আজ: বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২ইং, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ই শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার |



kidarkar

টাইগারদের সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় ডুবিয়ে কিউইদের জয়

স্পোর্টস ডেস্ক: পরিকল্পনায় স্থির থেকে ক্রিকেট খেলতে পছন্দ করে নিউজিল্যান্ড। সহজ ওই ফর্মূলায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে তাঁরা। রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) অনভিজ্ঞ এক দল নিয়ে বাংলাদেশের কঠিন উইকেটে পরিকল্পিত ও ডিসিপ্লিনড ক্রিকেটে খেলেছে কিউইরা। তুলে নিয়েছে ৫২ রানের বিশাল জয়। ডেরায় এসে টাইগারদের সর্বনিম্ন রানে অলআউটের লজ্জায় ডুবিয়ে নিয়েছে প্রতিশোধ।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজ নিশ্চিত করার ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র ৭৬ রানে অলআউট হয়েছে। অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ’র শতশত টি-২০ ম্যাচে সতীর্থরা তাঁকে ভালো ব্যাটিং উপহার দিতে পারেননি। কিউইদের দেওয়া ১২৯ রানের জবাবে শুরু থেকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে অল্পতেই ধসে গেছে স্বাগতিকরা। অলআউট হয়েছে টি-২০ ফরম্যাটে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে।

ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিপক্ষে এভাবে ধসে যাওয়ার রেকর্ড নতুন নয় বাংলাদেশের। ২০১৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে ইডেন গার্ডেনসে মাত্র ৭০ রানে বাংলাদেশকে অলআউট করে দিয়েছিলো কিউইরা। চলতি বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ৭৬ রানে অলআউট হয়েছে টাইগার বাহিনী। কিউইদের বিপক্ষে ২০১০ সালে ৭৮ রানে অলআউটের ঘটনাও আছে।

দারুণ এই জয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে তাঁরা নিজেদের সর্বনিম্ন ৬০ রানে অলআউটের লজ্জায় ডুবেছিলো। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয়ের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলো। তৃতীয় ম্যাচে ব্যাটে-বলে দারুণ ক্রিকেট খেলে সিরিজ জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখলেন টম ল্যাথাম-এর দল। বুঝিয়ে দিলেন উইকেট ও কন্ডিশন নিয়ে অনেক শিক্ষাই তাঁরা নিয়েছেন।

পাঁচ ম্যাচের সিরিজের তৃতীয় এই ম্যাচে টস জিতে ভালো ব্যাটিং শুরু করে নিউজিল্যান্ড। করোনামুক্ত হয়ে ফেরা ওপেনার ফিন অ্যালেন ১৫ রানের ঝড়ো শুরু করেন। পরে ঠান্ডা মাথার ক্রিকেট খেলে অন্য ওপেনার রাচিন রবিন্দ্র ২০ ও তিনে নামা উইল ইয়ং ২০ রান যোগ করেন। তবে মিডল অর্ডারে খারাপ করে তাঁরা।

ওই ধাক্কা সামলে লোয়ার অর্ডারে টম ব্লান্ডেল ৩০ বলে তিন চারে ৩০ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন। তাঁর সংগে ৬৬ রানের জুটি গড়তে টম ল্যাথাম খেলেন ৩৬ রানের দারুণ কার্যকরি ইনিংস। জবাব দিতে নেমে দুই টাইগার ওপেনার লিটন দাস (১৫) ও নাঈম শেখ (১৩) শুরু পেলেও অন্যরা সুবিধা করতে পারেননি।

মুশফিক খেলেন ৩৭ বলে হার না মানা ২০ রানের ইনিংস। আর কেউ দশ রানের ঘরে ঢুকতে পারেননি। বাংলাদেশকে ধসিয়ে দেওয়ার কাজটা করেছেন কিউই স্পিনার আইজাজ প্যাটেল ও কোলে ম্যাককনকি। তাঁরা দু’জনে নিয়েছেন সাত উইকেট। আইজাজ ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ম্যাককনকি ৪ ওভারে ১৫ রান খরচায় ঝুলিতে ভরেন ৩ উইকেট।

২ উত্তর “টাইগারদের সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় ডুবিয়ে কিউইদের জয়”

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.