আজ: বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৫ মার্চ ২০২২, মঙ্গলবার |



kidarkar

বছরের ব্যবধানে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে দেড় হাজারেরও বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক বছরে দেশ থেকে অর্থ পাচার বিষয়ক বা সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। তবে এটি শুধু দূর্ণীতি বাড়ার কারণে হয়েছে তা নয়, এ বিষয়ক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধির কারণেও বেড়েছে। বিগত ২০২০-২১ অর্থবছরে পাঁচ হাজার ২৮০ টি সন্দহজনক লেনদেন হয়েছে। আগের অর্থবছরে যার পরিমান ছিল তিন হাজার ৬৭৫ টি। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে এক হাজার ৬০৫টি।

মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে ‘বিএফআইইউ’র বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২০-২০২১ এবং বিএফআইইউ’র কার্যক্রম অবহিতকরণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব জানাই গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

বিএফআইইউ’র বার্ষিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, অবৈধভোবে যতো অর্থ লেনদেন হয়েছে তার বেশিরভাগই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে। অন্যান্য মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের পরিমাণ অতিনগণ্য। তথ্য বলছে, গত অর্থ বছরের ৪ হাজার ৪৯৫টি সন্দেহজনক লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছে। এক বছর আগেও যেটি ছিলো ২ হাজার ৯০৮টি। ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট পাঁচ হাজার ২৮০ টি সন্দহজনক লেনদেন হয়েছে যা তার আগের অর্থবছরে (২০১৯-২০২০) ছিল তিন হাজার ৬৭৫ টি। হিসাব মতে, এক বছরের ব্যবধানে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৪৪ শতাংশ বা ৪৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএফআইইউ’র প্রধান মাসুদ বিশ্বাস, জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এবিএম জহুরুল হুদা, পাবলিকেশন ডিপার্টমেন্টের জেনারেল ম্যানেজার জিএম আবুল কালাম আজাদ, বিএফআইইউ’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কামাল হোসাইন, জয়েন্ট ডিরেক্টর ইকরামুল হাসান প্রমুখ।

বিএফআইইউ’র প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, এ বছর আমরা বিএফআইইউ’র ২০ বছর পর্তি উৎযাপন করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে আমাদের মানি লন্ডারিং ব্যবস্থা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। তথ্য প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে ব্যবসা এবং ঝুঁকির ধরন পাল্টেছে। আমরাও বিভিন্নভাবে সমৃদ্ধ হয়েছি।

তিনি জানান, আমরা যেসব সন্দেজনক লেনদেন চিহ্নিত করি তার ২৬ দশমিক এক শতাংশ তথ্য আসে গণমাধ্যম থেকে। গত ৭ মার্চ বিএফআইইউ’র সতন্ত্র ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়েছে, যেখানে পরিচয় গোপন করে যে কেউ অভিযোগ করতে পারবেন। সেটাকে গুরুত্ব সহকারে দেখবে গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

ইদানিং ই-কমার্সের মাধ্যমে শত শত অবৈধ লেনদেন হচ্ছে যা আগের তুলনায় অনেক বেশি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমরা কানাডার বেগমপল্লী, মালয়েশিয়া এবং পিকে হালদার নিয়ে কাজ করেছি এবং এ বিষয়ে যথাযথ সংষ্থাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপে নিচ্ছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.