক ব্যাংকসমূহ আমানত বা দায়ের ১০ শতাংশ পরিমাণ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারতো। আর এই ১০ শতাংশের হিসাব অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে গড়ে এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করার সুযোগ ছিল। কিন্তু ব্যাংকগুলোর

কোম্পানি সিএফও’র ধমক এবং আমাদের প্রত্যাশা

তালিকাভুক্তির মাত্র ৮ দিনের মাথায় রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লি: নামের একটি কোম্পানির শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের থেকে ৫.৭০ টাকা কমেছে। অথচ কোম্পানিটি ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সাথে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা করে প্রতিটি শেয়ারের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে। দুর্ভাগ্যের বিষয় যেদিন স্টক এক্সচেঞ্জগুলোয় এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হয় সেদিন থেকেই

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক পয়সাও খরচ হয়নি: খুশি হয়েছে লাখ লাখ মানুষ

প্রধানমন্ত্রীর এক ঘোষণায় চাঙ্গা হয়ে উঠেছে শেয়ারবাজার। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফিরে এসেছে প্রাণ চাঞ্চল্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে এমন শীর্ষ পর্যায় থেকে এ ধরনের একটি ঘোষণার প্রত্যাশায় ছিল। মূলত একটি পতনশীল বাজারকে স্থিতিশীল করতে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দায়িত্বপূর্ন বক্তব্য অপরিহার্য। কিন্তু দু:খজনক বিষয় হলো বিশ্বের সব দেশে এই রেওয়াজটি থাকলেও আমাদের দেশে তা একেবারেই অনুপস্থিত। বিশেষ করে যিনি

দুই এক্সচেঞ্জের নির্বাহীরা কি নিরোর চেয়েও অধম

রোম যখন জ্বলছে নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছে। ঘটনাটির সত্য মিথ্যা জানিনা তবে ছোটবেলা থেকে এটিকে একটি প্রবাদবাক্য হিসাবে জেনে আসছি। যারা জানেন না তাদের জন্য ঘটনাটির সার সংক্ষেপ হচ্ছে,বহি:শক্তি দ্বারা রোম আক্রান্ত হয়েছে, চারদিকে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন, শেষ হয়ে যাচ্ছে রোম সম্রাজ্য, আর ঠিক তখন মনের সুখে বাঁশি বাজাচ্ছে রোমান সম্রাট নিরো। প্রবাদটির সাথে

সূচকের এক পয়েন্ট পতনে বুকে একটি সেল বিদ্ধ হচ্ছে

প্রতিদিনই সূচক পড়ছে। রোববার পড়লো প্রায় ৬০ পয়েন্ট। আগের কার্যদিবসে ৯ পয়েন্ট আর বুধবার পড়েছে ৪০ পয়েন্ট। একেকটি পয়েন্টের পতন যেনো বিনিয়োগকারীদের বুকে একেকটি সেলের মতো বিদ্ধ হচ্ছে। শেয়ার বাজারে ব্যবসা করে যারা জীবনযাপন করছেন শুধু তারাই নন যারা কষ্টে শিষ্টে কিংবা ধারদেনা করে গত ৫ বছর ধরে এখানে বিনিয়োগ করছেন তাদের অনেকেই শারিরিকভাবে কাবু

শেয়ার বাজার: গভর্ণরের কি কোনই দায় নেই

  অবশেষে গভর্ণরের পদত্যাগ দাবী করলেন সাধারন বিনিয়োগকারীরা। মতিঝিলের রাজপথে গত ২ নভেম্বর দুপুরে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে বিনিয়োগকারীরা এই দাবী জানান। নিবর্তনমূলক রাজনৈতিক নিপিড়নের শিকার হয়েও এই বিনিয়োগকারীরা রাজপথে নেমেছে তাদের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিতান্তই তাদের জীবন বাঁচাতে এবং ছেলে মেয়ে ও পরিবার পরিজনের জীবন রক্ষার্থে। মূলত গভর্ণরের বিরুদ্ধে

পুঁজিবাজার ট্রাইব্যুনাল নিয়ে চেয়ারম্যান কি ভাবছেন

পুঁজিবাজার বিষয়ক আদালত প্রতিষ্ঠার পর ইতিমধ্যে তিনটি মামলার রায় হয়ে গেছে। রায়ে প্রায় প্রত্যেকটি মামলার ফলাফল গেছে বিনিয়োগকারীদের পক্ষে। এ সংক্রান্ত খবরা খবর প্রকাশের পর অভিযুক্ত এবং কারসাজি চক্র বিশেষ করে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ে যারা খেলাধুলা করেন তারা একটু নড়েচড়ে বসেছেন। হিসাব কষে পা বাড়াচ্ছেন বাজারের দিকে। আর বিলম্বে হলেও ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় বুক বাধছেন

আইপিও নিয়ে কি হচ্ছে!

পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টমহল প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন নিয়ে যখন নানাধরনের অভিযোগ এবং অনিয়মের কথা বলছেন ঠিক সেই মুহূর্তে সকল প্রস্তুতি সম্পন্নের পরও দুটি আইপিও’র রহস্যজনক আকস্মিক স্থগিতের ঘোষণায় বিস্মিত এবং হতবাক হয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তারা এখন বলে বেড়াচ্ছেন, প্রতিষ্ঠান দুটির আইপিও স্থগিত করায় তাদের এতদিনকার অভিযোগের বিষয়টিই সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। তারা এতদিন বলে আসছিলেন,

ধৈর্যের ফল মধুর: অনেক সুখবর আসছে বিনিয়োগকারীদের জন্য

১৯৯৬ সালে মতিঝিলের সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে ইত্তেফাকের মোড় পর্যন্ত যখন শেয়ার কেনাবেচার হাট বসেছিল তখন আমি সহ সম্পাদক হিসাবে কাজ করছি জাপা নেতা এরশাদের দৈনিক জনতায়। মানিক নগরে বাসা হওয়ায় অফিসের তেজগাঁও কার্যালয়ে যাওয়ার জন্য বলাকা বাস ধরতে আমাকে প্রতিদিনই হাজির হতে হতো ইত্তেফাকের মোড়ে। সেখান থেকে আড়াই টাকায় নাবিস্কো। পরে বাকি পথ হেটে

Top