শেয়ার কারসাজি: বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মুন্নু সিরামিকস এবং মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্স এই দুই কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির পেছনে কারসাজি চক্রের জড়িত থাকার খবর বেশ কয়েক মাস ধরেই আলোচিত হয়ে আসছে। বিষয়টি কমিশনের নজরে আসার পর তাদের তদন্তেও কারসাজির প্রমান মিলেছে। শুধু মুন্নু সিরামিকস ও মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্সই নয় এর সঙ্গে আরো ১০ কোম্পানির শেয়ার নিয়েও কারসাজি করা হয়েছে বলে প্রমান পেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিগুলো হলো: ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনস, ভিএফএস থ্রেড ডাইং, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, এসএস স্টিল, ইনটেক লি:, সায়হাম টেক্সটাইলস, সায়হাম কটন মিলস, রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আইসিবি ও ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগেই মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রাপ্তির ভিত্তিতে লেনদেন, বাজার কারসাজি, সিরিজ অব ট্রেডিং, আচরণবিধি লঙ্ঘন, অতিরিক্ত ঋণ প্রদান, অটো ক্লাইন্ট ট্রেড, আর্থিক প্রতিবেদনে অনিয়ম, শর্ট সেলিং ও সার্কুলার ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার নিয়ে কারসাজি করে নিজেদের ফায়দা হাসিল করেছে। এরা হলেন: বিশ্বজিত দাস ও তার স্ত্রী, কাজী মো: শাহাদাত হোসাইন, বিঅ্যান্ডবিএস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, মো: সাইফ উল্লাহ, হোসাম মো: সিরাজ, এএসএস আহাসান হাবিব চৌধুরী, মো. লুৎফুল গনি টিটো ও তার স্ত্রী এবং তার মালিকানাধীন সাতরং এগ্রো ফিশারিজ। তারা উল্লেখিত ১২ কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিএসইসি। এছাড়া পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তহবিল উত্তোলন, স্থানান্তর ও লিংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে শেয়ার স্থানান্তর বন্ধ থাকবে। তবে সেকেন্ডারি মার্কেটে নিয়মিতভাবে শেয়ার লেনদেন করতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top