আজ: মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১ইং, ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার |



kidarkar

২০২১-২২ অর্থবছরের এডিপি: কর্মসংস্থান বাড়াতে আসছে নতুন ৯ প্রকল্প

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: কর্মসংস্থান তৈরি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আসছে নতুন ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এ প্রকল্পগুলি আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ৪ এপ্রিল পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগ থেকে এ প্রস্তাব পাঠানো হয় এডিপি তৈরির দায়িত্বে নিয়োজিত কমিশনের কার্যক্রম বিভাগে।

শিল্প শক্তি বিভাগের গবেষণা কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেনের সই করা প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের এডিপি প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স উইং সংশ্লিস্ট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রথম কলনোটিশ পূরণ করা হয়েছে। পূরণ করা কলনোটিশ এবং প্রকল্পগুলোর নাম ও অন্যান্য তথ্য পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

নতুন যেসব প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে কমন ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি-৩এ) ও ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট (ডিস্যাল-২এ) স্থাপন। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১১৩ কোটি ১১ লাখ টাকা। প্রক্রিয়াকরণ শেষে অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া রয়েছে সোনাদিয়া ও মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা। প্রক্রিয়াকরণ শেষে অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, সাবরাং ও নাফ ট্যুরিজম পার্কের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫৪ কোটি ২ লাখ টাকা। প্রক্রিয়াকরণ শেষে অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পটির ডিপিপি প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া রয়েছে নবাবগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্প। এটি বাস্তবয়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৬৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পটির জন্য প্রকল্প যাচাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রয়েছে মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ স্থাপন প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। অনুমোদন পেলে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তাবটি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রকল্প মূল্যায় কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া প্রোজেক্ট ফর প্রোমটিং ইনভেস্টিমেন্ট অ্যান্ড ইনহ্যান্সিং ইনডাস্ট্রিয়াল কম্পিটিটিভনেন্স ইন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইকনোমিকস জোনস অথোরিটি বেজা প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ১৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। অনুমোদন পেলে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্প প্রস্তাবটি নিয়ে পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বগুড়া অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। অনুমোদন পেলে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্প যাচাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নেত্রকোনা অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অনুমোদন পেলে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্প যাচাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে ২টি মর্ডান ফায়ার স্টেশন স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৩ কোটি ৬৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। অনুমোদন পেলে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.