আজ: সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ইং, ২৩শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৫ জুন ২০২২, বুধবার |


kidarkar

পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাবে সহমত পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী


শেয়ারবাজার প্রতিবেদক: আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে পু্ঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবে সহমত জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

বুধবার (১৫ জুন) বাজেট ২০২২-২৩: প্রেক্ষিত পুঁজিবাজার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আজ সিএমজেএফ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ও ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিষ্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) যৌথভাবে এই আলোচনার আয়োজন করে। এতে বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন বিএমবিএর প্রেসিডেন্ট মোঃ ছায়েদুর রহমান।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থকে অর্থনীতির মূল স্রোতে আনার লক্ষ্যে এ প্রস্তাব বিবেচনার দাবি রাখে। সেই সাথে সরকার পুঁজিবাজারের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। তিনি নিজেও চান, এই বাজার আরও ভাল চলুক, বড় বড় কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসুক, এসব কোম্পানিতে জনগণের অংশীদারিত্ব বাড়ুক।

তিনি বলেন, এসব টাকা অর্থনীতির মূলধারার বাইরে থাকলে কোনো লাভ হয় না। কাজে আসে না। বরং এগুলোকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে পারলে দেশের জন্য মঙ্গলজনক।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের সময় প্রায় ১০ হাজার কোটি কালো টাকা সাদা হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কালো টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে একদিকে যেমন বিনিয়োগ হচ্ছে অপরদিকে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মূল উপস্থাপনায় বিএমবিএর প্রেসিডেন্ট মোঃ ছায়েদুর রহমান ৫ শতাংশ কর দিয়ে শুধু পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করেন। তিনি বলেন, এই সুযোগ দেওয়া হলে একদিকে কালো টাকা অর্থনীতির মূল ধারায় যুক্ত হবে। অন্যদিকে তা পুঁজিবাজারকে গতিশীল হতে সাহায্য করবে। কালো টাকা অর্থনীতির মূল ধারার বাইরে থাকলে তা নানা অপরাধমূলক কাজে ব্যবহারের আশংকা থেকে যায়।

বিএমবিএ প্রেসিডেন্ট তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হারের ব্যবধান সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ১০ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানান। তাতে বড় ও লাভজনক কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিএমবিএ প্রেসিডেন্ট করহারের পাশাপাশি তালিকাভুক্ত এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির ভ্যাটের (মূল্যসংযোজন কর) হারেও ব্যবধান রাখার প্রস্তাব করেন। তিনি তালিকাভুক্ত কোম্পানির ভ্যাটের হার ১০ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানান।

তিনি ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে লভ্যাংশ বিতরণের সময় কেটে রাখা আয়করকে (উৎসে কর) তার চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য করা, মার্চেন্ট ব্যাংকের করহার সাড়ে ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ২৭ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেন।


আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.