আজ: সোমবার, ২৩ মে ২০২২ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার |



kidarkar

দুর্গম ৬১৭টি ইউনিয়নে ইন্টারনেটের সুবিধা নিশ্চিত করবে বিসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের দুর্গম স্থানে ইন্টারনেটের সুবিধা পৌঁছাতে বিসিসি গ্রহণ করেছে “কানেক্টেড বাংলাদেশ” নামক একটি প্রকল্প। অক্টোবর ২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চলবে ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত। যেখানে প্রকল্পে ব্যয়ের পরিমাণ ৫০৪৪৩.৩১ লক্ষ টাকা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের দুর্গম ৬১৭টি ইউনিয়নে ইন্টারনেটের সুবিধা নিশ্চিতকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বিসিসি।

প্রকল্পটির আওতায় টেলিযোগাযোগ সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় উচ্চ নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। একইসাথে সারাদেশে ব্যাকবোন নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ইন্টারঅপারেবিলিটি, এফিশিয়েন্সি, ট্রান্সপারেন্সি, ইফেক্টিভনেস এবং কোয়ালিটি অফ সার্ভিসেস (এসওএস) বৃদ্ধি করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বিসিসির কানেক্টেড বাংলাদেশ প্রকল্প।

বিসিসি নির্বাহী পরিচালক ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, বিশ্ব জুড়ে সকল ধরণের যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি অন্যতম যুগান্তকারী মাধ্যম হল ইন্টারনেট। ইন্টারনেটের সংযোগ দেশের প্রতিটি অঞ্চলে পৌঁছাতে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে নানাবিধ পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এরই আলোকে টেলিযোগাযোগ সুবিধা বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি স্থাপনে কাজ শুরু করেছে বিসিসি’র কানেক্টেড বাংলাদেশ প্রকল্প। যার ফলে ঐ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ইন্টারনেটের সুফল পূর্ণাঙ্গভাবে ভোগ করতে পারবেন বলেও মনে করছেন তিনি।

কানেক্টেড বাংলাদেশের প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও উপ-সচিব জগদীশ চন্দ্র সরকার বলেন, টেলিযোগাযোগ সুবিধা বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারের বিভিন্ন ধরণের সেবা প্রদান করা, ৬১৭টি ইউনিয়নের সকল স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, গ্রোথ সেন্টার, টেলিকম অপারেটর ইত্যাদি স্থানে নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করাসহ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার এর নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। এছাড়া, উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে ই-কমার্স, ই-সার্ভিস, টেলিমেডিসিন এর প্রচার ও প্রসার করার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করাও এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। এর ফলে দেশের নদীবহুল, অতি দুর্গম, পাহাড়ী এবং প্রত্যন্ত ৬১৭ টি ইউনিয়নে ডিজিটাল বিভাজন বৈষম্য দূর হবে বলে মনে করছেন তিনি।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.