আজ: শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩ইং, ১১ই চৈত্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২রা রমজান, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৫ মার্চ ২০২২, মঙ্গলবার |


kidarkar

দেশ জেনারেলের আইপিও অর্থ ব্যবহারে আইন লঙ্ঘন, নথি চায় বিএসইসি


আতাউর রহমান: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অর্থ টি-বন্ডে বিনিয়োগ করার কথা থাকলেও তা কোম্পানিটি শুধু এফিডি করেছে। একইসঙ্গে বেশ কিছু অর্থ অনুমতি ছাড়াই কোম্পানিটি আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করে। এতে কোম্পানিটি আইপিও অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘন করেছে। ফলে কোম্পানিটিকে আইপিওর অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি স্পষ্টীকরণের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সাথে কোম্পানিটির কাছে অর্থ ব্যবহারের নথি চেয়েছে কমিশন।

সম্প্রতি কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর এ বিষয়ে জানতে চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিএসইসি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৯ মার্চ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর দেশের শেয়ারবাজারে দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন শুরু করে। কোম্পানিটি প্রতিটি ১০ টাকা দরে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ১৬ কেটি টাকা উত্তোলন করে। এই অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানিটি সরকারি ট্রেজারি বন্ড ও ফিক্সড ডিপোজিট, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করার বিষয়ে জানায়।

বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আইপিও অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে কোম্পানিটি গত বছর ২৯ জুলাই একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সেখানে দেখা যায় কোম্পানি এফডিআর এ বিনিয়োগের জন্য আইপিও অর্থ ব্যবহার করেছে। তবে কোনও টি-বন্ডে বিনিয়োগ নেই, যা প্রসপেক্টাস অনুযায়ী হওয়া উচিত ছিল। এছাড়া শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় হয়েছে।

এদিকে প্রসপেক্টাস অনুযায়ী ৩১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৪২ টাকা এফডিআর এবং টি-বন্ডে বিনিয়োগ করার কথা ছিল। কিন্তু যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা সহ কমিশনকে সাধারণ সভার মিটিং রেজোলিউশন না দিয়ে আইপিও খরচে ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি পাবলিক শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন করেছেন যা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ধারা ২সিসি এর অধীনে জারি করা সম্মতি পত্রের অংশের শর্ত নং ৬ এর লঙ্ঘন।

তাই কোম্পানিকে এই চিঠি জারির সাত কার্যদিবসের মধ্যে উল্লেখিত নথি সহ কোম্পানির অবস্থান স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এফডিআর ফর্মের অনুলিপি, ব্যাংকগুলো থেকে নিশ্চিতকরণ পত্র, এখন পর্যন্ত সেই এফডিআরের বিপরীতে কোনো লিয়েন রাখা হয়েছে কিনা, ২০২২ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে ভিডিবিএলের ডিপি এ৬ রিপোর্ট সহ সর্বশেষ পোর্টফোলিও প্রতিবেদন, পে অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফ্ট/চেক ক্যাশ ভাউচার আইপিও খরচ সংক্রান্ত তথ্য, ২০২১ সালের ২৬ জুনে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আইপিওর ব্যাংক প্রতিবেদন এবং উল্লেখ্য বিষয়ে সাধারণ সভার মিটিং রেজুলেশনের অনুলিপি জমা দিতে বলা হয়েছে।

 

 


আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.