আজ: শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৮ জুলাই ২০১৫, মঙ্গলবার |



kidarkar

রহস্যময় গাড়ীর ইতিহাস

carশেয়ারবাজার ডেস্ক: গাড়িটি নির্মান করা হয়েছিল অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আক উয়ুক ফাদিনান্দের জন্য। এটার ব্যবহারের প্রথম দিনই তিনি এবং তার স্ত্রী ডাচেস হোহেন নিহত হন আততায়ীর গুলিতে। এ কারনে ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই সাবিয়া বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে অস্ট্রিয়া। অস্ট্রিয়া সরকারের পক্ষে ঘোষনা অনুযায়ী, ফাইভ-বি দলের সেনা অধিনায়ক হন পোতারেক নামক এক ব্যাক্তি। তিনি সারাজিত গভর্নরের কাছথেকে গাড়িটি কিনে নেন। দুভাগ্যবশত তিনি যুদ্ধে পরাজিত হন এবং মৃত্যু বরন করেন।

১৯১৫ সালে গাড়িটি প্রদান করা হয় ফাইভ-বি সেনাদলের ক্যাপ্টেন কে।  তার ভাগ্যে এটি ব্যবহার করার সুযোগ মেলে মাএ ৯ দিন।  দুই জন যাএী সহ মৃত্যু হয় তার। এরপর ১৯১৮ সালে যুগোস্লাভের গভনর অস্ট্রিয়া সফরে আসেন এবং গাড়িটি কিনে নেন। ১৯১৯ সালে ব্রেক ফেল করে মারা যান তিনি। এরপর সারকিন্স নামের একজন সরকারি ডাক্তার গেরেজ থেকে গাড়িটি কিনে নেন। রোগী দেখতে যাবার সময় রাস্তার পাশের খালে পড়ে তিনি মারা যান।

ডাক্তারের মৃত্যু পর গাড়িটি বহুবার হতবদল হযেছে আর প্রতিবারই মালিকের মৃত্যু হয়েছে। এত দুর্নাম থাকা সত্বেও অবশেষে গাড়িটি কিনে নেন এক সংগ্রাহক। একবার মোটাল র‌্যালীতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি মারা যান।

এরপর গাড়িটি আসে এক মোটর ম্যাকানিকের কাছে। তিনি গাড়িটিকে নতুন করে তোলেন এবং একজন ধনী কৃষকের কাছে বিক্রি করেন। সারায়েভো শহরে যেদিন তিনি গাড়িটি নিয়ে প্রথম প্রবেশ করলেন সে দিনই শুরু হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সবাই ধরে নিল অভিশপ্ত ভৌতিক ঐ গাড়িটির জন্যই শুরু হল আরেকটি যুদ্ধ।

শহরের সবার প্রতিবাদের মুখে জেলা প্রশাসক আদেশ করলেন, হয় শহর ত্যাগ করতে হবে, নয়তো গাড়ির মায়া ত্যাগ করতে হবে। প্রথম শর্তকে বেছে নিয়ে শহর ত্যাগ করে অন্য শহরে রওনা দিলেন। কিছুদূর এগুতেই গাড়িটি বিগরে গেল। অগত্য কোণ উপায় না দেখে দুটি বলদ গাড়ির সাথে জুরে দিলেন আর তিনি বসলেন বনেটের উপর।

কিছুদূর এগুতেই গাড়িটি হঠাৎ স্টার্ট হয় এবং মুহূর্তেই বলদ দুটোকে ধাক্কা দিয়ে বনটের উপর বসে থাকা মানুষটিকে পিষে ফেলে। ১৯৩৯ সালের ডিসেম্বরে ওই গাড়িটি কিনে নেন হস ফিল্ট নামের একজন মোটর ম্যাকানিকস। মেরামত করে নিজের ব্যবহারের জন্য রেখে দেন গাড়িটি।  বন্ধুর জম্ন দিনে যাওযার পথে একজন মানুষ কে বাঁচাতে গিয়ে তিনি সহ নিহত হন ছয় বন্ধু। এরপর অস্ট্রিয়া গাড়িটি কিনে রাখার ব্যবস্থা করে।  বিশ্বযুদ্ধ চলাকালিন ১৯৪৫ সালের ২২জুলাই এর উপর বোমা পড়লে গাড়ি সহ পুরো মিউজিয়ামটিই পুড়ে যায়। সূত্র: ইন্টারনেট।

শেয়ারবাজারনিউজ/রু

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.