আজ: বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ইং, ১৯শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১০ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

০৮ ডিসেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার |


kidarkar

১ কোটি মানুষকে কর্মসংস্থানের চাহিদা সম্পন্ন ডিজিটাল মাইক্রোসফট ও লিঙ্কডইনের


নিজস্ব প্রতিবেদক: স্কিলস ফর জবস প্রোগ্রামের অধীনে বিনামূল্যে ৩৫০টি কোর্স করার সুযোগের পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত ৬টি চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় ৬টি নতুন সার্টিফিকেট গ্রহণ করা যাবে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট ও লিঙ্কডইন।

দক্ষতা অর্জনের এই যাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে ৫০ হাজার লিঙ্কডইন লার্নিং স্কলারশিপের সুযোগ রাখছে মাইক্রোসফট ও লিঙ্কডইন। ২০২৫ সালের মধ্যে ১ কোটি মানুষকে প্রত্যাশিত  চাকরির জন্য দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ প্রদানে সহায়তাসহ সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করবে মাইক্রোসফট। এ প্রোগ্রামটি গ্লোবাল স্কিলস ইনিশিয়েটিভের সফলতার ভিত্তিতে উন্মোচন করা হয়েছে। গ্লোবাল স্কিলস ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী ৮ কোটি চাকরিপ্রার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত লিঙ্কডইন, মাইক্রোসফট লার্ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি সংশ্লিষ্ট অলাভজনক নানা উদ্যোগের মাধ্যমে এশিয়ার ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষের সাথে কাজ করেছে মাইক্রোসফট। এদের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ছিলেন ১ লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থী। বাংলাদেশে শীর্ষ ৬টি লিঙ্কডইন লার্নিং পাথওয়ের মধ্যে রয়েছে: ডিজিটাল মার্কেটিং স্পেশালিস্ট, প্রজেক্ট ম্যানেজার, ক্রিটিকাল সফট স্কিলস, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট, ডেটা অ্যানালিস্ট এবং গ্রাফিক ডিজাইনার।

লিঙ্কডইন ও বার্নিং গ্লাস ইনস্টিটিউটের ডেটা পর্যবেক্ষন করে, ৬টি প্রত্যাশিত রোল পয়েন্ট আউট করে মাইক্রোসফট। এর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রফেশনাল, প্রজেক্ট ম্যানেজার, বিজনেস অ্যানালিস্ট, সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, সফটওয়্যার ডেভেলপার ও ডেটা অ্যানালিস্ট। ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, সিমপ্লিফায়েড চাইনিজ ও জাপানিজ ভাষায় নতুন এই কোর্স করা যাবে এবং সার্টিফিকেটগুলো প্রদান করা হবে। এই প্রোগ্রামটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সুযোগ গড়ে তুলতে মাইক্রোসফটের প্রতিশ্রুতির অংশ, যেনো সফলভাবে অর্থনীতিকে ডিজিটাল করার জন্য দক্ষতা, প্রযুক্তি ও সুযোগের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করা যায়।

এ বিষয়ে মাইক্রোসফট ভুটান, বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইউসুপ ফারুক বলেন, “বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নতির জন্য আজকের ডিজিটাল অর্থনীতির চাহিদা অনুযায়ী চাকরিপ্রার্থীদের দক্ষ করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিশ্বব্যাপী ১ কোটি মানুষকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আমরা আসলে প্রযুক্তি দক্ষতার ক্ষেত্রে সবার সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই। নিয়ত উদ্ভাবনে ও সফল হতে চাকরির ক্ষেত্রে সকল মানুষের জন্য আমরা সমান সুযোগ তৈরি করতে চাই। লিঙ্কডডইন ও স্থানীয় কমিউনিটির সহযোগীদের অংশীদারিত্ব আমাদের এ কাজকে সহজ করবে বলে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশের সবাইকে ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের উপযোগী করে গড়ে তুলতে আমরা একযোগে কাজ করে যাবো।”

নতুন ক্যারিয়ের এসেনসিয়াল সার্টিফিকেট তৈরি করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের মৌলিক ডিজিটাল সাক্ষরতা থেকে আরও উন্নত প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করার জন্য এবং এই সার্টিফিকেট শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

লার্নিং পাথওয়ে শেষে, শিক্ষার্থীরা লিঙ্কডইন ব্যাজ সহ সার্টিফিকেট পাবেন এবং চাকরিদাতাদের কাছে দক্ষ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবেন।


আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.