আজ: শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৬ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার |


kidarkar

প্রাকৃতিকভাবে আমরা খুব ভালো অবস্থানে আছি- বিএসইসি চেয়ারম্যান


শেয়ারবাজার রিপোর্ট: উন্নত দেশের তুলনায় আমাদের অর্থনীতি অনেকটাই ভিন্ন। আমাদের গ্লোবাল অবস্থান অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে আমরা খুব ভালো অবস্থানে আছি বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটে (বিআইসিএম) “ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ২০২১” শীর্ষক দুইদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনীতে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বিআইসিএম সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের আরো বেশি বিদেশি ইনভেস্টমেন্ট দরকার, আরো বেশি যোগাযোগ দরকার, আরো বেশি শুভাকাঙ্ক্ষী দরকার। আমাদের এখন অনেক গবেষণার দরকার আছে। আমরা এখন অনেক উন্নতি করেছি। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন অনেক বেশি সবুজায়ন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। নতুন নতুন পরিকল্পনা করছি। পরিবেশের ক্ষতি না করে যেসব গার্মেন্টস বিশ্বে অবদান রাখছে তার সেরা ১০টার মধ্যে ৭টাই বাংলাদেশের।

তিনি বলেন, আমরা মোটামুটি সবাই জানি কিভাবে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার সম্ভাবনার ছোঁয়া দিয়ে যাচ্ছে। আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ভালো করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণেই এতোকিছু সম্ভব হচ্ছে। ‘আমাদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের যে চাহিদা তা এখন অনেকাংশেই পূরণ হচ্ছে। আমরা এখন প্রচুর পরিমাণের পোষাক রপ্তানি করে থাকি। তাছাড়া কিছু কিছু খাদ্যও আমরা রপ্তানি করছি।

‘সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এখন গ্রিন বন্ডের প্রচারণা চালাচ্ছে। সেই সাথে রয়েছে ব্লু বন্ডও। আমাদের এখন জানতে হবে কিভাবে আরো ভালোভাবে, সহজভাবে অর্থের জোগান দেওয়া যায়। তাছাড়া স্বাস্থ্যখাতসহ অন্যান্যখাতে কিভাবে আরো ভালো করা যায় তাও ভাবতে হবে।’

তিনি বলেন, সব সূচকেই বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আগের চেয়ে ভালো করছে। স্বাধীনতার প্রথম ৩০ বছরে আমরা আশানুরূপ উন্নতি করতে পারিনি তাই এখন আমাদের দ্বিগুন গতিতে এগোতে হবে। এধরণের সম্মেলন থেকে যেসব অ্যাকশন প্ল্যান আসবে তা নিয়ে আমাদের কাজ করে এগিয়ে যেতে হবে।

উদ্বোধনী পর্বের সেশন চেয়ার হিসেবে ছিলেন বিআইসিএমের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্লোবাল গ্রীন গ্রোথ ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর জেনারেল ফ্রাঙ্ক রিজবারম্যান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরক্ত সচিব মফিজ উদ্দীন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মঈন।


আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.