আজ: সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২ইং, ২০শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২১ ডিসেম্বর ২০২০, সোমবার |



kidarkar

অবশেষে একাডেমী তৈরীর সিদ্ধান্ত বাফুফের

শেয়ারবাজার ডেস্ক: অবশেষে বাফুফে বুঝতে পারল ফুটবল একাডেমি বাফুফে ভবনের কাছাকাছি হলে ভালো হয়। ফুটবল ফেডারেশনের কাছাকাছি একাডেমি হতে হবে এমন কোনো শর্ত নেই। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সুযোগ-সুবিধা যদি ভালো থাকলে দেশের যে কোনো স্থানেই ফুটবল একাডেমি হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের ফুটবল প্রেক্ষাপটে সেটা নেই।

অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা নেই। তার ওপর যদি বিদেশি কোচিং স্টাফ দিয়ে একাডেমি পরিচালিত হয় তাহলে তো আরও কঠিন হয়ে যায় সবকিছু অনেক দেরিতে, সেটা বুঝতে পারছে বাফুফে। এবার বাফুফে তার ভবনের আশপাশে ফুটবল একাডেমি গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাফুফে ভবন হতে হাঁটার পথেই হবে একাডেমি। ভাড়া করা ভবনে একাডেমি করার কথা জানানো হয়েছে। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন গতকাল একাডেমি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেছেন। কাজ অনেকটা এগিয়েছে বলেই সভাপতি একাডেমি নিয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন। কেন বাফুফে ভবনের আশপাশে হবে একাডেমি। এমন প্রশ্নে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন, ফুটবল ভবনের পাশে টার্ফ, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, কমলাপুর স্টেডিয়াম। এই তিনটি মাঠের সুবিধাও ভোগ করা যাবে। তাছাড়া ভবনেই গড়ে উঠবে আধুনিক জিমনেসিয়াম। খেলোয়াড়দের জন্য সুবিধা আরও বেড়ে যাবে।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নতুন বছরেই একাডেমির কাজও শুরু হয়ে যাবে। এরই মধ্যে তারা অনেকদূর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছে। কোথায় হবে একাডেমি সেই আবাসন ব্যবস্থাও নিজে গিয়ে দেখে এসেছেন। এখন খেলোয়াড় বাছাইয়ের কাজ শুরু করতে চান সালাহউদ্দিন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ফুটবল ভবনের পাশে একাডেমি হলে, বাফুফে খুব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।

বাছাই করে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ফুটবলার নেওয়া হবে একাডেমিতে। থাকা-খাওয়া এবং লেখাপড়া সবই হবে একছাদের নিচে, একাডেমিতে। ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সের খেলোয়াড়দের নেওয়া হবে এখানে। ট্যালেন্ট হান্ট প্রকল্প তৈরি করছে বাফুফে। বিভাগীয় শহরে বাফুফে শাখা খুলবে। সেখানে বাফুফের কোচরা যাবেন প্রতিভা বাছাই করবেন। পাঠাবেন ঢাকায় মূল কেন্দ্রে। ঢাকায় এসে চূড়ান্ত বাছাই করে একাডেমিতে তুলবেন সেরাদের। এছাড়াও স্কুল ফুটবল, বিভিন্ন একাডেমির ফুটবলারদের নিয়েও উন্মুক্ত ট্রায়াল হতে পারে। সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘এক মাসের মধ্যে বাছাই কার্যক্রম শুরু করতে চাই।’

একাডেমিতে লেখাপড়া, খাওয়া-দাওয়া দিয়ে ফুটবলারদের গড়ে তোলার একটা স্বপ্ন অনেকদিন ধরেই বলছিলেন সালাহউদ্দিন। সিলেটে একাডমিও করেছিলেন। কিন্তু বিদেশি কোচিং সেখানে থাকতে রাজি না। ইউরোপিয়নারা দৈনন্দিন জীবনে একটা বৃত্তের মধ্যে বন্দি থাকতে রাজি না। শেষ পর্যন্ত নানা সমস্যার কারণে বাফুফেকে সিলেট হতে ফিরে আসতে হয়েছিল। বাফুফেও বুঝতে পারছিল সিলেটে একাডেমি গড়ার পরিকল্পনা ভুল ছিল। ঢাকার বেরাইদে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ফর্টিসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে একাডমি গড়ে তোলে। সেটি এখন থাকবে, তবে বাফুফের শুভবুদ্ধি হয়েছে একাডেমি গড়তে হলে বাফুফের আশপাশে হলেই ভালো।

শেয়ারবাজার নিউজ/মি

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.