আজ: বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১ইং, ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩০শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, সোমবার |


রিফান্ড নিয়ে জাহিনের টালবাহানা

Zahin.spiningশেয়ারবাজার রিপোর্ট : রিফান্ড ওয়ারেন্ট নিয়ে টালবাহানা শুরু করেছে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব(আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বস্ত্র খাতের কোম্পানি জাহিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড।

যদিও কোম্পানিটি ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত নির্ধারিত স্থানে অ্যালটমেন্ট এবং রিফান্ড বিতরণ করবে বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু এখনো অনেক বিনিয়োগকারী তাদের রিফান্ডের টাকা ফেরত পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা(সিএফও) ফারুক আহমেদ ব্যাংকের ওপর দায় চাপিয়ে শেয়ারবাজার নিউজ ডট কমকে বলেন, ‘আমাদের আইপিও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি আবেদন জমা পড়েছে। আর ব্যাংকগুলো তাদের কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে না পারার কারণে রিফান্ড ওয়ারেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশি সময় লাগছে। তাই রিফান্ড বিতরণের সময়সীমা ৯ ফেব্রুয়ারির স্থলে ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ সময়সীমা আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশের পাশাপাশি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছে।’ কিন্তু কোন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে মোবাইল ফোনের লাইন কেটে দেন। পরে তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এদিকে কোম্পানির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটিতেও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রবেশ করতে পারছেন না। কারণ তাদের ওয়েবসাইটটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

তাছাড়া কোম্পানির কর্তৃপক্ষের সাথে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে শাকিল রিজভি সিকিউরিটিজের বিওধারী মো: জামাল উদ্দীন শেয়ারবাজার নিউজ ডট কমকে বলেন, ‘আমি জাহিন স্পিনিং এ আইপিও আবেদন করি। লটারিতে আমার বিও আসেনি। এদিকে কোম্পানিটির ঘোষণা অনুযায়ী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিফান্ড পেয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমি রিফান্ড পাইনি। আর এ বিষয়ে কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করেও কোন সুরাহা পাচ্ছি না।

এদিকে একই সিকিউরিটিজের আরেক বিনিয়োগকারী মো: কুতুব উদ্দীন বলেন, ‘আমিও জাহিনে আবেদন করেছিলাম। লটারিতে জয়ী হতে না পারায় আমার টাকা ৯ তারিখের মধ্যে রিফান্ড হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো সে টাকা আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসেনি। আর এ বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকেও কোন ঘোষণা কিংবা যোগাযোগ করা হচ্ছে না।’

এ বিষয়ে অপর এক বিনিয়োগকারী তুহিন শেয়ারবাজার নিউজ ডট কমকে বলেন, ‘আমার মতো আরো অনেক বিনিয়োগকারী জাহিন থেকে রিফান্ড পাননি। আর কোম্পানির পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোন ঘোষণা পাওয়া যাচ্ছে না। আর এ টাকা কিভাবে ফেরত পাবো এ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি।’

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি এক কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। আর মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টি শেয়ারে।

শেয়ারবাজার/তু/সা

 

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.