আজ: বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১ইং, ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৭ মার্চ ২০২১, রবিবার |


বেক্সিমকোর সুকুকের ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করবে সিটি ক্যাপিটাল

শেয়ারবাজার ডেস্ক: পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্তসি বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি (বেক্সিমকো) সুকুক বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি ৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এই সুকুকের ইস্যু ম্যানেজার ও অ্যারেন্জার হিসেবে কাজ করবে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড। আজ দুটি প্রতিষ্ঠানের  মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন বেক্সিমকো গ্রুপের পরিচালক ও পাওয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান কায়সার চৌধুরী ও সিটি ব্যাংক ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এরশাদ হোসেন।

জানা গেছে, সুকুকের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ বেক্সিমকোর দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেড ও করতোয়া সোলার লিমিটেডে বিনিয়োগ করা হবে। এই দুটি কোম্পানি সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এছাড়া বেক্সিমকোর বস্ত্র খাতের ব্যবসা সম্প্রসারণে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি সংগ্রহে বন্ডের অর্থ ব্যয় করা হবে।

সুকুকের ফেস ভ্যালু হবে ১০০ টাকা, একজন বিনিয়োগকারীকে কমপক্ষে ৫০টি সুকুক কিনতে হবে। এই সুকুকের মেয়াদ হবে ৫ বছর। সুকুক থেকে কমপক্ষে ৯ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে।বেক্সিমকো লিমিটেডের লভ্যাংশ ৯ শতাংশের বেশি হলে তার ১০ শতাংশ সুকুকের মুনাফার সাথে যুক্ত হবে।

সুকুকে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের শতভাগ বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে রূপান্তরের সুযোগ থাকবে। এক্ষেত্রে প্রতি বছর ২০ শতাংশ হারে সুকুক শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে। গুণিতক হারে অর্থাৎ ৫, ১০, ১৫ ও ২০ শতাংশ রূপান্তরের সুযোগ থাকছে। কোনো বছর শেয়ারে রূপান্তরের সুযোগ গ্রহণ না করলে সেটি পরবর্তী বছরের করা যাবে। এ রূপান্তরের মূল্য নির্ধারিত হবে রেকর্ড তারিখের আগের ২০ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেক্সিমকোর শেয়ারের গড় মূল্যের ৭৫ শতাংশ। যদি কোনো বিনিয়োগকারী সুকুককে শেয়ারে রূপান্তর করতে না চান, তাহলে পাঁচ বছরে ওই সুকুকের অবসায়ন হবে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.