আজ: বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২ইং, ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৩ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার |



kidarkar

সিভিক এনগেজমেন্ট অ্যালায়েন্স (সিইএ) কাজ করে যাচ্ছে সমাজের মানুষদের উন্নয়ন ও জমির অধিকার রক্ষা করতে

শেয়ারবাজার রিপোর্টঃ সিভিক এনগেজমেন্ট অ্যালায়েন্স (সিইএ) কাজ করে যাচ্ছে সমাজের মানুষদের উন্নয়ন ও জমির অধিকার রক্ষা করতে ।
অষ্টমতম পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো সকলকে উন্নয়নের আওতাভুক্তও করা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মুহাম্মাদ আবদুল মান্নান উল্লেখ করেছেন যেহেতু বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে ২০২৪ সালের মধ্যে, তাই সমাজের সকলকে নিয়ে উন্নয়নে এগিয়ে যেতে হবে।

অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডক্টর কাজি খালিকুজ্জামান, চেয়ারম্যান খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ ও পল্লী কর্ম সংস্থান সহায়ক ফাউন্ডেশন; কোএন এভারারট, টিম লিডার, খাদ্য ও পুষ্টি ও টেকসই উন্নয়ন, Delegation of the European Union of Bangladesh, তৌফিকুর ইসলাম খান, সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ এবং Embassy of the Netherlands এর সিনিয়র খাদ্য নিরাপত্তা উপদেষ্টা ওসমান হারুনী উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে।
The Netherlands Ministry of Foreign Affairs (MOFA) এবং ইকো কোন্সোরটিয়াম এর প্রোগ্রাম প্রধান পুরো সেশনটি উপস্থাপন করেন। সিভিক এনগেজমেন্ট অ্যালায়েন্স (সিইএ) নামের একটি পরিকল্পনার সাথে যৌথ ভাবে জড়িত ছিল যা ২০১৬ – ২০২০ সালে বাস্তবায়ন করা হয়, নিজেরা করি, সিভিক সোসাইটি অ্যালায়েন্স ফর সেভিং নিউট্রিশান (সিএসএ- সান) এবং রাইট টু ফুড নেটওয়ার্ক, হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন, দি ল্যাপ্রোসী মিশন ইন্টারন্যাশনাল এর সহযোগীতায়।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রার শুরু থেকেই সরকার তাদের উদ্যোগ বৃদ্ধি করেছে। অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং স্টেক হল্ডারদের নিযুক্ত করে পরিকল্পনাটি দ্রুত বাস্তবায়ন করেছে। সিভিক এনগেজমেন্ট অ্যালায়েন্স (সিইএ) কাজ করে যাচ্ছে সমাজের মানুষদের সোচ্চার হওয়ার জন্য এবং সহযোগিতা করেছে তাদের জমির অধিকার রক্ষা করতে। সঠিক পরিমাণ পুষ্টি এবং সিভিক সোসাইটি ওরগানাইজেশন এর আর্থিক সহযোগিতা পেতে । একটি কার্যকর সভ্য সমাজ পর্যবেক্ষণ, সচ্ছ্যতা, দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতার মাধ্যমে উন্নয়ন করার জন্য সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও স্পিকার উল্লেখ করেছেন।

স্পিকাররা আরও বলেছেন একটি ন্যায্য অর্থনৈতিক সমাজ তৈরী করতে সমাজ ও রাজনৈতিক উন্নয়ন এবং অসমতা ও অবিচার কমাতে কাজ করতে হবে। স্পিকাররা একটি সহযোগী এবং কার্যকর অষ্টম পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য একটি পথ তৈরি করার কথা বলেছেন।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.