আজ: বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১১ জানুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার |



kidarkar

যমজ দুই শিশুকে বের করে দেওয়া সেই হাসপাতালের মালিক কারাগারে

জাতীয় ডেস্ক: টাকা দিতে না পারায় রাজধানীর ‘আমার বাংলাদেশ হসপিটাল’ থেকে যমজ দুই শিশুকে বের করে দেওয়ার পর এক শিশুর মৃত্যুর মামলায় হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালত কারাগারে পাঠিয়ে জামিন শুনানি দিন বুধবার (১২ জানুয়ারি) ঠিক করেছেন।

এরআগে দুই দিনের রিমান্ড শেষে গোলাম সারোয়ারকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) সাইফুল ইসলাম। আসামির পক্ষে তার আইনজীবী বুধবার জামিন শুনানির জন্য রাখার আবেদন করেন।

আদালত নিবেদন মতে জামিন শুনানির দিন বুধবার রেখে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বলে জানান মোহাম্মদপুর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর শরীফুল ইসলাম।

গত ৮ জানুয়ারি গোলাম সারোয়ারের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এরআগে এ ঘটনায় ৭ জানুয়ারি শিশু দুটির মা আয়েশা আক্তার মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। তার অভিযোগ, ঠান্ডাজনিত কারণে গত ৩১ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আব্দুল্লাহ ও আহম্মেদকে ভর্তি করেন। ২ জানুয়ারি বলা হয়, তাদের এনআইসিইউতে নেওয়া লাগবে। সেখানে সিট না মেলায় সাভারে কোনো একটি হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এসময় সেখানকার এক অ্যাম্বুলেন্সচালক (দালাল) তাদের পাশের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। তিনি জানান, সেখানেও সরকারি হাসপাতালের মতো খরচ কম।

ওই চালকের কথামতো শিশু দুটিতে ভর্তি করালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছয় দিনে দুই শিশুর চিকিৎসার বিল দেখায় ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এরইমধ্যে কয়েক দফায় ৫০ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন শিশু দুটির মা।

তিনি বলেন, ‘আমরা এত টাকা কোথায় পাবো। তারপরও ৫০ হাজার পাঁচশো টাকা দিয়েছি। বাকি টাকা না দিতে পেরে তাদের হাতে-পায়ে ধরেছি কিন্তু লাভ হয়নি। বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে সন্তানসহ হাসপাতাল মালিক আমাকে জোর করে বের করে দেয়। এরপর শাহিন নামে এক যুবককে দিয়ে দুই শিশুসহ ঢামেক হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে যাওয়ার পথে আমার এক ছেলে মারা যায়। আরেক ছেলের অবস্থাও ভালো না।’

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.