৬ হাজার কোটি টাকা অনুদান দেবে ইইউ

euশেয়ারবাজার রিপোর্ট : বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সুশাসন ব্যবস্থা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা ও শিক্ষা- দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে ৬ হাজার ৩ কোটি (৬৯০ মিলিয়ন ইউরো) টাকা অনুদান দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

‘মাল্টি অ্যানুয়েল ইন্ডিকেটিভ প্রোগ্রাম (এমআইপি)-২০১৪-২০২০’ এর আওতায় এ অনুদান সহায়তা দেবে ইইউ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে-২ এ সংক্রান্ত একটি ঘোষণাপত্র সই হয়েছে। এতে করে দেশের উন্নয়নে বড় ধরনের অনুদান পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

তবে তিনটি খাতের টাকাও নির্ধারণ করে দিয়েছে সংস্থাটি। ইইউ’র এই অর্থ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সুশাসন ব্যবস্থায় ১০৩- ১৩৮ মিলিয়ন ইউরো, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ২৭৬-৩১০ মিলিয়ন ইউরো এবং শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে ২৭৬-৩১০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করা যাবে।

বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত পিয়েরি মায়াদন ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।

ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশনের প্রধান কাজ হলো ইউরোপীয় কমিশন ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সুশাসন এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সম্পর্ক দৃঢ করা। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২০১৪-২০২০ মেয়াদে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের ‘মাল্টি অ্যানুয়াল ইনডিকেটিভ প্রোগ্রাম (এমআইপি) ২০১৪-২০২০’ এর আওতায় বাংলাদেশকে ৬ হাজার ৩ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে দেবে।

ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের পর উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে, মাল্টি অ্যানুয়াল ইনডিকেটিভ প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ দক্ষতার উন্নয়নসহ গণতান্ত্রিক সুশানস ব্যবস্থার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত হবে।

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় কমিশনের মধ্যে সম্পাদিত একটি বাণিজ্য সহায়তা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রকল্প সহায়তার সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে ফ্রেমওর্য়াক অ্যাগ্রিমেন্ট এবং ২০০০ সালে কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।

আপনার মন্তব্য

Top