আজ: শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১ইং, ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৩ মার্চ ২০২১, বুধবার |



kidarkar

ই-জেনারেশনের লভ্যাংশের বিষয়ে নির্দেশনা বিএসইসির

আতাউর রহমান: দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সদ্য তালিকাভুক্ত ও লেনদেন শুরু করা ই জেনারেশন আগামী চার বছর কোনো বোনাস লভ্যাংশ দিতে পারবে না। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

তথ্য মতে, বিনিয়োগকারীরা যাতে নগদ লভ্যাংশ পেতে পারে সে বিষ‌য়টির ওপর গুরুত্ব দি‌য়ে‌ছে বিএসই‌সি। সেদিক বিবেচনা করে কোম্পা‌নি‌টিকে এ শর্ত দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। এরই ধারাবা‌হিকতায় চল‌তি বছরের ৫ জানুয়া‌রি বারাকা প‌তেঙ্গা পাওয়া‌রের বি‌ডিং অনু‌মোদ‌নের ক্ষে‌ত্রে ৫ বছর বোনাস লভ্যাংশ না দেওয়ার শর্ত আরোপ ক‌রে‌ ক‌মিশন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম শেয়ারবাজার নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মাজহারুল ইসলাম শেয়ারবাজার নিউজকে বলেন, বিএসইসির বোনাস লভ্যাংশের শর্তের বিষয়টি কনসেন্ট লেটার না দেখে বলা যাচ্ছে না।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে ই-জেনারেশনের লেনদেন শুরু হয়। বুধবার (৩ মার্চ) লেনদেন শেষে কোম্পানির শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ৩৫.৯০ টাকা। ৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ মূলধনের কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৫০ লাখ। সর্বশেষ হিসাব বছরের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৩৭.৩৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬.৪২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬.১৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটির চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২০) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.৮১ টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে মুনাফা হয়েছিল ১.০৮ টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের ৩ মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৫ টাকা। যার পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ে হয়েছিল ০.৫৩ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২০ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২.৯২ টাকায়।

গত বছরের ২১ অক্টোবর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৪৫তম নিয়মিত সভায় এ কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি ১০ টাকা ইস্যু মূল্যের ১.৫০ কোটি সাধারণ শেয়ার বিক্রি করে ১৫ কোটি টাকা করে। যা দিয়ে বাণিজ্যিক স্পেস ক্রয়, লোন পরিশোধ, ডিজিটাল হেলথকেয়ার প্লাটফর্ম উন্নয়ন এবং আইপিও খরচ পরিচালনা করা হবে

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.