অর্ধবার্ষিকে কেমন ব্যবসা হলো এসকে ট্রিমসের দেখে নিন

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া এসকে ট্রিমস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লি: ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

জুলাই ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত কোম্পানিটি ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করেছে এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ০.৬৮ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ২৩ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করেছিল এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ২.৪৮ টাকা।

এদিকে অক্টোবর ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত তিন মাসে কোম্পানিটি ১৩ কোটি ৮৬ লাখ ৫৯ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করেছে এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ০.৪১ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ১১ কোটি ৯৪ লাখ ২২ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করেছিল এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১.২৬ টাকা।

অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৩.৪৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.১৩ টাকা।

কোম্পানিটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা। আর আইপিও এর মাধ্যমে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ টাকা কোম্পানিটি স্থাপনা নির্মাণ, যন্ত্রপাতি ও ইক্যুইপমেন্ট ক্রয় এবং আইপিও খরচে ব্যয় করবে। আইপিও ফান্ড পাওয়ার ২১ মাসের মধ্যে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করবে কোম্পানিটি।

এদিকে নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী ৩০ জুন, ২০১৭ পর্যন্ত কোম্পানিটি পণ্য বিক্রি বাবদ মোট আয় করেছে ৪৫ কোটি ৮৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। যা এর আগের বছর ছিল ৩৪ কোটি ৯৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।

এই সময়ে কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর প্রকৃত মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৩০ লাখ ৫৩ হাজার টাকা এবং ইপিএস হয়েছে ৪.৬৫ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ৪ কোটি ১১ লাখ ৪২ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ৪.১৬ টাকা।

এছাড়া ৩০ জুন ২০১৭ শেষে শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১২.৭৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৫.০৭ টাকা।

এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ শতভাগ রপ্তানিকারক তৈরি পোশাক খাতের জন্য সুতা, ইলাস্টিক, পলি, কার্টন, ফটো কার্ড, ব্যাক বোর্ড, বার কোড, হ্যাং ট্যাগ, টিস্যু পেপার, গাম টেপ ইত্যাদি উৎপাদন ও রফতানি করে। গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত কারখানায় ২০১৪ সালের জুনে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায় তারা।

নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির সবচেয়ে বেশি আয় আসে সুইং থ্রেড থেকে। এখান থেকে কোম্পানির আয় হয়েছে ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যা কোম্পানির মোট আয়ের ২৬.৮০ শতাংশ। এরপর রয়েছে কার্টন। কার্টন থেকে এসেছে ১৯.৭৫ শতাংশ বা ৯ কোটি ৬ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। পলি থেকে এসেছে ১৮.২০ শতাংশ বা ৮ কোটি ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। ইলাস্টিক থেকে এসেছে ১০.২৫ শতাংশ বা ৪ কোটি ৭০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

৩০ জুন ২০১৭ শেষে কোম্পানির বড় ঋণ নেই। তবে স্বল্প মেয়াদি ঋণ রয়েছে ৩ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে  রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

Top