আজ: বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১ইং, ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩০শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, সোমবার |


অলটেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ: ৪ কার্যদিবসের দরপতন একদিনেই উশুল

Alltex-Industries-Limitedশেয়ারবাজার রিপোর্টঃ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দর বাড়ার শীর্ষে উঠে এসেছে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে এ কোম্পানির শেয়ার দর ৯.৭০ শাতাংশ বৃদ্ধি পায়। টানা ছয় কার্যদিবস দর পতনের পর আজ হঠাৎ কোম্পানিটির দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন দীর্ঘ সময়ের দর পতনের পর আজকের দর বৃদ্ধি স্বাভাবিক বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.৭০ শতাংশ বা ২.৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিন কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৩.৬০ টাকা থেকে ২৬ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে সর্বশেষ ২৬ টাকায় লেনদেন হয়। একই দিনে কোম্পানিটির ১৫ লাখ ২৫ হাজার ৭১০টি শেয়ার সর্বমোট ১ হাজার ৭৮৩ বার লেনদেন হয়। যার বাজfর মূল্য ৩ কোটি ৮৩ লাখ ১০ হাজার টাকা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার আগের ছয় কার্যদিবসে দর হারায় ১৬ শতাংশ। এর মধ্যে চার কার্যদিবসে দর হারায় ১২.৫৫ শতাংশ, যার প্রায় সমান দর আজকের একদিনের দরবৃদ্ধিতে উশুল হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, গত ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে মাত্র ৮ কার্যদিবসে এ কোম্পানির শেয়ার দরবৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে। এই বিষয়ে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান মিজান উর রশিদ বলেন, আমি এই কোম্পানির এমন দরপতনের পর আজকের দর বৃদ্ধিকে স্বাভাবিক বলেই আমি মনে করি। কারন সুস্থ বাজারের লক্ষনই হল দরপতন এবং দরবৃদ্ধির হারের পাশা পাশি অবস্থান ।

১৯৯৬ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৫২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ২৮ লাখ। এর মধ্যে ৩৭.৫০ শতাংশ রয়েছে পরিচালনা পর্ষদের কাছে, ১০.২৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫২.২৭ শতাংশ শেয়ার।

সম্প্রতি এক অডিটর্স ওপেনিয়নে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদনে ১২৫ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার স্থায়ী সম্পদ দেখানো হয়েছে কিন্তু স্থায়ী সম্পদের সঠিক লিপিবদ্ধকরন বই না থাকায় আগের বছরের ব্যালেন্সের সত্যতা যাচাই করা যায়নি। এর মধ্যে শনক্তকরন কোড ও সাবকোড না থাকায় ১১৯ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার টাকায় স্থায়ী সম্পদের বস্তুগত কোন অবস্থানও পাওয়া যায়নি। আবার, অন্য এক হিসাবে ১৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা সাপেক্ষ দায় দেখিয়েছে যা আয়-ব্যয় হিসাবে দেখানোর কথা। এতে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে এবং ৩.৬৪ টাকা।

শেয়ারবাজার/রু/সা

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.