ডিএসই লিস্টিং রেগুলেশনস: পর্ব-৫

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শেয়ারবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকেই লিস্টিং রেগুলেশনস মেনে চলতে হয়। শেয়ারবাজার শিক্ষা এই বিভাগে আজকের পর্বটি সাজানো হয়েছে “ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেগুলেশনস,২০১৫” এই প্রবিধানটি নিয়ে। পাঠকের ধৈর্য্যচ্যুতির বিষয়টি লক্ষ্য রেখে সম্পূর্ণ এই প্রবিধানটি বিভিন্ন পর্বে প্রকাশ করা হবে। আজ ৫র্থ পর্ব দেওয়া হলো: (নিচে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পর্বের লিঙ্ক দেওয়া হয়েছে)।

(৬) (৩) “ডেবট সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে যেসব ডকুমেন্টস জমা দিতে হয়”

তালিকাভুক্তির সময় অথবা এক্সচেঞ্জের চাহিদা মোতাবেক যেকোন সময় ডেবট সিকিউরিটিজের ইস্যুয়ার নিম্নোক্ত দলিলাদি তার ব্যবস্থাপনা পরিচালক অথবা চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার অথবা অথরাইজড পারসনের মাধ্যমে যথাযথভাবে সত্যায়িত করে এক্সচেঞ্জে জমা দেবে।

তবে শর্ত থাকে যে, পাবলিক ইস্যু রুলস এবং সিকিউরটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (প্রাইভেট প্লেসমেন্ট অব ডেবট সিকিউরিটিজ) অনুযায়ী গণ প্রস্তাবের (পাবলিক অফারিং) আবেদনের সময়ে এক্সচেঞ্জে দাখিল করা দলিলাদি পুনরায় জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

(ক) প্রেসক্রাইবড অনুযায়ী লিস্টিংয়ের আবেদন (তফসিল-এ এর এনেক্সয়ার-৭)।

(খ) ইস্যুয়ারের মেমোরেন্ডাম এবং আর্টিক্যালস অব অ্যাসোসিয়েশন এর কপি অথবা এমন অন্যান্য কাগজপত্র।

(গ) ইস্যুয়ারের সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন এর কপি অথবা এমন অন্যান্য কাগজপত্র ।

(ঘ) ইস্যুয়ারের সার্টিফিকেট অব কমেন্সমেন্ট অব বিজনেস (ব্যবসা আরম্ভের সার্টিফিকেট) এর কপি অথবা এমন অন্যান্য কাগজপত্র।

(ঙ) প্রয়োজনবোধে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়/ গভর্মেন্ট অথরিটি/বিধিবদ্ধ সংস্থা/বাংলাদেশ ব্যাংক/লোকাল অথরিটির অনুমোদনের কপি।

(চ) নতুন প্রজেক্টের তহবিলের জন্য সম্ভাব্য রিপোর্টের কপি।

(ছ) বোর্ড অব ডিরেক্টর্সদের রেজুলেশনের কপি/ লিস্টিং আবেদনের জন্য ইস্যুয়ারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

(জ) কোন পার্টি অথবা যেকোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো চুক্তি, সম্মতি পত্রের কপি।

(ঝ) ইস্যুয়ার কোম্পানির আইন,১৯৯৪ এর প্রয়োজনীয় আইন কানুন পরিপালন করেছে, অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং পাবলিক অফারিংয়ের জন্য সিকিউরিটিজ আইন-কানুন পরিপালন করেছে এমন ঘোষণাপত্র দিতে হবে।

(ঞ) পরিচালকদের নাম এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত অন্য কোনো কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে থাকলে সেগুলোর বিবরণ।

(ট) ট্রাস্টির নাম এবং বোর্ড অব ট্রাস্টির মেম্বারদের নাম এবং বিবরণ।

(ঠ) সিকিউরিটিজ বিক্রির জন্য কমিশনের কনসেন্ট লেটারের (অনুমোদন পত্র) কপি।

(ড) কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত চূড়ান্ত প্রসপেক্টাস/অফার ডকুমেন্ট।

(ঢ) আন্ডাররাইটিংয়ের চুক্তিপত্র এবং ক্যাপিটাল এডুকুয়েসি (মূলধন পর্যাপ্ততা) সংক্রান্ত আন্ডাররাইটারের ঘোষণাপত্রের কপি।

(ণ) সদ্য গত হওয়া ৫ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অথবা বাণিজ্যিক উৎপাদনের সময় এর চেয়ে কম হলে পুরো সময়ের ( যেদিন থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু,সেদিন থেকে বর্তমান) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন।

(ত) দেখানো প্রজেক্ট মূল্যের প্রতিবেদন এবং তার অর্থায়নের উৎস।

(থ) প্রস্তাবিত ইস্যুতে ট্রাস্টির পক্ষ্যে যে সেকেন্ড অথবা পারি পাস্সু চার্জ তৈরি করা হয়েছে সে সমস্ত পাওনাদার/ব্যাংকার্স/ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনুমতি/অনুমোদন/নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের কপি।

(দ) প্রেসক্রাইবড অনুযায়ী (তফসিল-এ এর এনেক্সয়ার-৩) আন্ডারটেকিং এবং ফিস প্রদানের পূরণকৃত ফর্ম।

(ধ) ক্রেডিট রেটিং রিপোর্টের কপি।

(ন) ইস্যুয়ার, এর স্পন্সর এবং পরিচালকদের বর্তমান ট্যাক্স রিটার্নের সার্টিফিকেট কপি।

(প) যদি প্রযোজ্য হয় তাহলে কমিশনে রেজিষ্ট্রিকৃত ট্রাস্ট ডিড এবং গ্যারান্টি এগ্রিমেন্টসের কপি।

(ফ) যদি বিদ্যমান কোনো ডেবট সিকিউরিটিজ থেকে থাকে তাহলে সেটির টার্ম লোন অথবা ডেবট সিকিউরিটিজের সঠিক সুদ সঠিক সময়ে পরিশোধ করা হয়েছে কিনা সেটির আচরণগত ইতিহাস।

(ব) নিরীক্ষক/ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি কর্তৃক সত্যায়িত ডেবট সিকিউরিটির সম্পূর্ণ ম্যাচিউরিটি সময়ের প্রজেক্টেড ক্যাশ বাজেট/ক্যাশ ফ্লো স্টেটমেন্ট।

(ভ) ইস্যুয়ারের মর্টগেজ/লিয়েন প্রপাটির সকল ডকুমেন্টসের কপি।

(ম) ইস্যুয়ারের পরিচালকদের প্লেজড সিকিউরিটিজের তথ্য।

(য) দ্য এক্সচেঞ্জ অথবা কমিশন কর্তৃক প্রয়োজন অনুসারে (সময় সময়ে) চাহিদা মাফিক যে কোন ডকুমেন্টস অথবা চুক্তিপত্র অথবা এ সংক্রান্ত যেকোন দলিলাদি।

পরবর্তী পর্বে থাকছে, “আন্ডারটেকিংস”

০১. প্রথম পর্বের লিঙ্ক 

০২. দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্ক

০৩. তৃতীয় পর্বের লিঙ্ক

০৪. চতুর্থ পর্বের লিঙ্ক:

 

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top