আজ: রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ইং, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার |



kidarkar

অরিজা এগ্রো ও মাস্টার ফিডের লেনদেন শুরু ১২ টাকায়

শেয়ারবাজার ডেস্ক: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদনের পর কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার (কিউআইও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা মাস্টার ফিড এগ্রোটেক লিমিটেড এবং অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার প্রথম দিন ১২ টাকা করে লেনদেন শুরু হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি দুইটির মধ্যে মাস্টার ফিড এগ্রোটেকের ২টি শেয়ার দুই বার হাত বদল হয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২ টাকা বেড়েছে। আর অরিজা অরিজা এগ্রোর ১টি শেয়ার একবার হাত বদলের মাধ্যম ২ টাকা বেড়েছে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার এবং এবং ২৮ সেপ্টেম্বর মাস্টার ফিড এগ্রোটেক লিমিটেডে আবেদনকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে শেয়ার প্রেরণ করা হয়েছে।

মাস্টার ফিড এগ্রোটেকের কিউআইওতে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের কিউআইওতে গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।

আর গত ১৪ জুলাই বিএসইসির ৭৮৪তম সভায় মাস্টার ফিড এগ্রোটেক লিমিটেডের এবং অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজের (কিউআইও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়।

এর মাধ্য মাস্টার ফিড এগ্রোটেক কিউআইও এর মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য প্রতিটি ১০ টাকা মূলে ১ কোটি শেয়ার ইস্যু করে। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কার্যকরী মূলধন এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৮ টাকা এবং পুন:মূল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪.০৮ টাকায়। এসএমই প্লাটফর্মে লেনদেনের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর ইস্যুয়ার কোম্পানি কোনো বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে এনবিএল ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট এবং এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পাটনার্স ইনভেস্টমেন্ট।

আর অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ কিউআইও এর মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য প্রতিটি ১০ টাকা মূলে ১ কোটি শেয়ার ইস্যু করে। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ,কার্যকরী মূলধন এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.০২ টাকা এবং পুন:মূল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮.০৯ টাকায়। এসএমই প্লাটফর্মে লেনদেনের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর ইস্যুয়ার কোম্পানি কোনো বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে যথাক্রমে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল এবং সিটি ব্যাংক রিসোর্সেস।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.