আজ: বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২ইং, ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৫ নভেম্বর ২০১৫, বুধবার |


kidarkar

ডিএসই ইনফো অ্যাপের উদ্ভোধন


Appsশেয়ারবাজার রিপোর্ট: মোবাইল ফোনে বিশ্বের যে কোন জায়গা থেকে পুঁজিবাজারের সকল খবর পেতে ‘ডিএসই ইনফো’ অ্যাপলিকেশনের উদ্ভোধন করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

আজ ২৫ নভেম্বর বুধবার ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ‘ডিএসই ইনফো’ অ্যাপলিকেশনের উদ্ভোধন করেন।

এ সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অদ্যাপক হেলাল উদ্দীন নিজামী, ডিএসই পরিচালক অধ্যাপক কায়কোবাদ, শাকিল রিজভী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালাসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনায়েদ পলক বলেন, মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের অধীনে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ১০০টি মোবাইল অ্যাপস তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে একমাত্র বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিএসই’র জন্য ডিএসই ইনফো অ্যাপস তৈরি করা হয়েছে। এ অ্যাপসের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যাতে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার লেনদেন করতে পারেন সে বিষয়ে অধিকতর কাজ করা হবে। আর এ বিষয়ে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ ডিএসই-কে সব রকম সহায়তা দিবে।

 প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ৩০০ মিলিয়ন ডলার তথ্য ও প্রযুক্তি রপ্তানি করছে। ২০১৮ সালে এ খাতে রপ্তানি লক্ষমাত্রা এক বিলিয়ন ডলার এবং ২০২১ সালে এ খাতে ৩ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করা হবে বলে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, এ খাতের কোম্পানিগুলোকে কিভাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা যায় এ বিষয়ে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান, প্রধান মন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার সাথে আলোচনা হয়েছে। কারণ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হলে একটি কোম্পানির ন্যুনতম পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা হতে হয়। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় এ খাতের কোম্পানিগুলোর এতো বড় পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ব্যবসা করার ক্ষমতা নেই। তবে বিএসইসি অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে আইসিটি কোম্পানিগুলোতে ইক্যুইটি যোগান দেয়ার একটা বড় দিগন্ত খুলে দিয়েছেন। এখান থেকে পূর্ণ সহায়তা নিয়ে আমরা আগামি দুই বছরে ৫০টা কোম্পানিকে ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মাধ্যমে ইক্যুইটির যোগানসহ অন্য সুযোগ সুবিধা দিব। যাতে সেসব কোম্পানি এ খাতে ব্যবসা করতে পারে এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে।

উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বিএসইসি কমিশনার হেলাল উদ্দীন নিজামী বলেন, গত এক দশকে পুঁজিবাজারের মার্কেট ক্যাপিটাল বহুগুণে বেড়েছে। সেই সাথে পুঁজিবাজারে তথ্য ও প্রযুক্তির পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ডিএসই বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক এবং বহুল প্রচলিত সফটওয়ার ব্যবহার করছে। যা শেয়ার লেনদেন অনেক সহজ করে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের যে কোন দেশের তুলনায় আমাদের পুঁজিবাজারের বিধি ও বিধান অনেক আধুনিক।  বিএসইসি নীতিগত সহায়তা দিয়ে পুঁজিবাজারকে অন্য যেকোন সময়ের তুলনায় পূর্ণ স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে এসেছে। এছাড়া ছোট এবং মাঝারি প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজার থেকে সহজে সুযোগ সুবিধা গহেণ করতে পারে সেজন্য আলাদা বাজার তৈরি করার কাজ করছে বিএসইসি।

অনুষ্ঠানে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্য পরিচালকেরাও বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ারবাজারনিউজ/অ/মু


আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.